এমিরেটস যাত্রীদের জন্য দুবাইয়ে ফ্রি হোটেল

এমিরেটস যাত্রীদের জন্য দুবাইয়ে ফ্রি হোটেল

চলতি গ্রীষ্মে বাংলাদেশ থেকে দুবাই ভ্রমণকারী যাত্রীদের ফ্রি হোটেল রুম অফার করছে এমিরেটস। তবে, দুবাই রিটার্ণ ট্রিপের ক্ষেত্রে এই অফার প্রযোজ্য। ২০মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়কালে ভ্রমণের জন্য আগ্রহীদের ১৭-৩০মে, ২০২২ এর মধ্যে টিকিট ক্রয় করতে হবে।

ইকোনমি শ্রেণীর যাত্রীরা দুবাইয়ের হিলটন গার্ডেন ইন হোটেলে এক রাত্রীর জন্য এবং বিজনেস ও প্রথম শ্রেণীর যাত্রীরা জে ডব্লিউ ম্যারিয়ট মার্কুইজ হোটেলে দুই রাত্রীর জন্য বিনামূল্যে আবাসন সুবিধা পাবেন।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ এর মধ্যে ভ্রমণকালে যাত্রীরা দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমীরাতে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা ভোগ করবেন। যাত্রীরা তাদের এমিরেটস বোর্ডিং পাস দেখিয়েই দুবাইয়ের শত শত রিটেইল স্টোর, অবকাশ এবং ডাইনিং আউটলেটে অভূতপূর্ব ডিসকাউন্ট পাবেন। মে মাসে দুবাই ভ্রমণকারী যাত্রীরা বিনামূল্যে দুবাইনা ম্যারিনা ক্রুজও উপভোগ করতে পারবেন।

এমিরেটস এবং ফ্লাই দুবাইয়ের লয়ালটি প্রোগ্রাম-এমিরেটস স্কাইওয়ার্ডসের প্লাটিনাম, গোল্ড ও সিলভার সদস্যরা দুবাইয়ের বিখ্যাত দুবাই মল-এ ১০০দিরহাম বা তারও অধিক মূল্যের পন্য, খাবার বা বিনোদন সুবিধা ক্রয় করলে প্রতি ১মার্কিন ডলার (৩.৬৭দিরহাম) এর বিপরীতে ১মাইল (পয়েন্ট) অর্জন করবেন। তবে, ব্লু সদস্যরা ২মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১মাইল পাবেন।

এমিরেটস স্কাইওয়ার্ডস সদস্যরা ফ্লাইট টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে ক্যাশ+ মাইল সুবিধা নিতে পারবেন। এর ফলে টিকিট ক্রয়ে তাদের ক্যাশ খরচ অনেকটা কমে আসবে।

emirates.com/bd emirates.com/bd ভিজিট করে বিস্তারিত তথ্য লাভ করা ছাড়াও টিকিট বুক করা যাবে। এমিরেটসের প্রিমিয়াম যাত্রীরা বরাবরের মতোই দুবাইয়ে ট্রান্সফার এবং লাউঞ্জ সুবিধা নিতে পারবেন।

এমিরেটস বর্তমানে ঢাকা থেকে সুপরিসর উড়োজাহাজের সাহায্যে দৈনিক ৩টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণকারী যাত্রীরা ভায়া দুবাই বিশ্বের ১৪০টির অধিক গন্তব্যে সুবিধাজনক সংযোগ পাচ্ছেন।

ঝড়-বৃষ্টি দিনে যেভাবে শখের গাছ সুরক্ষিত রাখবেন

ঝড়-বৃষ্টি দিনে যেভাবে শখের গাছ সুরক্ষিত রাখবেন

প্রখর রোদ আবার ঝুম বৃষ্টি। গত কয়দিন ধরে এমনই আবহাওয়া বিরাজ করছে। কালবৈশাখীর এই সময়ে মাঝেমধ্যেই ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। এতে ক্ষতি হতে পারে আপনার শখের গাছের। ঝড় আর বৃষ্টির মধ্যে গাছকে সুরক্ষিত রাখতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন—

শিকড় সুরক্ষিত রাখুন

গাছকে বাঁচিয়ে রাখে শিকড়, অত্যাধিক বৃষ্টিপাতে গাছের গোড়ায় পানি জমে যায়। এতে শিকড় পচে যেতে পারে। গাছের মাটির ওপর বেশ কিছু পরিমাণ প্রাকৃতিক সার দিয়ে রাখুন। এতে মাটি সরাসরি অত ভেজে না। শিকড় সুরক্ষিত থাকে।

ক্যাকটাস রাখুন ঘরে

ক্যাকটাস, সাকুলেন্ট, পাথরকুচি ইত্যাদি গাছে খুব অল্প পরিমাণ পানি লাগে। এসব গাছ বৃষ্টির দিনে ঘরে ঢুকিয়ে রাখুন। বারান্দায় রাখলে ভেতরের দিকে রাখুন। অতিরিক্ত পানি জমলে এই গাছ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

গাছ আড়ালে রাখুন

সদ্য গাছ লাগালে চারা গাছকে ছাদ বা বারান্দার কিনারায় রাখবেন না। ছায়ার মধ্যে রাখতে চেষ্টা করুন। নাহয় ভারী বৃষ্টি বা ঝড়ে গাছের ক্ষতি হতে পারে। স্পর্শকাতর গাছ হলে ঘরের মধ্যে রাখুন কিংবা প্লাস্টিক মুড়িয়ে রাখুন। এতে গাছের গায়ে সরাসরি বৃষ্টি লাগবে না।

ছাদের গাছের যত্ন

বৃষ্টির সময় ছাদে রাখা গাছগুলোর বাড়তি যত্ন নেওয়া উচিত। গাছের গোড়ায় অতিরিক্ত পানি জমলে টব কাত করে রাখুন। গাছের মাটি খুঁড়ে দিন।

যদিও বৃষ্টির পানি গাছের জন্য ভালো। তবে, অতিরিক্ত পানি গাছের ক্ষতি করে। সেদিকে খেয়াল রাখুন। গাছের যত্ন নিন।

সুন্দরবনে ১১৪টি বাঘ, দেড় লাখ হরিণ

বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন জানিয়েছেন, সুন্দরবনে ট্র্যাপিং পদ্ধতিতে ২০১৫ সালে সর্ব প্রথম বাঘ গণনা করা হয়। ২০১৫ সালে সুন্দরবনের ১০৬টি বাঘ পাওয়া যায়। সর্বশেষ ২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়ে হয় ১১৪টি। আর হরিণ বেড়ে রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজারটি, এছাড়া ২০০টি কুমির এবং ৪০ হাজার ৫০ হাজারটি বানর রয়েছে।

সোমবার জাতীয় সংসদে দিদারুল আলম (চট্টগ্রাম-৪) এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে শাহাব উদ্দিন এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সুন্দরবনের হরিণ ও কুমির নিধন বন্ধে সরকার ২০১২ সনে বন অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড ও র‍্যাব এর ফার্স গঠন করে সুন্দরবন হতে দুষ্কৃতিকারী, জলদস্যু বিতাড়িত করা হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় পশু বাঘ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ টাইগার অ্যাকশন প্ল্যান (২০১৩-২০২৭) প্রণয়ন করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী অপরাধ বন্ধে স্মার্ট টহলের বিষয়ে বন কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করে স্মার্ট টহল ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়। বিশেষ টহল ব্যবস্থায় দ্রুতগামী জলযান ও ফোন ব্যবহার করা হয়।

সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী প্রজনন মৌসুম জুন-জুলাই-আগস্ট- এই তিন মাসে সুন্দরবনে সব ধরনের পাশ পারমিট বন্ধ রাখা হয়। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলে, বাওয়ালী, মৌয়ালীদের বাঘ, হরিণ ও কুমির নিধন বন্ধে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও উঠান বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী পাচাররোধে দুবলার চরে রাস মেলা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে। সুন্দরবনের রক্ষিত বন ব্যবস্থাপনার নির্মিত চারটি রেঞ্জে চারটি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি, প্রতিটি গ্রামে পিপলস্ ফোরাম, ডিজে কনজারভেশন ফোরাম, কমিউনিটি পেট্রোল গ্রুপ কার্যকর রয়েছে।

সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণের জন্য ৪৯টি ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। সুন্দরবনে বাঘ ও কুমিরের আক্রমণে নিহত বা আহত ব্যক্তির পরিবারকে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূর দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দেশে বায়ুদূষণে বছরে দুই লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু

দেশে বায়ুদূষণে বছরে দুই লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা এ তথ্য জানান।

তিনি আরও জানান, জীবাশ্ম জ্বালানির কারণে বায়ুদূষণে বিশ্বে প্রতিবছর ৭ লাখ অপরিণত নবজাতকের মৃত্যু হয় ও প্রতি মিনিটে মারা যান ১৩ জন।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে বর্ধন জং রানা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৩০ সাল থেকে ২০৫০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে অপুষ্টি, ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়া ও হিট স্ট্রেসে বিশ্বে বছরে অতিরিক্ত আড়াই লাখ মানুষ মারা যাবে।

তিনি আরও বলেন, তামাকের ব্যবহারে বাংলাদেশে প্রতি বছর এক লাখ ৯৬১ মানুষ মারা যান। পরোক্ষ ধূমপানে ২৪ হাজার ৭৫৭ জন মারা যান। এখানে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও কোমল পানীয়ের ব্যবহার প্রচুর পরিমাণে বাড়ছে। দ্রুত বর্ধমান এ সংকট প্রতিরোধ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এ সংকট করোনার চেয়েও বড় ও স্থায়ী বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য ও বিশ্বকে রক্ষায় জলবায়ু কর্মপন্থা গ্রহণ করে সরকার, নাগরিক সমাজ, শিল্পকারখানা এবং অংশীজনদের একসঙ্গে কাজ করার সময় এসেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, পৃথিবীর স্বাস্থ্য ভালো রাখা আমাদের দায়িত্ব। ঢাকা শহরে দেড় কোটি লোক বসবাস করে। তাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম স্বাস্থ্যহানিকর পরিবেশে থাকতে হয়। গাড়ির আওয়াজ হচ্ছে। ভবন নির্মাণে শব্দ হচ্ছে। ঢাকার আশপাশে শত শত ব্রিকফিল্ড। ধূলিকণাগুলো বাতাসে উড়ছে। খাদ্যে অনেক সময় ভেজাল করা হয়।

মেদ ঝরাতে লেবু পানি, কিন্তু জানেন কি ক্ষতির দিক?

মেদ ঝরানোর জন্য রোজ সকালে খালি পেটে লেবু পানি চুমুক দিচ্ছেন? বাড়তি ফলের আশায় অনেকেই আবার দিনে একাধিক বার লেবু পানি খেয়ে থাকেন। কিন্তু জানেন কি, লেবু পানি শুধু উপকার নয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই পানীয় শরীরের ক্ষতিও করে। এই পানীয়টি পান করার আগে জেনে নিন কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দাঁতের ক্ষতি হয়

লেবুর মধ্যে ভরপুর মাত্রায় সাইট্রিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড শরীরের পক্ষে ভাল। বেশি পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড খেতে শুরু করলে দাঁতের এনামেল বা আস্তরণে ক্ষয় দেখা দেয়। ফলে বেশি পরিমাণে লেবু পানি খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। তাছাড়াও অধিক মাত্রায় সাইট্রিক অ্যাসিড খেলে মুখে ঘা-ও হতে পারে।

ফাইল ছবি

গ্যাস ও পেটে ব্যথার সমস্যা

লেবু এমনিতে পেটের জন্য বেশ উপকারী। লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে পারে। তবে অধিক মাত্রায় লেবু পানি খেলে পেটের গন্ডগোলও হতে পারে। যাদের অম্বলের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও এই পানীয় নিয়মিত না খাওয়াই শ্রেয়।

মাইগ্রেন ব্যথা বাড়ে

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, সাইট্রিক অ্যাসিড যুক্ত খাবার অত্যধিক মাত্রায় খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে। তাই যাদের এই সমস্যা রয়েছে, তারা অবশ্যই সতর্ক থাকুন।

ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা

অতিরিক্ত মাত্রায় লেবু পানি পান করার ফলে ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। লেবুর রসে থাকা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড থাকে যা মূত্রবর্ধক। পিত্তাশয়ে ঘন ঘন মূত্র উৎপাদন বৃদ্ধি করে এই অ্যাসিড। সুত্র আনন্দবাজার পত্রিকার।