Salad (সালাদ)

Mediterranean Salad | American Heart Association Recipes

Salad is food served with dressing food can be cold, crisp dish or green vegetables or mixed fruits salad should be crisp, cold, frequent colorful well seasoned and attractive. It may be served as main course or as an accompaniment to other. Most salad well come under one of the following – (সালাদ হল ড্রেসিং খাবারের সাথে পরিবেশন করা খাবার ঠান্ডা, খাস্তা বা সবুজ শাকসবজি বা মিশ্র ফলের সালাদ খাস্তা, ঠাণ্ডা, ঘন ঘন রঙিন সুস্বাদু এবং আকর্ষণীয় হওয়া উচিত। এটি প্রধান কোর্স বা অন্যের সহযোগী হিসাবে পরিবেশন করা যেতে পারে। বেশিরভাগ সালাদ ভালভাবে নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে একটিতে আসে)

  • Fruits
  • Vegetables
  • Leafy Green
  • Meat
  • Sea – Food

There are certain rules that must be followed in the preparation of any salad to achieve the desired results.

Parts Of Salad are –

Best Greek Salad and Dressing Recipe - How to Make Greek Salad

Base : The base usually consists of a salad green such as leaf lettuce. If can be eaten to let it remain on the plate or in a bowl. (বেস সাধারণত একটি সালাদ সবুজ যেমন পাতা লেটুস গঠিত। যদি খাওয়া যায় তাহলে এটি প্লেটে বা একটি বাটিতে থাকতে দিন।)

Body : The body is the main part of the salad. The types of salad would deter mined the kind or kinds of ingredients use. (শরীর সালাদের মূল অংশ। সালাদের প্রকারগুলি খনন করা ধরণের বা উপাদানগুলির ব্যবহারকে বাধা দেয়।)

Dressing : It is seasoned liquid or semi – liquid that in added to the body of the salad to give a flavor and taste. (এটি পাকা তরল বা আধা তরল যা সালাদের শরীরে একটি স্বাদ এবং স্বাদ দেওয়ার জন্য যোগ করা হয়।)

Garnish : The purpose of garnish is it give eye appeal to the salad and color and flavor. (গার্নিশের উদ্দেশ্য হল এটি সালাদ এবং রঙ এবং স্বাদে চোখের আবেদন দেয়।)

Green Coral Salad - fresh, simple, delish! - Salads with Anastasia

  • Use simple colorful combination (সহজ রঙিন সংমিশ্রণ ব্যবহার করুন)
  • Ingredients should always be fresh and crisp (উপকরণ সবসময় তাজা এবং খাস্তা হওয়া উচিত)
  • Balance flavor, center and color (স্বাদ, কেন্দ্র এবং রঙের ভারসাম্য বজায় রাখুন)
  • Use artistic arrangement (শৈল্পিক ব্যবস্থা ব্যবহার করুন)
  • Use form in arranging or molding the salad. Flat surface are not attractive (সালাদ সাজাতে বা ছাঁচে ফর্ম ব্যবহার করুন। সমতল পৃষ্ঠ আকর্ষণীয় নয়)
  • Always present a well chilled salad (সর্বদা একটি ভাল শীতল সালাদ উপস্থাপন করুন)
  • Purchase quality ingredients (মানসম্মত উপাদান কিনুন)
  • Keep in mind that salads are a work of art and should always be attract to the eye people. (মনে রাখবেন যে সালাদ একটি শিল্পকর্ম এবং সবসময় চোখের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হওয়া উচিত।)

চিত্রার চরে মিনি সুন্দরবন, অপার সম্ভাবনার হাতছানি

​ চিত্রার চরে মিনি সুন্দরবন, অপার সম্ভাবনার হাতছানি

বিশ্বঐতিহ্যের অন্যতম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের ন্যায় বাগেরহাটের চিতলমারীতে চিত্রার চরে একটি মিনি সুন্দরবন গড়ে উঠেছে। বহমান চিত্রা নদীর দু কূল ঘেঁষে এ সুন্দরবন ঘিরে অনেকটা সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে বলে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। এ বনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে। পাশাপাশি পরিবেশের জন্য এটি এখন আশীর্বাদস্বরূপ বলে মনে করা হচ্ছে। এ বনকে যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।

এক সময়ের খরস্রোতা চিত্রা নদীর বিস্তীর্ণ চর ও আশপাশে নদীর দু পাড়ে ১৫-২০টি গ্রামজুড়ে গড়ে উঠেছে এই বন। উপজেলার রায়গ্রাম, শুড়িগাতী, খিলিগাতী, করাতের দিয়া, ডুমুরিয়া, আরুলিয়া, খড়িয়াসহ প্রায় ১৫-২০টি গ্রাম মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে এখন বনাঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

এখানকার অধিকাংশ বাড়ির আঙিনাসহ আশপাশে আবাদি-অনাবাদি জমিতেও এখন গোলপাতা, কেওড়া, সুন্দরিসহ নানা প্রজাতির গাছ প্রাকৃৃতিকভাবে বেড়ে উঠছে। এছাড়া নদীর দু কূলজুড়ে চিত্রা নদীর বিস্তীর্ণ চর এলাকায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে গাছের সংখ্যা। বাঘ-হরিণের দেখা না মিললেও সুন্দরবনের নানা ধরনের বন্য প্রাণীর দেখা মিলছে এখানে। ঠিক যেন সুন্দরবনেরই একটা অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। মেছো বাঘ, বাঘডাসা খাটাশ, বিষধর সাপ, তক্ষক, বনবিড়াল, শিয়াল, গুঁইসাপসহ বিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর বিচরণভূমিতে পরিণত হয়েছে এলাকাটি।

মাছরাঙা, ঘুঘু, শালিক, টিয়া, পানকৌড়ি, বক, দোয়েল, ঘড়িয়াল, টুনটুনিসহ প্রায় অর্ধশত প্রজাতির পাখির সন্ধান মিলেছে এখানে। এসব পাখির কলকাকলিতে বন এখন মুখরিত। এছাড়া সুন্দরি, গোলপাতা, কেওড়াসহ নানা প্রজাতির গাছ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অসংখ্য প্রকার সুন্দরবনের উদ্ভিদ জন্মেছে এখানে।

এতে গ্রামবাসীর মধ্যে যেমন আশার আলো দেখা দিয়েছে তেমনি পরিবেশের জন্য এ বন এখন আশীর্বাদস্বরূপ। সুন্দরবনের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার উত্তরে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেঁষে বয়ে যাওয়া চিত্রা নদীর দু পাড় দিয়ে বয়ে চলা এ মিনি সুন্দর বনটি।

স্থানীয় হরেন্দ্রনাথ বাড়ৈ জানান, চিত্রার চরে মিনি সুন্দরবনের পাশেই তার বাড়ি। এখানে অসংখ্য প্রাণী ও পাখির আশ্রয়স্থল গড়ে উঠেছে। ঘুম ভাঙে পাখির কলকাকলিতে। এখানে অজস্র পাখি আশ্রয় নিয়েছে। পাশাপশি সুন্দরবনের অসংখ্য গাছ ও উদ্ভিদ জন্মেছে এখানে। জীববৈচিত্র্যময় এ অরণ্য টিকিয়ে রাখতে পরলে অপার সম্ভাবনা রয়েছে এখানে।

এ ব্যাপারে বাগেরহাট জেলা বন বিভাগের ষাটগম্বুজ এসএসএনটিসি ও চিতলমারী উপজেলা বন কর্মকর্তা চিন্ময় মধু জানান, মিনি সুন্দরবনটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকারিভাবে এ বনের সকল প্রকার প্রতিবেদন স্থানীয় এমপি মহোদয়, বন বিভাগের সচিব মহোদয় এবং বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মহোদয়কে জানানো হয়েছে।

বর্তমানে এ বন ঘিরে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়াকর্মীদের ভিড় বাড়ছে। নতুন সুন্দরবনকে এক নজর দেখার জন্য দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থী ছুটে আসছেন এখানে। বন বিশেষজ্ঞের দল পরিদর্শনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

মহেশখালীর শাপলাপুর সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট

মহেশখালী উপজেলার পর্যটন শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় নতুন দর্শনীয় স্থান ‘ শাপলাপুর মিঠাছড়ি ধুইল্যা ঝিরি পাহাড়ী ঢালা’।
উপজেলার শাপলাপুর-কালারমারছড়া ইউনিয়নের মাঝখানঘেঁষে পর্যটন কেন্দ্রটি। তারই একটি পাহাড়ের নামকরণ করা হয়েছে ‘ধুইল্যা ঝিরি পাহাড়’।

সাদা মাটির আকাশ ছোঁয়া পাহাড়। তার পাশ দিয়ে মধ্যখানে লেকের মতো বয়ে গেছে আঁকাবাঁকা পানির জলরাশি। সব মিলিয়ে এ পাহাড়টি পর্যটকদের কাছেও বেশ পরিচিত হয়ে উঠছে দিন দিন। একদিকে পাহাড়ের নৈগর্সিক সৌন্দর্য অন্যদিকে পাহাড় লাগোয়া বিশাল জলরাশি ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। পাহাড়-লেক এই অপরূপ সান্নিধ্য পেতে এখন শাপলাপুর ছুটে যাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

অপরদিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সোস্যল মিডিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট মহেশখালীর ধুইল্যা ঝিরি পাহাড় শিরোনামে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসলে (৩০) আগষ্ট সোমবার বিকাল ৪ টার সময় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে এএসপি সার্কেল জাহেদুল ইসলাম, মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হাই, ওসি তদন্ত আশিক ইকবাল, মহেশখালীতে দায়িত্বরত বনবিভাগের এসিএফ সাদেকুর রহমান, শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী, কালারমারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেক শরীফ, শাপলাপুর বনবিট কর্মকতা রাজিব ইব্রাহিম প্রমূখ।

পর্যটন স্পট বিকাশের অপূর্ব সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ওই সময় ইউএনও মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, দৈনিক পূর্বকোণে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে উক্ত পর্যটন স্পটের সন্ধান মেলে। আর পাহাড়, লেক বেষ্টিত এই পর্যটন স্পটকে ভ্রমণের নিরাপদ ও আকর্ষণীয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে যদি বনবিভাগের পক্ষ থেকে জায়গা দেওয়া হয়।

শাপলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী বলেন, ‘সবুজেঘেরা শাপলাপুর পাহাড়বেষ্টিত আকর্ষণীয় এ পর্যটন স্পটটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ অপরদিকে তার নির্বাচনি এলাকায় সংবাদকর্মীদের প্রচেষ্ঠায় এই লেকটির সন্ধান পাওয়ায় তাঁদের ভালবাসা ও ধন্যবাদ জানান।
কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারেক শরীফ বলেন, এদিকে নয়নাবিরাম সবুজেঘেরা পাহাড়ি এলাকাটি পর্যটন স্পট হিসেবে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি ওই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধি লাভ করবে। এছাড়া ও পাহাড়ের উচু নিচু ঢিলে যেন সবুজ গালিচায় ঢেকে দেওয়া হয়েছে। অপূর্ব এই দৃশ্যে যে কারোর চোখ আটকে যাবে।

পাহাড় আর সড়কের মিতালী যেন এক রোমাঞ্চকর ভ্রমণের মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে স্থানিয়দের কাছে। তিনি এই পর্যটন স্পটের বাস্তব চিত্র গণমাধ্যমে তুলে পরিচিত লাভ করায় সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।
মহেশখালীতে দায়িত্বর বনবিভাগের এসিএফ বলেন, পাহাড় আর লেক থাকায় জায়গাটি সকলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দিন দিন। সে হিসাবে বনবিভাগের জায়গা যেহেতু উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সম্ভাবনাময় দর্শনীয় পর্যটন জোনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেষ্টা থাকবে।

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডব্লিউটিও। ৬টি আঞ্চলিক সংগঠনের সমন্বয়ে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যার মধ্যে কমিশন ফর সাউথ এশিয়া (সিএসএ) অন্যতম। ১৪ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় (সিএসএ) ২০২১-২০২৩ মেয়াদে ভাইস চেয়ার নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। এতে পর্যটন খাতে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। পাশাপাশি দেশকে আরও বেশি করে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

এ অর্জনে কী কী সুফল আসবে জানতে চাইলে জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যটনে আমাদের নেতৃত্ব দেওয়া এবং ভূমিকা রাখার জায়গা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের পযর্টনকে আরও পরিচিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার জায়গায় বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে পারবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নেও ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় ভাইস চেয়ার হওয়ার ফলে আমরা এখন যে কোনও অনুষ্ঠান বাংলাদেশে করার প্রস্তাব করতে পারবো। এখন বিভিন্ন দেশের পর্যটনের শীর্ষ ব্যক্তিরা আসবেন এখানে। তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানবেন। এর সুফল আমরা পাবো।’

এর আগে ২০১৯-২০২১ মেয়াদে কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার ভাইস চেয়ার ছিল ভারত ও শ্রীলঙ্কা। তারাও এর সুফল পেয়েছে। তাই দেশের পর্যটন ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে কাজ করার কথা বললেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

তিনি বলেন, ইউএনডব্লিউটিও ছাড়াও প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনে (পাটা) বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। ইউনিসেফের ভ্যাকসিন কর্মসূচি কোভ্যাক্স-এ পাটার ভূমিকা আছে। পাটার সঙ্গে ইউনিসেফের সম্পৃক্ততা আছে। পাটার সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউনিসেফের সঙ্গে আমরা মিটিংও করেছি। তাদের অনুরোধ জানিয়েছিলাম, বিশেষ বিবেচনায় কোভ্যাক্সের আওতায় টিকা দেওয়ার জন্য। এর সুফল কিন্তু এখন আমরা পাচ্ছি।