মহেশখালীর শাপলাপুর সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট

মহেশখালীর অপার সম্ভাবনাময় দ্বীপ সোনাদিয়া
tourism-bd.com

মহেশখালী উপজেলার পর্যটন শিল্প বিকাশে সম্ভাবনাময় নতুন দর্শনীয় স্থান ‘ শাপলাপুর মিঠাছড়ি ধুইল্যা ঝিরি পাহাড়ী ঢালা’।
উপজেলার শাপলাপুর-কালারমারছড়া ইউনিয়নের মাঝখানঘেঁষে পর্যটন কেন্দ্রটি। তারই একটি পাহাড়ের নামকরণ করা হয়েছে ‘ধুইল্যা ঝিরি পাহাড়’।
সাদা মাটির আকাশ ছোঁয়া পাহাড়। তার পাশ দিয়ে মধ্যখানে লেকের মতো বয়ে গেছে আঁকাবাঁকা পানির জলরাশি। সব মিলিয়ে এ পাহাড়টি পর্যটকদের কাছেও বেশ পরিচিত হয়ে উঠছে দিন দিন। একদিকে পাহাড়ের নৈগর্সিক সৌন্দর্য অন্যদিকে পাহাড় লাগোয়া বিশাল জলরাশি ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। পাহাড়-লেক এই অপরূপ সান্নিধ্য পেতে এখন শাপলাপুর ছুটে যাচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

অপরদিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সোস্যল মিডিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট মহেশখালীর ধুইল্যা ঝিরি পাহাড় শিরোনামে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি মহেশখালী উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসলে (৩০) আগষ্ট সোমবার বিকাল ৪ টার সময় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে এএসপি সার্কেল জাহেদুল ইসলাম, মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হাই, ওসি তদন্ত আশিক ইকবাল, মহেশখালীতে দায়িত্বরত বনবিভাগের এসিএফ সাদেকুর রহমান, শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী, কালারমারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান তারেক শরীফ, শাপলাপুর বনবিট কর্মকতা রাজিব ইব্রাহিম প্রমূখ।

পর্যটন স্পট বিকাশের অপূর্ব সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ওই সময় ইউএনও মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, দৈনিক পূর্বকোণে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে উক্ত পর্যটন স্পটের সন্ধান মেলে। আর পাহাড়, লেক বেষ্টিত এই পর্যটন স্পটকে ভ্রমণের নিরাপদ ও আকর্ষণীয় হিসেবে গড়ে তোলা হবে যদি বনবিভাগের পক্ষ থেকে জায়গা দেওয়া হয়।

শাপলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী বলেন, ‘সবুজেঘেরা শাপলাপুর পাহাড়বেষ্টিত আকর্ষণীয় এ পর্যটন স্পটটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ অপরদিকে তার নির্বাচনি এলাকায় সংবাদকর্মীদের প্রচেষ্ঠায় এই লেকটির সন্ধান পাওয়ায় তাঁদের ভালবাসা ও ধন্যবাদ জানান।
কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারেক শরীফ বলেন, এদিকে নয়নাবিরাম সবুজেঘেরা পাহাড়ি এলাকাটি পর্যটন স্পট হিসেবে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি ওই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধি লাভ করবে। এছাড়া ও পাহাড়ের উচু নিচু ঢিলে যেন সবুজ গালিচায় ঢেকে দেওয়া হয়েছে। অপূর্ব এই দৃশ্যে যে কারোর চোখ আটকে যাবে। পাহাড় আর সড়কের মিতালী যেন এক রোমাঞ্চকর ভ্রমণের মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে স্থানিয়দের কাছে। তিনি এই পর্যটন স্পটের বাস্তব চিত্র গণমাধ্যমে তুলে পরিচিত লাভ করায় সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।
মহেশখালীতে দায়িত্বর বনবিভাগের এসিএফ বলেন, পাহাড় আর লেক থাকায় জায়গাটি সকলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দিন দিন। সে হিসাবে বনবিভাগের জায়গা যেহেতু উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সম্ভাবনাময় দর্শনীয় পর্যটন জোনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেষ্টা থাকবে।

Chicken Biryani (মুরগি বিরিয়ানি)

chicken biryani recipe | how to make the best chicken biryani recipe

Ingredients Quantity No Of Portion – 12

Tools & Utensils

Chicken 3 kg.
Fine Rice 2 kg.
Yoghurt 1 Cup
Water with Hot Spices 6 L
Onion 6 kg.
Cumin Seeks/ Shahizera 60-40 gm.
Garlic Paste 2 Table Spoon
Ginger Paste 2 Table Spoon
Coriander Paste Butter Oil 1 Table Spoon
Cloves 600 gm.
Cinnamon Cardamon 200 gm.
Bayleaf Whole Pepper 20 gm.
Jeera / Postadana paste 4-10 Nos.
Saffron 1 Table Spoon

প্রস্তুতির পদ্ধতি:

— চাল ধুয়ে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। স্ট্রেন এবং জল নিষ্কাশন। মুরগিকে 8 পিসে কেটে ধুয়ে ফেলুন। গরম মশলায় পানি ফুটিয়ে নিন। একটি কারি পাত্রে মাখনের তেল দিন এবং সঠিকভাবে উত্তপ্ত হতে দিন

— কাটা পেঁয়াজ যোগ করুন এবং বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন

— এতে সব পেস্ট নিক্ষেপ করুন 4/5 বেলিফ। দারুচিনি, এলাচ এবং লবঙ্গ যোগ করুন এবং না হওয়া পর্যন্ত নাড়ুন

— মুরগির পিসি রাখুন এবং দই দিয়ে রান্না করুন, এটির মধ্যে কিছু গরম জল যোগ করুন যা 75%লেপযুক্ত। এটা পাশে রাখুন, তারপর আবার আরেকটি কারি পটে মাখনের তেল দিন, পেঁয়াজ দিন এবং বাদামি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। চাল যোগ করুন এবং সামান্য বাদামী হওয়া পর্যন্ত নাড়ুন। গরম পাকা জল যোগ করুন এবং রান্না করতে দিন। যখন এটি রান্না করা হয় তখন সসের সাথে 75% রান্না করা মাংস যোগ করুন এবং মিশ্রিত করুন এবং কম তাপে রাখুন

— কিছুক্ষণ পর ভাতের উপর তরল করে ছোট থালা বিরিয়ানি রং যোগ করুন। জাফরানও সে সময় ব্যবহার করা হবে

Braised Steak

Braised steak with onions and mushrooms in a brandy beef gravy recipe - All recipes UK

Ingredients Quantity No Of Portion – 10 

Tools & Utensils

Top side or sirloin 2000 gm. Chopping board
Oil 100 gm. Knife
Onions 200 gm. Frying Pan
Carrot 100 gm. Wooden Spoon
Butter 50 gm. Saute Pan
Bouquet garni 1 Skimmer
Brown Stock 1 1/2 Liter Fine Chinois
Tomato Paste 20 gm.
Red or White Wine 2 dl.
Salt To Taste
White Pepper To Taste

প্রস্তুতির পদ্ধতি: 

— চর্বি অপসারণ করে গরুর মাংস প্রস্তুত করুন এবং 180 গ্রাম স্টেকের মধ্যে কেটে নিন

— ফ্রাইং প্যানে তেল দিন খুব গরম হয়ে যায়

—সব দিক দিয়ে গোল্ডেন ব্রাউনো ভাজার জন্য মাংস রাখুন

— সরানো এবং একটি গভীর পুরু তলায় প্যানে রাখুন

— মাখনের মধ্যে কিমা করা পেঁয়াজ এবং গাজর ভাজুন

— এগুলি ভাজা স্টেকগুলিতে যুক্ত করুন

— মাংসের টুকরো coverাকতে ওয়াইন এবং টমেটো পেস্ট, বাদামী স্টক যোগ করুন

— ফোঁড়া আনুন, তোড়া গার্নি লবণ এবং মরিচ যোগ করুন

— একটি lাকনা দিয়ে coverেকে রাখুন এবং একটি মাঝারি চুলায় রান্না করুন যতক্ষণ না কোমল হয়

— সব চর্বি থেকে মাংস এবং চামড়া সরান এবং একটি সূক্ষ্ম chinois মাধ্যমে সস পাস

— সামঞ্জস্য, রঙ এবং মশলা পরীক্ষা করুন

— সসে মাংস যোগ করুন

— মাখন আলু বা মশলা আলু দিয়ে গরম পরিবেশন করুন

Chicken Cocotte (মুরগির কোকোট)

RECIPE - Chicken En Cocotte

Ingredients Quantity No Of Portion – 08

Tools & Utensils

Chicken 2 Pics Chopping board
Carrorts 50 gm. Butcher Knife
Onions 50 gm. Roasting Pan
Celery 50 gm. Kitchen Fork
Leek 50 gm. Ladle
Oil 100 gm. Wooden Spoon
Salt To Taste Fine Chinois
Pepper To Taste Saute Pan
Soya Sauce Quantity Cocotte Dish
Garnish 

Bacon

200 gm.  
Small Onions 300 gm.  
Mushrooms 300 gm.  
Butter 50 gm.  
Parisienne Potatoes 1000 gm.  
Chopped Parsley 30 gm.

প্রস্তুতির পদ্ধতি:

— ভাজা মুরগির মতো গ্রেভির সাথে মুরগি প্রস্তুত এবং রোস্ট করুন

— বেকন কিউব করে কেটে নিন এবং ফুটন্ত পানিতে ব্ল্যাঞ্চ করুন

— সস প্যানে মাখন দিয়ে সোনালি বাদামী রং হওয়া পর্যন্ত ভাজুন

— ছোট পেঁয়াজ, ছোট আস্ত মাশরুম যোগ করুন এবং রোস্ট মুরগির গ্রেভি দিয়ে েকে দিন

— রান্না করতে আস্তে আস্তে সিদ্ধ করুন

— সঠিক মশলা এবং ধারাবাহিকতা

— গার্নিশ এবং গ্রেভি দিয়ে কেটে নিন

— ভুনা আলু উপরে রাখুন

— কাটা পার্সলে দিয়ে ছিটিয়ে দিন

— কোকোটে খুব গরম পরিবেশন করুন

Boti Mussalam (বটি মুসলাম)

May be an image of food

Ingredients Quantity No Of Portion – 10 

Tools & Utensils

Boneless Chicken 2 kg. Chopping board
Yoghurt 100 gm. Oven Tray
Chilly Paste 1 Table Spoon Curry Pot
Ginger Paste 1 Table Spoon Knife
Garlic Paste 1 Table Spoon Wooden Spoon
Turmeric Paste 1/2 Tea Spoon
Mustard Oil 50 gm.
For Sauce

Onion Puree

250 gm.
Ginger Paste 2 Table Spoon
Garlic Paste 1 Table Spoon
Chilly Paste 1/2 Table Spoon
Turmeric Paste 1/2 Table Spoon
Fresh Tomato Puree 200 gm.
Ghee 200 gm.
Salt To Taste

 

প্রস্তুতির পদ্ধতি: 

— একটি বাটিতে চিকেন পাই (১ সেন্টিমিটার টুকরো করে কেটে নিন)। মুরগিতে দই যোগ করুন, ভালভাবে মেশান। একটি ওভেন ট্রে রাখুন, 180 C/ 350 F এ

— আরও 20-25 মিনিট রান্না করুন প্রায়

পর্যটকদের জন্য খুলে যাচ্ছে আমিরাতের বন্ধ দরজা

পর্যটকদের জন্য খুলে যাচ্ছে আমিরাতের বন্ধ দরজা

এ মাসেই বিশ্বের সব দেশের পর্যটকের জন্য খুলে যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দরজা। তবে এক্ষেত্রে শর্ত একটাই। তা হলো, যারা করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন, শুধু তাদেরকে ট্যুরিস্ট ভিসা দেয়া হবে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএম’কে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। এতে বলা হয়, টিকা নেয়া পর্যটকদের ভিসা দেয়া শুরু হবে ৩০শে আগস্ট, সোমবার থেকে। এর ফলে আগে যেসব দেশের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমিরাত, সেসব দেশের মানুষও সেখানে যেতে পারবেন। যাদেরকে ভিসা দেয়া হবে, তারা আমিরাতে পৌঁছার পর করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা করাতে হবে। উপরন্তু পুরো ডোজ টিকা নেয়া পর্যটকরা তাদের টিকার সনদ নিবন্ধিত করতে পারবেন আইসিএ প্লাটফর্মে অথবা আল হোসন অ্যাপের (AL Hosn App) মাধ্যমে।

এর ফলে টিকা নেয়া ব্যক্তিরা একটু বেশিই সুবিধা পাবেন। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেক্টর এবং জনস্বাস্থ্যের মধ্যে একটি ভারসাম্য সৃষ্টির জন্য এমন কৌশল নিয়েছে আমিরাত। এ ছাড়া অর্থনীতিতে যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণের জন্য এবং অর্থনৈতিক খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এ উদ্যোগ সহায়ক হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত সাধারণত ৩০ দিন বা ৯০ দিনের জন্য পর্যটক ভিসা দিয়ে থাকে। এ ছাড়া যেসব মানুষ আমিরাতে পৌঁছামাত্র ভিসা পাওয়ার যোগ্য নন, তাদের ক্ষেত্রে এই ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। এ ছাড়া ২১ শে মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাত সব দেশের নাগরিকদের জন্য ৫ বছরের জন্য মাল্টিপল পর্যটক ভিসা অনুমোদন করেছে। এ মাসের শুরুতে ভারত, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া ও অন্য কিছু দেশ থেকে ট্রানজিট যাত্রীদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তারা। আন্তর্জাতিক ভ্রমণের এক প্রাণকেন্দ্র হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। তারা দক্ষিণ এশিয়া এবং আফ্রিকার অনেক দেশের বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছিল।

মঙ্গলবার থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সুন্দরবন

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিলো সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ। করমজলসহ সুন্দরবনের সব স্পটেই যেতে পারবেন পর্যটকরা। একইসঙ্গে দেয়া হবে সুন্দরবনের বনজ সম্পদ আহরণের জন্য পাস পারমিটও।

বন বিভাগের এক সভায় রোববার (২৯ আগস্ট) বিকেলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মো. মহসিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এই বন কর্মকর্তা বলেন, ১৯ আগস্ট থেকে দেশের সব পর্যটন স্পট খুলে দেওয়া হলেও সুন্দরবনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবন খুলে দেয়া হবে কিনা, এ বিষয়ে জানতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশক্রমে আজ স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করা হয়।

সভায় আগামী ১ তারিখ থেকে সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়। তবে একটি লঞ্চে ৭৫ জনের বেশি যাতায়াত করতে পারবেন না বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মো. মহসিন।

বন বিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় সুন্দরবনের করমজল, কটকা, কচিখালী, হরবাড়িয়া, হিরণ পয়েন্ট, দুবলা ও নীলকমলসহ সমুদ্র তীরবর্তী এবং বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে লঞ্চ, ট্যুরবোট, ট্রলার ও বিভিন্ন নৌযানে চড়ে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন খুলনার সভাপতি এম নাজমুল আযম ডেভিড জানান, খুলনায় প্রায় শতাধিক ট্যুর অপারেটর রয়েছে। এরমধ্যে ৬৩টি রয়েছে রেজিস্ট্রিকৃত। পর্যটনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন প্রায় ১৫০০ কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ট্যুর অপারেটরদের বিশাল ক্ষতি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে সুন্দরবনে পর্যটকদের যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বন বিভাগ। প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পর আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সুন্দরবন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

পদ্মায় ধরা পড়লো শাপলা পাতা মাছ, ৮০ হাজারে বিক্রি

tourism-bd.com

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ১০ মণ ওজনের একটি ‘শাপলা পাতা’ মাছ ধরা পড়েছে। রবিবার (২৯ আগস্ট) ভোররাতে ৭ নং ফেরিঘাটের অদূরে মাছটি ধরা পড়ে।

স্থানীয় জেলে বাবু হলদারের জালে ধরা পড়া মাছটি বিক্রির জন্য এদিন সকালে দৌলতদিয়া ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন মাছের আড়তদার রেজাউল (একতা মৎস্য আড়তে) নিয়ে আসেন। বিশালকৃতির এই মাছটি দেখার জন্য টার্মিনালে মাছের আড়তের সামনে ভিড় জমান উৎসুক জনতা।

এসময় আড়তদার রেজাউল মাছটি বিক্রির জন্য ডাকে তুললে রাজবাড়ীর কুটি মন্ডল নামের এক মাছ ব্যবসায়ী ৮ হাজার টাকা মণ দরে মাছটি ৮০ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন।

জানা যায়, দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার জেলে বাবু হলদার নিয়মিত পদ্মায় ট্রলারে বড় মাছ শিকার করতে যায়। প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার রাতেও তারা মাছ শিকারের জন্য পদ্মার বুকে জাল ফেলেছিলেন। রবিবার ভোর রাতের দিকে দৌলতদিয়া ৭ নং ফেরিঘাটে অদূরে আসলে হঠাৎ জালে ঝটকা টান পড়লে তারা বুঝতে পারেন জালে বড় ধরনের কোন মাছ আটকিয়েছে। তখন তারা দ্রুত জাল টেনে ডাঙ্গায় উঠালে এই বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে পায়। পরে বিক্রির জন্য সকালে ভ্যানে করে মাছটি দৌলতদিয়া টার্মিনালে রেজাউলের মাছের আড়তে নিয়ে আসেন। নিলামের মাধ্যমে রাজবাড়ীর মাছ ব্যবসায়ী কুটি মন্ডল ১০ মণ ওজনের মাছটি ৮ হাজার টাকা মণ দরে ৮০ হাজার টাকায় কিনে নেয়।

বাবু হলদার বলেন, ‘বহুদিন পরে হলেও আমাদের জালে এত বড় একটা মাছ ধরা পড়াতে আমরা ট্রলারের সবাই খুবই খুশি। আমরা সাধারণত নিয়মিত ট্রলারে কটসুতার জাল নিয়ে পদ্মায় বড় মাছ শিকারে যাই।এত বড় মাছ আমার জালে এই প্রথম ধরা পড়লো। তবে জালে আটকানোর পড়ে মাছটি বেশি লাফালাফি করেনি। যে কারণে দ্রুত সময়ের মধ্যে মাছটি ডাঙ্গায় তুলতে সক্ষম হই।’

দৌলতদিয়া ঘাট এলাকার অনেকেই বলেন, ‘পদ্মায় নদীতে ১৫-১৬ বছর আগে একবার শাপলা পাতা মাছ পাওয়া গিয়েছিলো। এ মাছটি সাধারণত নদীর তলায় মাটির স্পর্শ করে পথ চলে। যে কারণে সহজে জালে ধরা পড়ে না। হয়তো পদ্মার তীব্র স্রোতের কারণে মাটি থেকে ওপরের দিকে এসেছে যে কারণে জেলের জালে ধরা পড়েছে।’

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘এটি শাপলা পাতা মাছ নামেই পরিচিত। সাধারণত কক্সবাজার এলাকায় পাওয়া যায়। তবে মাছগুলো কম পাওয়া যায়। মাছগুলো খেতে খুব সুস্বাদু।’

কক্সবাজারে বিদেশি পর্যটকদের জন্য হচ্ছে ‘স্পেশাল জোন’ : প্রধানমন্ত্রী

image

কক্সবাজার হবে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সৈকত (সি-বিচ), পর্যটনকেন্দ্র ও অত্যন্ত আধুনিক শহর। সেভাবে পুরো কক্সবাজারকে উন্নত সমৃদ্ধ করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বালুকাময় সমুদ্রসৈকতে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ‘স্পেশাল জোন’ করা হবে। যেখানে শুধু বিদেশিরা আসতে ও যেতে পারবেন। তারা যেন তাদের মতো করে সবকিছু উপভোগ করতে পারেন সে ব্যবস্থা করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ রোববার (২৯ আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এটি হবে দেশের বিমানবন্দরগুলোর সবচেয়ে বড় রানওয়ে। রানওয়ের ৭০০ ফুট থাকবে সমুদ্রের মধ্যে। প্রায় ১৭০০ ফুট সমুদ্রপৃষ্ঠ ভরাট করে কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়েকে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

দেশে প্রথমবারের মত সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপর নির্মিতব্য এ রানওয়ের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। যার পুরোটাই অর্থায়ন করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এটিই হবে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে। বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে কক্সবাজারের পর্যটন ও অর্থনৈতিক বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

চীনের দু’টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চাংজিয়াং ইচাং ওয়াটার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো (সিওয়াইডব্লিউসিবি) ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন-জেভি যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

শনিবার সকালে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মফিদুর রহমান সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উন্নীত করতে বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ট ভরাট করে এ কাজটি করা হচ্ছে। এ বিমানবন্দরকে ঘিরে তৈরি হবে এভিয়েশন হাব। বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে যেন এখানে বিমান নামতে পারে, সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ বিমানবন্দরের আগের রানওয়ে ছিল ৬ হাজার ৭৭৫ ফুট, সেখান থেকে ৯ হাজার ফুটে উন্নীত করা হয়। এ কাজ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে এ বিমানবন্দরের রানওয়ে ১২ হাজার ফুটে উন্নীত করা হবে

পৃথিবীর সর্ব উত্তরের ভূ-খণ্ড খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

গ্রিনল্যান্ডে পৃথিবীর সর্ব উত্তরের একটি ভূ-খণ্ড আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এক দল বিজ্ঞানীর দাবি, তারা দুর্ঘটনাবশত একটি দ্বীপ আবিষ্কার করেছেন এবং তারা এটাও বিশ্বাস করেন যে এটিই হলো পৃথিবীর সর্ব উত্তরের ভূ-খণ্ড যা গ্রিনল্যান্ডের উপকূলে অবস্থিত। খবর বিবিসির।

গ্রিনল্যান্ড আর্কটিক অঞ্চলের এক স্বায়ত্তশাসিত এলাকা। ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এ এলাকায় রয়েছে অনেকগুলো ছোট ছোট দ্বীপ। চলতি বছর জুলাই মাসে বিজ্ঞানীরা ১৯৭৮ সালে আবিষ্কৃত গ্রিনল্যান্ডের ওদাক দ্বীপে নমুনা সংগ্রহ করতে যান। এতো দিন ধরে এটিকেই সর্ব উত্তরের দ্বীপ বলে ধরা হতো।

বিজ্ঞানীদের দলটি ওদাক ছাড়িয়ে আরও উত্তরে চলে যান। কিন্তু তারা বুঝতে পারছিলেন না তারা কোথায় আছেন। পরে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার অবস্থান চিহ্নিতকরণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় তারা জানতে পারেন, ওদাক দ্বীপ থেকে তারা আরও ৮০০ মিটার (২,৬২৫ফুট) উত্তরে চলে গেছেন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, দ্বীপটি উত্তর মেরুর সবচেয়ে নিকটবর্তী ভূ-খণ্ড। এটির দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার ও প্রস্থ ৩০ মিটার।

ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত আর্কটিক স্টেশনের প্রধান গবেষক মর্টেন রাশখ বলেছেন, ওদাক দ্বীপটি পৃথিবীর সর্ব উত্তরের দ্বীপ হিসেবে পরিচিত ছিল। আমরা ৬ জন মিলে একটি হেলিকপ্টারে চড়ে রওনা হয়েছিলাম। কিন্তু মানচিত্র অনুযায়ী ওদাক দ্বীপের অবস্থানে পৌঁছানোর পরও দ্বীপটি খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

তিনি বলেন, আমরা সেখানে নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়েছিলাম বৈরি পরিবেশে কিভাবে জীববৈচিত্র্য খাপ খাইয়ে নিচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য। আমরা লক্ষ্য করছিলাম যে জায়গাটিতে আমরা পৌঁছেছি সেটি কর্দমাক্ত। এটি খুব একটা সহজাত এলাকা নয়। ফলে ওদাক দ্বীপের সঙ্গে সাদৃশ্য খুঁজে পাচ্ছিলন না ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের এ দলটি।

প্রধান গবেষক মর্টেন রাশখ আরও বলেন, পরে আমরা বুঝতে পারি আমরা একটি নতুন দ্বীপ আবিষ্কার করতে পেরেছি। তিনি বলেন, যদিও এটা বড় কিছু নয়, তবে এর বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগবে। নতুন এ দ্বীপটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কিউকারটেক আভানারলেক’ যার অর্থ হচ্ছে সর্ব উত্তরের দ্বীপ।