বাংলাদেশ থেকে দুবাইগামী যাত্রীবাহী বিমানে নিষেধাজ্ঞা থাকছে ২১ জুলাই পর্যন্ত

Step Feed

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা থেকে দুবাইগামী যাত্রীবাহী বিমানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। দুবাই ভিত্তিক বিমান সংস্থা এমিরেটস তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর খালিজ টাইমস।

এমিরেটস ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলংকা হতে দুবাইগামী সব যাত্রীবাহী বিমানের ফ্লাইট নিষিদ্ধ থাকবে। এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত। সেইসঙ্গে, যেসব যাত্রী এসব দেশে গত ১৪ দিনের মধ্যে অবস্থান করেছেন তারা আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

তবে, যারা আমিরাতের গোল্ডেন ভিসাধারী তারা শর্তস্বাপেক্ষে আমিরাতে প্রবেশ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে এমিরেটসের ওয়েবসাইটে।

গত ২৪ এপ্রিল থেকে ভারত থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইট নিষিদ্ধ রেখেছে আমিরাত। এরপর ১৩ মে সে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকার ওপর।

‘টিকার মিশ্র ডোজ নেওয়া বিপজ্জনক’, জানাল হু

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ভ্যাকসিনের অদলবদল শুরু হয়েছে। প্রথম ডোজে একরকম ভ্যাকসিন নেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজটি নেওয়া হচ্ছে অন্য ভ্যাকসিনের। কোনও কোনও ক্ষেত্রে প্রথম ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা এর কারণ হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ইচ্ছে করেই ভ্যাকসিন নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চলছে। দুটি আলাদা আলাদা ভ্যাকসিনের ডোজ নিলে তা আরও বেশি সুরক্ষা দেবে বলে ধারণা।

এই ভাবনা চিন্তাকেই এবার সতর্ক করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। একাধিক সংস্থার তৈরি ভ্যাকসিনের অদলবদল করে পাঁচমিশালি ভ্যাকসিন নিলে তা আদতে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, জানিয়েছেন হু-এর প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন। তিনি বলেছেন, ‘এই নতুন ট্রেন্ড বিপজ্জনক। কারণ পাঁচমিশালি ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে আমাদের অভিজ্ঞতা নেই, পর্যাপ্ত তথ্যও নেই।’ অতিমহামারী মোকাবিলায় একে একে অনেক ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে।

বাজারে এসেছে নতুন নতুন নাম। কিন্তু কোন ভ্যাকসিন সবচেয়ে কার্যকর, কোন ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম হবে, এসব প্রশ্নকে ছাপিয়ে গেছে পাঁচমিশালি ভ্যাকসিনের ধারণা। অনেক দেশেই দেখা যাচ্ছে, কোভিড থেকে বাড়তি সতর্কতার জন্য ভ্যাকসিনের দুটো ডোজের পরেও আবার নেওয়া হচ্ছে বুস্টার ডোজ। ধারণা, তাতে ভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও খানিক বাড়বে। কিন্তু সবটাই ধারণার পর্যায়ে। তথ্য প্রমাণসহ কিছু এখনও আমাদের সামনে আসেনি। তাই বিপদ হয়ে যেতেই পারে যে কোনও সময়। অথবা অজানা বিপদ বাসা বাঁধতে পারে ভবিষ্যতের জন্যেও।

এদিন সৌম্যা স্বামীনাথন বলেছেন, মানুষ যদি আগামী দিনে নিজে নিজেই ঠিক করে নেয় কে কখন কোন ভ্যাকসিন নেবেন, কটি বুস্টার ডোজ নেবেন, তবে দেশে দেশে সাংঘাতিক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এটা একেবারেই কাম্য নয়। বিদেশেই বহু ক্ষেত্রেই সরকারের তরফে পাঁচমিশালি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ভারতে একাধিক বার শোনা গেছে কোভিশিল্ড আর কোভ্যাকসিনের অদলবদল। কোথাও কর্তৃপক্ষের ভুলে এক ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে অন্য ভ্যাকসিন নিয়ে ফেলেছেন মানুষ। কোথাও আবার স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই এমনটা করার ইচ্ছা প্রকাশ হচ্ছে। চিনের সিনোভ্যাকের পূর্ণ ডোজ টিকা নেওয়ার পরেও কয়েকশ’ স্বাস্থ্যকর্মী করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর টিকা নীতিতে পরিবর্তন এনে মিশ্র ডোজ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে থাইল্যান্ড।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি জানিয়েছে, কেউ প্রথম ডোজ হিসেবে সিনোভ্যাকের টিকা নিয়ে থাকলে, তাদের দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়া হবে। আর সিনোভ্যাকের দুই ডোজ টিকা নেওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের বুস্টার ডোজ হিসেবে অ্যাস্ট্রাজেনেকা বা ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে থাই সরকার। তবে মিশ্র ডোজ নিয়ে সতর্ক করে সৌম্য স্বামীনাথন বলেন, নাগরিকেরা যদি টিকার দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ডোজ হিসেবে কোন টিকা কখন নেবেন সেই সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে দেশে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।

মহামারিতে পরিবেশবান্ধব উৎসব পেলো কান

মহামারিতে পরিবেশবান্ধব উৎসব পেলো কান

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের মে মাসে কান চলচ্চিত্র উৎসব বাতিল করা হয়। ৫২ বছরে পর এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখেছে দক্ষিণ ফরাসি উপকূলীয় শহরটি। উৎসবের প্রত্যাবর্তনে তাই পরিবেশবান্ধব নানান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এজন্য পরামর্শক সংস্থা গ্রিন এভেনম্যঁ’র সঙ্গে বেশ কয়েক মাসের প্রস্তুতি নিয়েছে কান কর্তৃপক্ষ।

প্রতিদিন বিভিন্ন হোটেল থেকে তারকাদের ঝা-চকচকে গাড়িতে করে লালগালিচা পর্যন্ত আনা-নেওয়া করা হয়। এসব অফিসিয়াল গাড়ির ৬০ শতাংশ বহর এবার বিদ্যুৎচালিত।

বৃক্ষনিধন হ্রাসে ছাপা কাগজের ব্যবহার কমিয়ে আনা হয়েছে ৫০ শতাংশে। সাংবাদিকসহ ব্যাজধারীদের জন্য পুরো উৎসবের সময়সূচি রয়েছে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে। অফিসিয়াল সিলেকশনে স্থান পাওয়া ছবিগুলোর বিবরণ অন্যান্যবার বিনামূল্যে দেওয়া হলেও এবার অপচয় কমাতে নির্দিষ্ট দামে বিক্রি হচ্ছে।

২০১৯ সালে ২২ হাজারের বেশি প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার হয়েছিলো কান উৎসবে। কিন্তু এবার কোনো প্লাস্টিকের ব্যবহার নেই। এমনকি সাংবাদিকদের জন্য বরাদ্দ দোতলার প্রেস রুম ও চারতলায় ছাদবারান্দায়ও খুঁজে পাওয়া যায় না প্লাস্টিক। এখানকার খাবার পানির পাত্র এবং জুস পানের স্ট্র তৈরি হয়েছে কাগজ দিয়ে। উৎসবের রোমাঞ্চ জাগানিয়া স্থান পালে দে ফেস্টিভালে লালগালিচার দৈর্ঘ্য নামিয়ে আনা হয়েছে অর্ধেকে। সেগুলোও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বস্তু দিয়ে বানানো। এছাড়া ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল প্রান্তে কার্পেট ব্যবহার কমানো হয়েছে ২৪ শতাংশ।

কান শহরে খাবার পরিবেশনায় রেস্তোরাঁ ও ক্যাফেতে মৌসুমি পণ্য ও নিরামিষভোজে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ২০১৯ সালে উৎসব চলাকালে ২৫০ টন বর্জ্য পাওয়া গেছে। এবার ৯৫ শতাংশ বর্জ্য কমানোর ব্যাপারে আয়োজকরা আশাবাদী।

পরিবেশ বিষয়ক নতুন ছবিটি হলো লুই গ্যারেল পরিচালিত ও অভিনীত ‘দ্য ক্রুসেড। আর জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিগ্রস্ত চিত্র নিয়ে সাজানো প্রামাণ্যচিত্রগুলো হলো— ফ্রান্সের আইসা মাইগা পরিচালিত ‘অ্যাভাব ওয়াটার, ভারতের নয়াদিল্লির বায়ুদূষণ নিয়ে রাহুল জৈনের ‘ইনভিজিবল ডেমনস’, ফ্রান্সের সিরিল দিওন ও মেলানি ল্যঁহোর ‘অ্যানিমেল, চীনের জাও লিয়াঙের আই অ্যাম সো সরি, ইন্দোনেশিয়ার প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে ফ্রান্সের ফ্লো ভাসা পরিচালিত ‘বিগার দ্যান আস এবং ফরাসি নারী নির্মাতা মারি অ্যামিগেটের ‘দ্য স্নো লিওপার্ড’।

কানের ছবিবাজার মার্শে দ্যু ফিল্মসহ ব্যাজধারীসহ সবার মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে আয়োজকরা। উৎসব শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী সবার কাছ থেকে পরিবেশের কল্যাণে ব্যয়ের জন্য ২০ ইউরো করে নেওয়া হয়েছে। সাগরপাড়ের পরিবেশের যেন ক্ষতিসাধন না হয় সেদিকে সতর্ক সংশ্লিষ্টরা।

করোনা মহামারির প্রতিকূলতা কাটিয়ে কান উৎসব ফিরিয়ে আনা ছিলো আয়োজকদের জন্য ছিলো বড় চ্যালেঞ্জ। তবে গত ৬ জুলাই শুরু হওয়া উৎসবের ৭৪তম আসরের ছয় দিন পেরিয়ে মনে হচ্ছে কান কর্তৃপক্ষ সফল।

পরিবেশের সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কান উৎসব কর্তৃপক্ষ এবারের আসরে যুক্ত করেছে ‘সিনেমা ফর দ্য ক্লাইমেট’ শীর্ষক একটি বিভাগ। এতে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও ছয়টি প্রামাণ্যচিত্র রয়েছে। গতকাল উৎসবের ষষ্ঠ দিনে বিকেল ৩টায় এগুলোর নির্মাতা ও কলাকুশলীরা সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন।

 

রোদ না ঢুকলেও বারান্দায় বাগান করার উপায়

বারান্দায় বাগান করতে চান? অথচ রোদ পড়ে না, জেনে নিন কোন কোন গাছ দিয়ে আপনার ভালোবাসার বারান্দা সাজিয়ে তুলতে পারবেন।

কংক্রিটের শহরে সবুজ প্রকৃতি যেন অধরা। তাই কিছু মানুষ নিজের এক টুকরো সাধের বারান্দাকে রঙিন টব এবং তাতে গাছ লাগিয়ে সবুজ রঙের ছোঁয়া পেতে চান তাঁরা। আপনিও যদি সেই দলের হয়ে থাকেন তাহলে নিজের ফ্ল্যাট বাড়ির বারান্দায় গড়ে তুলুন এক টুকরো সবুজ বাগান।

কিন্তু গাছের পরিচর্যার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেবেন। মূলত আপনার পছন্দ গাছ নার্সারি থেকে কিনে এনে বারান্দায় রাখলেই যে তা জলজ্যান্ত থাকবে এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। তাই গাছ লাগানোর আগেই জেনে নিন কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয়।

প্রথমে আগে দেখে নিন আপনার বারান্দায় ঠিক কোন সময় কতক্ষণ রোদে ঢোকে। যদি দিনের শুরুতে পূর্বের রোদ আপনার বারান্দায় পড়ে, তাহলে নিশ্চিন্তভাবে ফুল গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন আপনি। এমনকি যদি পশ্চিমের রোদ ঢোকে সেক্ষেত্রেও ফুল গাছ লাগানোর ভাবনাচিন্তা করতে পারেন।

বারান্দায় লাল নীল হলুদ সবুজ ফুল ভরে থাকলে তা খুবই সুন্দর ও মনোরম শোভা দেয়। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন ধৈর্য-রোদ-ছায়া-জল ও নানা রকমের যত্ন-আত্তি। আর তা না হলে সাধের বারান্দা কিন্তু মরা কাঠ হয়ে থাকবে। রাস্তার ধারে ফ্লাট বা বাড়ি হলে কিংবার বাড়ির পাশে নির্মাণের কাজ হলে, প্রথমে আগলে রাখুন নিজের বারান্দাকে। কারণ বাগানের জন্য সবচেয়ে বড় শত্রু এই ধুলোবালি।

আপনার বারান্দায় রোদ প্রবেশ করলে, টগর গোলাপ অপরাজিতা জুই দোলনচাঁপা অর্কিড বেলি হাসনাহেনা ফুলের গাছ লাগাতে পারেন। আর যদি রোদ না ঢোকে তাহলে নানা ধরনের পাতাবাহার গাছ দিয়ে সাজিয়ে তুলতে পারেন আপনার ছোট্ট বারান্দা। এক্ষেত্রে এরিকা পাম, মানিপ্লান্ট গাছ লাগাতে পারেন।

বাতাসের দূষণ খেয়ে ফেলবে গাড়ি

বাতাসের দূষণ খেয়ে ফেলবে গাড়ি

বায়ুদূষণ প্রতিরোধে সক্ষম একটি গাড়ি চীনের গুডউড ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়েছে। গাড়িটি বাতাসের দূষণ ‘খেয়ে ফেলতে পারে’! বলে জানানো হয়। গাড়িটির নকশা করেছেন ব্রিটিশ ডিজাইনার থমাস হিদারউইক। ২০২৩ সালের মধ্যেই গাড়িটি বাজারে আনা হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। তবে গাড়িটির ব্যাপারে সমালোচনা করতে ছাড়েননি সমালোচকরা। গাড়িটি বায়ুদূষণ রোধে সক্ষম এ কথা তারা কোনোভাবেই মানতে চাচ্ছেন না। থমাস হিদারউইক আরও কয়েকটি স্থাপত্য প্রকল্পে কাজ করেছেন। বিশেষ করে লন্ডনের নতুন ভার্সনের বাসের ডিজাইন তারই করা। তবে তিনি এ প্রথম গাড়ির ডিজাইন করেছেন বলে জানান।

বায়ুদূষণ রোধে সক্ষম গাড়িটির ডিজাইনার থমাস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যখন আমি ডিজাইনার হিসাবে তৈরি হচ্ছি, তখন গাড়ির ব্যাপারে মানুষের চিন্তাভাবনা তেমন ছিল না। তখন মানুষ ফোর্ড সিয়েরা কিংবা ফিয়াট পান্ডা গাড়ি ব্যবহার করতেন।’

থমাস আরও বলেন, ‘আমরা যখন চীনে প্রথমবারের মতো আইএম মোটরসের প্রস্তাব দিয়েছি, তখন তারা আমাদের বায়ুদূষণ রোধে সক্ষম একটি গাড়ি নির্মাণ করতে বলেছিল। কিন্তু তখন আমি বলেছিলাম, আমি তো এ ব্যাপারে অদক্ষ। তারা বলেছিল, সেই কারণে তুমি এমন গাড়ি তৈরি করবে।’ গাড়ির ক্রেতাকে বেশি খরচ করতে হবে না। এর দাম ৪০ হাজার পাউন্ড।

চলতি বছরের এপ্রিলে সাংহাই কার শোতে প্রথম দেখানো এ গাড়িটির একটি বড় কাচের ছাদ রয়েছে। এর ভেতরটা একটি ঘরের মতো করে নকশা করা হয়েছে। ‘অ্যাডজাস্টেবল’ সিটগুলো বিছানায় রূপান্তর করা যায়। আবার মিটিং বা খাবারের জন্য একটা টেবিলও বানিয়ে ফেলা যায়।

 

বিশ্বমিডিয়ায় বাংলাদেশের ‘রানি’

বাংলাদেশের ‘রানি’ এখন বিশ্বমিডিয়ায়। তাকে নিয়ে শুধু বাংলাদেশেই নয়, সীমানা পেরিয়ে দূরদেশেও মাতামাতি হচ্ছে। তাই বাংলাদেশের ছোট্ট গরু রানি’কে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক পোস্ট। মনে করা হচ্ছে, রানিই হতে যাচ্ছে বিশ্বে এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে ছোট্ট বা ক্ষুদ্রাকার গরু। তাকে দেখতে জাতীয় লকডাউন ভেঙে দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হচ্ছেন।

রানির বয়স ২৩ মাস। আর একমাস হলেই তার বয়স দু’বছর হয়। কিন্তু গায়েগতরে বাড়েনি সে।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি, ভিডিও প্রকাশ হওয়ার পর ভাইরাল হয়ে গেছে রানি। তার অনেক ভক্ত দেখতে যাচ্ছে। সাংবাদিকরা ছুটে যাচ্ছেন রিপোর্ট করতে। তাকে দেখতে পাশের গ্রাম থেকে এসেছিলেন রিনা বেগম (৩০)। তিনি বলেছেন, আমার জীবনে কখনো এত্ত ছোট গরু দেখিনি।

নির্বোধ এই প্রাণিটি এরই মধ্যে তারকা খ্যাতি পেয়েছে। তার উচ্চতা মাত্র ২০ ইঞ্চি। আর লম্বা ২৫ ইঞ্চি। কৃষকরা বলছেন, সে-ই বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু। সাভারের চারিগ্রামের শিকড় এগ্রোর ম্যানেজার এমএ হাসান হাওলাদার বলেছেন, রানির ওজন মাত্র ৫৭ পাউন্ড। তিন মাসের মধ্যে তাকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। তিন দিনে কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ রানিকে দেখতে গিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাসের লকডাউন ভঙ্গ করেও দূর থেকে মানুষ ছুটে আসছে।

তাদের বেশির ভাগই এই রানির সঙ্গে সেলফি তুলতে চান। স্থানীয় সরকারের একজন কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, ওই ফার্মে এত মানুষকে উপস্থিত হতে না দেয়ার জন্য মালিকপক্ষকে বলেছি। কারণ, তারা রোগ নিয়ে আসতে পারেন। এতে রানির স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি আরো বলেন, রানির এই গঠনের জন্য জেনেটিক প্রজনন দায়ী থাকতে পারে। এর ফলে সে আর বড় হবে না।

রেকর্ড দামে বিক্রি হলো সুপার মারিও ৬৪ ভিডিও গেম

রেকর্ড ভঙ্গ করে ১৫ লাখ ডলারে নিলামে বিক্রি হলো সুপার মারিও ৬৪ গেম। একেবারে সিল করা ভিডিও গেমের একটি কপি এই দামে বিক্রি হয়েছে নিলামে। এর মধ্য দিয়ে ভিডিও গেমের সর্বোচ্চ দামে বিক্রির রেকর্ড গড়লো সুপারি মারিও ৬৪। ১৯৯৬ সালে ‘নাইনটেন্ডো ৬৪’ নামে এই গেম চালু করা হলে প্রথমদিকে ৩ডি প্লাটফর্মে যেসব প্রভাবশালী গেমস ছিল, তার মধ্যে এটি অন্যতম হয়ে ওঠে। নিলামকারী হেরিটেজ অকশন বলেছে, তাদের কাছে এই গেমসের ৫টি কপি আছে সুরক্ষিত অবস্থায়। এর দুদিন আগে আরেকটি গেম ‘লিজেন্ড অব জেলডা’ বিক্রি হয় রেকর্ড দামে। নাইনটেন্ডো এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমের (এনইএস) এই গেমটি শুক্রবার বিক্রি হয় ৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারে। তখন এটাই ছিল সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া কোন গেমস।

কিন্তু তার রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে সুপার মারিও ৬৪। ভিডিও সংগ্রহকারক প্রতিষ্ঠান ওয়াটা একে ৯.৮এ প্লাস প্লাস হিসেবে রেটিং করেছে। এর অর্থ হলো, এটি একেবারে পারফেক্ট অবস্থায় আছে, একদম সিল করা অবস্থায় আছে এবং একদম নতুন আছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

তবে নিলামে উঁচু দামে বিক্রির জন্য উচ্চ মাত্রায় রেটিং কোনো গ্যারান্টি নয়। বিক্রিতে তা সহায়তা করে। একই নিলামে সুপার মারিও ৬৪-এর আরেকটি কপি বিক্রি হয়েছে মাত্র ১৩ হাজার ২০০ ডলারে। এটির রেটিং ছিল ৯.৬ এ প্লাস প্লাস। নাইনটেন্ডো ৬৪ সিস্টেমের সবচেয়ে বেশি বিক্রির গেমস ছিল সুপার মারিও ৬৪। ভিডিও গেমসের ইতিহাসে একে দেখা হয়, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গেমস হিসেবে। কারণ, এতেই প্রথম মারিওকে ত্রিমাত্রিক ডাইমেনশনে চলাফেরা করতে দেখা যায়।