কোলেস্টেরল কমায় ছাতুর শরবত

কোলেস্টেরল কমায় ছাতুর শরবত

ছাতু আমাদের খাদ্য তালিকায় খুব পরিচিত না হলেও গবেষণায় দেখা গেছে ছাতু কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের সকল সমস্যার সমাধান করে। ছাতুতে থাকা প্রচুর ফাইবার বিপাক ক্রিয়া সহজ করে দিয়ে কোলন ক্যান্সার রোধ করে।

ছাতুর ফাইবার হার্টের কোলেস্টেরল কমায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই চিকিৎসকরা অবস্থা বুঝে অনেককেই নিয়মিত ছাতুর শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

ছাতুতে প্রচুর উদ্ভিজ্জ প্রোটিন থাকায় রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। একই সঙ্গে এটি গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে বেশ তলার দিকে। ফলে এটি রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়। চিকিৎসকরা তাই ডায়াবিটিসের রোগীদের এই শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন।

চুল ভাল রাখতে ছাতু ভীষণ উপকারী। এতে থাকা নানা ভিটামিন ও খনিজের কারণে এটি ত্বক উজ্জ্বল করে। নিয়মিত ছাতুর শরবত ত্বক ও চুলের পুষ্টি যোগায়।

করোনা প্রতিরোধ করতে পারে যেসব ফল

করোনা প্রতিরোধ করতে পারে যেসব ফল

করোনাভাইরাস নিরাময়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি করোনা প্রতিরোধের প্রথম ধাপ হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। যার ফলে শ্বাসযন্ত্র এবং ফুসফুসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করোনাকালে সবচেয়ে কার্যকারি ভিটামিন-সি যুক্ত খাদ্য গ্রহণ। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারার চেয়েও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে। কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ভিটামিন সি থাকে।

এছাড়াও আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে। একজন প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি দরকার। এ পরিমাণ ভিটামিন সি দিনে মাত্র ২টি আমলকি খেলেই পূরণ করা সম্ভব।

করোনা থেকে বাঁচতে লেবু ও গরম পানি পানের বিকল্প নেই। ভিটামিন সি এর অভাব পূরণে লেবু হলো প্রথম ও প্রধান উৎস। এটি বাজারে সহজলভ্য। করোনায় আক্রান্ত হলে এমনকি সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এসময় লেবু খাওয়ার বিকল্প নেই। সকালে খালি পেটে লেবু রস ও হালকা গরম পানি পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

ভিটামিন সি’ জাতীয় অন্যান্য ফল যেমন- আঙুর, পেয়ারা, আপেল, পেঁপে, শসা, কলা, তরমুজ এসবও নিয়ম করে খেতে হবে। সকালের নাস্তায় একটি কলা ও আপেল বা পেয়ারা খাওয়া যেতে পারে।

দুপুরে ভাত খাওয়ার আগে কয়েক টুকরো পেঁপে বা তরমুজ খেতে পারেন। আঙুর, পেঁপে, তরমুজ, কলা টুকরো করে সামান্য মধু মিশিয়ে ফ্রুট সালাদ করে খেলে শরীর অনেক পুষ্টি পাবে একসঙ্গে। সকাল বা বিকেলের নাস্তার সময় ফ্রুট সালাদ খেতে পারেন।

প্রতিদিন যদি ফল খেতে ভালো না লাগে; তাহলে টক দই মিশিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেলে ভালো লাগবে। সব ধরনের ফলেই পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি, ফোলেট, ডায়েটারি ফাইবার, খনিজ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এসব পুষ্টি উপাদানসমূহে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার সক্ষমতা আছে।

মোবাইল চার্জে থাকলে যেসব সাবধনতা জরুরি

প্রযুক্তির এই যুগে আমাদের জীবনে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে স্মার্টফোন। মুহূর্তেই আমরা কেবল হাতের মুঠোয় পেতে পারি নানা তথ্য। অন্যদিকে যেকোন উৎসবে ছবি তোলার পাশাপাশি তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে জানতে পারি নানা ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া। তবে স্মার্টফোনের ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক অবলম্বনও আবশ্যক। অনেক সময় ফোনটি চার্জে দেওয়ার সময় ব্যাটারি থেকে হতে পারে বিস্ফোরণ।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি বিস্ফোরণ কোন নতুন ঘটনা নয়। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যায় চার্জ দেওয়া অবস্থায় বিস্ফোরণ হয় ব্যাটারির। আহত হন অনেকেই। কিছু ক্ষেত্রে পরিণতি হয় মর্মান্তিক। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক্ষেত্রে কিছু বিষয় নজর রাখা প্রয়োজন। প্রয়োজন সাবধানতার।

১. স্মার্টফোনের সঙ্গে দেওয়া চার্জার দিয়েই চার্জ দিন। অন্য কোন চার্জার দিয়ে চার্জ দেবেন না। চার্জার খারাপ হলে বা হারিয়ে গেলে সেই ব্র্যান্ডের চার্জার কেনার চেষ্টা করুন।

২. স্মার্টফোন চার্জে বসিয়ে কখন ব্যবহার করবেন না। ফোন কল তো নয়ই, ব্রাউজিং বা মেসেজ করাও নয়।

৩. ফোন ব্যবহার করার সময়ে যদি অস্বাভাবিক গরম মনে হয়, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার বন্ধ করুন। ফোন অফ করুন। কভার পরানো থাকলে খুলে দিন। ফ্যান বা এসির নিচে রাখুন।

৪. ফোন চার্জের সময়ে কোন শব্দ হলে সঙ্গে সঙ্গে সুইচ অফ করুন। দোকানে ফোন ও চার্জার দেখান।

৫. ফোন চার্জ দিতে দিতে গরম হয়ে গেলে হালকাভাবে নেবেন না। প্রথমে চার্জ দেওয়া বন্ধ করে ফোন ঠান্ডা হতে দিন। এরপর ফোন সারানোর ব্যবস্থা করুন।

৬. ফোন খারাপ হলে সংস্থার সার্ভিস সেন্টারেই সারাবেন। বিশেষত ব্যাটারি অন্য কোন থার্ড পার্টির ব্যবহার করবেন না।