হঠাৎ ফ্লাইট বন্ধ, আবুধাবি থেকেই ফেরত পাঠানো হলো শতাধিক বাংলাদেশিকে

হঠাৎ বিমান বন্ধ, আবুধাবি থেকেই ফেরত পাঠানো হলো শতাধিক বাংলাদেশিকে

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সৌদি আরব সরকার হঠাৎ করে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করায় মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি থেকে দেশে ফেরত আসতে হয়েছে সৌদিগামী শতাধিক বাংলাদেশি কর্মীকে।

ফেরত আসা ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান। তিনি বলেন, ‘কোভিড পরিস্থিতির জন্য স্থগিত থাকার পর পুনরায় বিদেশে কর্মী যাওয়া শুরু হলেও, হঠাৎ করে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ করায় সেটা আবার বাধাগ্রস্ত হবে।’

ফেরত আসা বাংলাদেশি কর্মীরা জানান, গত ২০ ডিসেম্বর তাঁরা বাংলাদেশ থেকে ইত্তেহাদের ফ্লাইটে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা করেন। কিন্তু সৌদি সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় আবুধাবি বিমানবন্দর থেকে একই ফ্লাইটে তাদের দেশে ফেরত পাঠনো হয়।

এদিকে মাত্র একদিনের ব্যবধানে দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হওয়ায় কাজ হারানোর আশঙ্কায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছে ভেঙে পড়েন বাংলাদেশি এসব কর্মী।

তাঁদের মধ্যে কুমিল্লার বাসিন্দা সাবিনা আক্তার ও তাসলিমা আক্তার জানান, তাঁরা দুই বোনসহ মানিকগঞ্জের তিনজন নারী সৌদি আরব যাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে দেশে ফেরত আসতে বাধ্য হওয়ায় কী করবেন বুঝতে পারছেন না। পরে তাঁদের ব্র্যাকে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

আবুধাবি বিমানবন্দর থেকে ফেরত আসাদের বর্তমানে ব্র্যাকের সেইফ হোমে রাখা হয়েছে।

এর আগে কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ২১ ডিসেম্বর থেকে এক সপ্তাহের জন্য সৌদি আরবগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার জানান, সৌদি সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করায় ২১ ডিসেম্বর থেকে এক সপ্তাহের জন্য জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামগামী বাংলাদেশ বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিলকৃত ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের ফ্লাইট পুনরায় চালুর পর আসন খালি থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত ২০ অক্টোবর থেকেই সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করার ঘোষণা দেয় সৌদি সরকার। এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানিয়েছে দেশটির জেনারেল অথরিটি ফর সিভিল অ্যাভিয়েশন (জিএসিএ)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী এক সপ্তাহের জন্য সৌদি আরবে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ওঠানামা বন্ধ থাকবে, যার সময়সীমা আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হতে পারে।

তবে, বর্তমানে সৌদিতে অবস্থানরত অন্য দেশের বিমান সংস্থার কোনো ফ্লাইট থাকলে তা সৌদি ত্যাগ করতে পারবে বলে জানিয়েছে জিএসিএ।

এই নির্দেশাবলী কোভিড-১৯ মহামারি সম্পর্কিত পরিস্থিতির আলোকে পর্যালোচনা ও হালনাগাদ করা হবে, বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

উড়োজাহাজের সময়সূচি সম্পর্কে যাত্রীদের পরে অবহিত করা হবে।

রিয়াদ, জেদ্দা, দাম্মাম ও মদিনা থেকে সাপ্তাহে ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে সৌদি সরকার।

সুন্দরবনে থেমে নেই বাঘ হরিণ শিকার

সুন্দরবনে থেমে নেই বাঘ হরিণ শিকার

বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা সুন্দরবনে ভালো নেই রয়েল বেঙ্গল টাইগার, মায়াবি চিত্রল হরিণ। এই দুই বন্যপ্রাণী এখন চোরা শিকারি ও পাচারকারীদের প্রধান টার্গেটে পরিণত হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সুন্দরবনে উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বাঘ ও হরিণ শিকার। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বন থেকে শিকার করা একটি বাঘের চামড়া, ১৯টি হরিণের চামড়া, ১৬ কেজি হরিণের মাংসসহ ৮ চোরা শিকারি ও বন্যপ্রাণীর চামড়া পাচারকারী গ্রেফতার হয়েছে। সুন্দবন বিভাগ, র‌্যার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সার্বক্ষণিক সুন্দরবন পাহারায় আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট প্রেট্রোলিং চালিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না বাঘ, হরিণ শিকারি, বন্যপ্রাণীর চামড়া ও মাংস পাচার। নেপথ্যে গডফাদার বা প্রভাবশালী চক্র থাকায় চোরা শিকারি ও বন্যপ্রাণীর চামড়া পাচার থামানো যাচ্ছে না।

এদিকে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দবন বিভাগ ও র‌্যার- ৮ সদস্যরা গত ১৯ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা সদরের রায়েন্দা বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে ক্রেতা সেজে একটি পূর্ণ বয়স্ক বাঘের চামড়াসহ মো. গাউস ফকির (৪০) নামে পাচারকারীকে গ্রেফতার করে। তিনি শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের রশিদ ফকিরের ছেলে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেশ করেয় মাস আগে এই বাঘটিকে সুন্দরবন থেকে চোরা শিকারিরা হত্যা করে লবণ দিয়ে পলিথিনের বস্তায় ভরে রেখেছিল। উদ্ধার হওয়া ৮ ফুট ১ ইঞ্চি লম্বা ও ৩ ফুট ১ ইঞ্চি চওড়া পূর্ণ বয়স্ক বাঘের চামড়াটি তিনি শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের অহিদুল নামে এক চোরা শিকারির কাছ থেকে পাচারের জন্য কিনে রেখেছিলেন বলে জানায়। বন আইনে গ্রেফতার বাঘের চামড়া পাচারকারী গাউস ফকির বর্তমানে বাগেরহাট কারাগারে আটক থাকলেও এখনো আটক হয়নি বাঘ হত্যাকারী চোর শিকারি অহিদুল।

এদিকে বাংলাদেশ অংশের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের সুন্দরবনে গত ২০১৯ সালের ২২ মে সর্বশেষ বাঘ জরিপে সুন্দরবনে বর্তমানে বাঘ রয়েছে মাত্র ১১৪টি। আর হরিণ রয়েছে এক থেকে দেড় লাখ। ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত বন বিভাগের হিসেবে ৫৪টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে স্বাভাবিক ভাবে মারা গেছে মাত্র ১৫টি। লোকালয়ে ঢুকে পড়া ১৪টি বাঘকে পিটিয়ে মেরেছে স্থানীয় জনতা, একটি নিহত হয়েছে ২০০৭ সালের সুপার সাইক্লোন সিডরে ও বাকি ২৬ বাঘ হত্যা করেছে চোরা শিকারিরা। জানা গেছে, অধিক মুনাফার আশায় হরিণের মাংসসহ চামড়া, বাঘের অঙ্গ-প্রতঙ্গ, চামড়া, হাড়, দাঁত, নখ পাচার এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এটি দেশ ও দেশের বাইরে চীন-লাওস-থাইল্যান্ড সীমান্তে বন্যপ্রাণী ও চামড়াসহ অঙ্গ-প্রতঙ্গের আন্তর্জাতিক চোরাই বাজার ‘গোল্ডেন ট্রাংগল’-এ চলে যায় চোরকারবারি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

২০১৮ সালের ১ নভেম্বর বনদস্যু মুক্ত ঘোষণার পর বাঘ ও হরিণ নিধন কমে এসেছে বলে বনবিভাগ দাবি করলেও মাত্র এক সপ্তাহে একটি বাঘের চামড়া, ১৯টি হরিণের চামড়া, ১৬ কেজি হরিণের মাংসসহ আটজন চোরা শিকারি ও বন্যপ্রাণীর চামড়া পাচারকারীকে গ্রেফতারে উঠে এসেছে সুন্দরবনের উদ্বেগজনক চিত্র। বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, বাঘ, হরিণসহ বন্যপ্রাণী হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে বর্তমানে সার্বক্ষণিক সুন্দরবন পাহারায় আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট প্যাট্রোলিং চালানো হচ্ছে। সুন্দরবনের চোরা শিকারি ও বন্যপ্রাণীর চামড়া পাচারকারী সিন্ডিকেট বা তাদের পিছনে থাকা গডফাদাররাও নজরদারির মধ্যে রয়েছে।

 

পর্যটনে উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষতি ৬ হাজার কোটি ডলার

পর্যটনে উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্ষতি ৬ হাজার কোটি ডলার

করোনা মহামারির প্রভাবে গত বছরের অধিকাংশ সময়ই বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসহ নানা বিধিনিষেধ জারি ছিল। এতে পর্যটকশূন্য অবস্থায় বছর পার করেছে ভ্রমণ গন্তব্যগুলো। এ কারণে ২০২০ সালে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভ্রমণ ও পর্যটন শিল্প ৬ হাজার কোটি ডলার হারাতে পারে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, উপসাগরীয় ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের লোকসানের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি থেকে ৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে হোটেলগুলোর লোকসান থাকবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

গবেষণা ও পরামর্শক সংস্থা কনসালট্যান্টস ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভানের নতুন একটি গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য বলছে, গত পাঁচ বছরে মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশের জোট উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল বা জিসিসির পর্যটন ও ভ্রমণ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ১০ শতাংশ। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালে পর্যটন থেকে ১১ হাজার কোটি ডলার আয়ের প্রত্যাশা করছিল তারা। কিন্তু করোনা মহামারি সব নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করে দিয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে লকডাউনের পর ভ্রমণের জন্য গ্রাহকরা যখন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, তখন তারা অবশ্যই হোটেলে থাকার বিলাসিতা বেছে নেবেন। তবে তারা তাদের পরিবারের বাইরে অন্য অতিথিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে চাইবেন। এজন্য শিল্পটি নতুনভাবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এ খাতের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা মূল বিষয়গুলো অনুধাবন করতে পেরেছেন এবং নতুনভাবে পরিষেবা সরবরাহে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। ভোক্তা অভিজ্ঞতা অনুধাবন এবং প্রতিটি পর্যায়ে নতুনত্ব নিয়ে আসার বিষয়গুলো আগামীতে গুরুত্ব পাবে। দুবাই ধীরে ধীরে পর্যটন খাতের কার্যক্রম চালু করেছে এবং আবুধাবি গত মাসের শেষ সপ্তাহে আন্তর্জাতিক পর্যটক প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।

গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, গত বছরে দীর্ঘ সময় ধরে বেশির ভাগ দেশ আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের থেকে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় সৌদি আরবের নেতৃত্বে উপসাগরীয় দেশগুলোয় অভ্যন্তরীণ পর্যটক বাড়ছে। এ অঞ্চলের সব হোটেল বায়ো-বাবলের আওতায় ধারণক্ষমতার ৬৫ শতাংশ পর্যটক গ্রহণ করবে। বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করতে বায়ো-বাবল একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ সরবরাহ করে।

ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভান জানিয়েছে, বর্তমানে ভ্রমণ ও পর্যটন খাতের অন্তর্ভুক্ত রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিবর্তিত হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু ডেলিভারিভিত্তিক রেস্তোরাঁ ক্লাউড কিচেনের বৈশ্বিক বাজার ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে। পর্যটকদের রেস্তোরাঁসহ জনাকীর্ণ পরিবেশ এড়িয়ে বাসা থেকে অর্ডার করে খাবার নিয়ে আসা নতুন স্বাভাবিক (নিউ নরমাল) চর্চা হতে যাচ্ছে।

ভবিষ্যতে বাসায় খাদ্য সরবরাহকারী কিচেনের সংখ্যা আরো বাড়বে, যারা হয়তো তৃতীয় পক্ষের কোনো ডেলিভারির মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করে দেবে। এতে উপসাগরীয় দেশগুলোয় ঘরের বাইরে খাওয়ার যে রমরমা সংস্কৃতি ছিল, তা সংকুচিত হয়ে যাবে। রেস্টুরেন্টগুলোও তাদের সেবায় অনেক পরিবর্তন আনবে। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।

এক বছর পর চালু হচ্ছে বিমানের ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইট

বিমান

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দীর্ঘ প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর আবার চালু হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা ফ্লাইট।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এতে বলা হয়, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুদিন— সোমবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

বিমানের মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট, কল সেন্টার এবং সেলস কাউন্টার থেকে টিকিট কেনা যাবে।

এছাড়া ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্যুর অপারেটরদের কাছেও ঢাকা-কাঠমান্ডু-ঢাকা রুটের বাণিজ্যিক ফ্লাইটের টিকিট পাওয়া যাবে।

করোনাকালীন পরিস্থিতিতে নেপালের শর্ত, নির্দেশনা এবং নেপালে বিমানের শিডিউল ওয়েবসাইট (www.Biman-airlines.com) থেকে জানা যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

কানাডাফেরত বিদেশিদের চীনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

কানাডা থেকে আসা বিদেশি নাগরিকদের জন্য অস্থায়ীভিত্তিতে চীনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। টরোন্টোতে অবস্থিত চীনা কনস্যুলেট থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি কোনো চীনা নাগরিক কানাডায় বৈধ আবসিক সুবিধার বৈধ ভিসাধারীও হন তাহলে তার ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

শনিবার কনস্যুলেট তার ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, কানাডায় বসবাসকারী সব বিদেশি নাগরিক- যদি বৈধ আবাসিক ও কর্মের অনুমোদন থাকে, যদি তিনি ব্যক্তিগত কাজে কানাডা গিয়ে থাকেন অথবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাতের জন্য অস্থায়ী সময়ের জন্য কানাডা গিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের সবার ক্ষেত্রেই চীনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।  তবে কূটনৈতিক মিশনে অথবা সার্ভিস ভিসা যাদের আছে, এই নিষেধাজ্ঞা তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না।

রয়টার্স লিখেছে, করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে আন্তঃসীমান্ত সফরের ক্ষেত্রে কানাডা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এ জন্য এমন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। কানাডায় শনিবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৪২৫৫ জন। এ ছাড়া এই মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৯,৯৪২ জন মারা গেছেন।

এখন বিমানে করে কানাডায় যত যাত্রী যাবেন তাদের সবাইকে বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। নিজস্ব খবরচে তিন দিন হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

পৃথিবীর বরফ দ্রুত গলছে

ছবিটি প্রতীকী

১৯৯০-এর দশকের তুলনায় এখন পৃথিবীর বরফ দ্রুত হারে গলছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এ কারণে বরফ গলার হারও বেড়ে গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৯০-এর দশক থেকে বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বরফ, বরফখণ্ড ও হিমবাহের মধ্যে প্রায় ২৮ ট্রিলিয়ন মেট্রিক টন গলে গেছে। তিন দশক আগে যে হারে বরফ গলত, বর্তমানে সেই হার ৫৭ শতাংশ দ্রুত। এ–সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে বিজ্ঞানীদের এক নতুন গবেষণায়। সোমবার ‘দ্য ক্রায়োস্ফিয়ার’ নামের এক জার্নালে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণাপত্রের সহলেখক ও যুক্তরাজ্যের লিডস ইউনিভার্সিটির শিক্ষক থমাস স্ল্যাটার বলেছেন, ‘মাত্র গত ৩০ বছরে যে হারে বরফ গলছে, তা বিস্ময়কর।’

গবেষকেরা বলছেন, অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ড ও পর্বতে থাকা হিমবাহগুলো তিন দশক ধরে বিশ্বের সমুদ্রগুলোয় যথেষ্ট পরিমাণে পানি যোগ করেছে। ফলে বিশ্বের সমুদ্রপ্রষ্ঠের গড় উচ্চতা বেড়েছে প্রায় সাড়ে তিন সেন্টিমিটার। পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ গলে যাওয়ার বিষয়টি বরফ গলে যাওয়ার মোট বার্ষিক হিসাবে প্রায় ২২ শতাংশ।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলে বরফের পরিমাণও ব্যাপক হারে কমছে। সামুদ্রিক বরফ ক্রমাগত কমে যাওয়ায় সমুদ্রের সর্বনিম্ন স্তরের পানি প্রকাশ্যে আসছে। এই স্তরের মূল কাজ হলো সৌর তেজষ্ক্রিয়া শোষণ করা। উল্টো এই তেজষ্ক্রিয়া পরিবেশে ফিরে যাচ্ছে। এতে করে পরিবেশের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শিল্পবিপ্লবপূর্ব সময়ের তুলনায় বৈশ্বিক বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আর্কটিক অঞ্চলে গত ৩০ বছরে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি হারে উষ্ণায়ন বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোর ন্যাশনাল স্নো অ্যান্ড আইস ডাটা সেন্টারের বিজ্ঞানী জুলিয়েন স্ট্রয়েভে বলেছেন, ওপরের গবেষণায় ভূমিতে থাকা বরফ আমলে নেওয়া হয়নি। আবার নদী বা হ্রদে থাকা বরফও হিসাবের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। গত কয়েক দশকে এসব ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সেসব তথ্যও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ, টিকাদান কার্যক্রম শুরু

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। সূচনা হয়েছে নতুন অধ্যায়ের। টিকাদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনের পর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা প্রথম ভ্যাকসিন নেন। পরে আরো চার সম্মুখযোদ্ধা টিকা গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে ইতিহাসে নাম লেখান এ পাঁচ জন। ভ্যাকসিন দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাসের টিকা আনতে সরকার শুরু থেকেই যোগাযোগ করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।

অক্সফোর্ডের টিকার জন্য ভারতের সিরামের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করা হয়েছিল বলেই দ্রুত টিকা আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনার কারণে এমন একটা অবস্থা ছিল, নিজের মায়ের লাশ, বাবার লাশও ফেলে চলে গেছে সন্তান, হাত দিতে সাহস পায়নি। এই অবস্থায় ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারি, পুলিশ, সেনাবাহিনী, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। আমি তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে কিছু মানুষ আছে যাদের কিছুই ভাল লাগে না। তারা নানা সমালোচনা করেন। আশা করি তারাও আসবেন। ভ্যাকসিন নেবেন।

করোনার কারণে অনেকটা বন্দি জীবনযাপন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইচ্ছা ছিল অনুষ্ঠানে সরাসরি থাকার। কিন্তু থাকতে পারলাম না। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা চালু করা হবে

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী সাংবাদিকদের বলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিগগিরই ভারতের টুরিস্ট ভিসা চালু করা হবে।

প্রতিদিন গড়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন থেকে সাত থেকে ১০ হাজার ভিসা দেওয়া হতো। করোনাভাইরাসের সময়ে তা এক হাজারে নেমে এসেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এয়ার-বাবল চালু হলেও আপাতত টুরিস্ট ভিসা বন্ধ রয়েছে।

বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ভারত দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশকে ভ্যাকসিন দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। এছাড়া প্রতিবেশী দেশগুলোকে আমরা যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে চাই।

ভারত শুধু একা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ইমিউনিটি বাড়াতে চায় না, প্রতিবেশী দেশগুলোরও ইমিউনিটি বাড়াতে চাই আমরা।

মাঘের শীতে কাঁপছে চায়ের রাজ্য

image

মাঘের শীত জেঁকে বসেছে। আবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চায়ের রাজ্য শ্রীমঙ্গলে। মাঘ মাসে শীতের এই দাপটে অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। কনকনে ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত।

রোববার রাত পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার (২৫ জানুয়ারী) ভোর থেকে জেলার সর্বত্রই রয়েছে কুয়াশা আবৃত।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কিছুটা কমলে সূর্যের দেখা মেলে। তবে রোদের তাপ অনেকটাই কম।

জেলার হাকালুকি ও কাউয়াদীঘি হাওরে বোরো চাষের মৌসুম শুরু হয়েছে। শীতের তীব্রতায় চাষিরা চাষের কাজে যেতে পারছেন না।

রোববার সন্ধ্যায় কাউয়াদীঘি হাওর পারের জগদীশ দাশসহ ৫-৬ জন চাষি বলেন, সারাদিন কুয়াশায় ঢাকা থাকে। সূর্যের আলো কম থাকায় চাষের কাজে নামা যাচ্ছে না।

সোমবার সকালে কথা হলে দিনমজুর মহিবুল বলেন, শীতের কারণে আমরা একদিন কাজ করলে আরেকদিন করতে পারি না। শীতের কাঁপুনিতে ঘরে বসে থাকি।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অধিদফতরের দায়িত্বরত কর্মকর্তা জায়েদুল ইসলাম মাসুম জানান, এই কয়েকদিন ধরে শ্রীমঙ্গলসহ মৌলভীবাজার জেলাজুড়ে ঠান্ডার প্রকোপ এমনই থাকবে। খুব বেশি কমবে না।

রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সোমবার শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা রয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলার সব এলাকা কুয়াশায় ঢাকা রয়েছে।

কানাডার পরিবর্তে নান্দনিক ভুটান থেকে ঘুরে আসুন

দেখতে ইউরোপ বা কানাডার মত মনে হলেও এটা মূলত নান্দনিক ভুটানের দৃশ্য। ছবি: পিন্টারেস্ট
দেখতে ইউরোপ বা কানাডার মত মনে হলেও এটা মূলত নান্দনিক ভুটানের দৃশ্য।

আমি কিছুদিন আগে ভুটান সম্পর্কে লিখেছিলাম। সব দিক দিয়ে আমাদের দেশের পাশের একটি চমৎকার দেশ। তা সত্ত্বেও খুব একটা আলোচনা হয় না দেশটি সম্পর্কে। অনেকে ইউরোপ বা আমেরিকায় যেতে পাগল অথচ রয়েছে বাড়ির পাশে কী সুন্দর একটি দেশ। জানি না কতজন সেখানে যেতে পাগল। সময় এবং সামর্থ্য থাকলে ঘুরে আসুন ভুটান। দেখবেন ভালো লাগবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেকেই কানাডায় যেতে পাগল। কারণ সেখানে ইংরেজি ভাষার প্রচলন। কেউ পড়াশোনা, কেউ চাকরি, কেউ আবার দেশের অর্থ পাচার করে সেখানে বেগম পাড়া তৈরি করে বসবাস করছে। শুনেছি দেশের টাকা পাচার করতে যারা সাহায্য করেন তাদের মধ্যে দূতাবাসও জড়িত।

যদি তথ্যটি সত্য হয় তবে কেন এর প্রতিবাদ হয় না? দূতাবাসের সাহায্যে দেশের অর্থ পাচার করে বিদেশে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব দূতাবাসের কাজ কী এবং কী দায়িত্ব তাদের পালন করার কথা, আর কী করছে তারা সে বিষয় তদন্ত করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে গত কয়েকদিন আগে লিখেছি। দেখা যাক কর্তৃপক্ষ কী করেন।

দেশকে সোনার বাংলা করতে হলে সবাইকে কাজ করতে হবে যার যার জায়গা থেকে। আসছে স্বাধীনতার মাস, পঞ্চাশ বছরের পূর্ণরূপ ধারণ করবে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে, ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। শুধু গা শিউরে উঠলেই হবে না।

দেশকে, দেশের মানুষকে বিশ্বের বুকে সম্মানের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে। অতীতের সমস্ত গ্লানির বিসর্জন দিতে হবে আর উৎসর্গ করতে হবে আমাদের নিবেদিত প্রাণ দেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে।

আসুন এবার কানাডা সম্পর্কে একটু জানি। দেশটি আমেরিকার পাশে অবস্থিত, স্বাভাবিকভাবেই তারা সব সময় আমেরিকার মতো এমনকি তাদের চেয়ে উন্নতমানের মন-মানসিকতার সাথে একটি আউটস্ট্যান্ডিং দেশ হিসেবে পরিচিত হতে চায়। কানাডা গত কয়েক বছর ধরে চমৎকার পারফরমেন্স করে চলেছে। গণতন্ত্রের বেস্ট প্রাকটিস এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের প্রতি যথেষ্ট রেসপেক্ট দেখাতে পেরেছে।

কানাডা প্রায় দশ বছর ধরে শিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তারা শিক্ষা প্রশিক্ষণের শুরুতেই খেলাধুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বেশি। যাতে করে দেশের জনগণকে হাসপাতাল এবং ডাক্তারের সংস্পর্শে খুব বেশি আসা না লাগে। খেলাধুলোকে শিক্ষা প্রশিক্ষণের অন্যান্য বিষয়ের মত গুরুত্ব দেবার কারণে দেখা যাচ্ছে কানাডা বিশ্বের প্রথম স্থানটি দখল করতে চলেছে বিভিন্ন স্পোর্টসে।

গত দশ বছর আগে শিক্ষা-প্রশিক্ষণের এই ভিন্নধর্মী পরিবর্তনের কারণে আজকের কানাডার নতুন প্রজন্ম বিশ্বের উদীয়মান তারকাদের শীর্ষে। ভুটান এবং কানাডাকে বেঞ্চ মার্কিং হিসেবে ব্যবহৃত করা যেতে পারে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রশিক্ষণের পরিবর্তনে, যা নিঃসন্দেহে হতে পারে শিক্ষার দিকনির্দেশনার জন্য একটি চমৎকার উপায়।

অন্যদিকে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেটা হলো আমরা বসবাস করছি ভারতের পাশে। পাশের দেশ হিসেবে সম্পর্কটি সরকারিভাবে ভালো হলেও জনগণের মতামতটি ভিন্ন। যার ফলে সারাক্ষণ কিছু না কিছু আলোচনা হয়।

ভালোর চেয়ে খারাপ খবরের প্রচলন হয় বেশি। খারাপ খবরগুলো সহজে ছড়ানো যায়। আবার ডকুমেন্ট বা সঠিক তথ্য ছাড়া খবর প্রচার করা বেশ সহজ। যার ফলে সর্বত্রই যে বিষয়গুলো লক্ষ্যণীয় তা হলো গুজব। তারপর দেশের খবরের টপ লিস্টে কী কী জিনিস সর্বাধিক পাঠকের নজর কাড়ে দেখেছেন কি কখনও ভেবে?