পিরামিডের রহস্য জানতে নিউটনের অভিনব চেষ্টা!

রহস্যের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে পিরামিড! | The Business Standard

মিসরের পিরামিডের গোপন কোড খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন খ্যাতনামা ব্রিটিশ গণিতবিদ স্যার আইজ্যাক নিউটন।

সম্প্রতি পাওয়া তার হাতে লেখা কিছু নথিপত্রে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তার বিশ্বাস ছিল, মিসরের সুপ্রাচীন অবকাঠামোগুলোর মধ্যেই কোথাও পিরামিডের মতো রহস্যজনক বিশাল স্থাপনার চাবি লুকানো আছে।

ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন বিজ্ঞানী নিউটন। গতিতত্ত্ব, মাধ্যাকর্ষণ নিয়েও তিনি কাজ করেছেন।

আলকেমি তথা রসায়ন ও ধর্মতত্ত্বের অস্পষ্ট বিষয় নিয়েও তার গোপন আগ্রহ ছিল, যা নিউটনের মৃত্যুর ২০০ বছর পর সবাই জানতে পারে।

তবে নিউটনের এতদিন অপ্রকাশিত কিছু নোটের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, তিনি বাইবেলের লুকানো অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করেছেন।

এমনকি মিসরের পিরামিড নিয়েও আগ্রহ ছিল তার। তার লেখা তিন পৃষ্ঠার একটি এলোমেলো নোটে তার প্রমাণ মিলেছে।

নিউটনের বিশ্বাস ছিল পিরামিডের মধ্যে গভীর রহস্য লুকানো আছে। তবে নিউটনের হাতের লেখা সেই নোটের কিছু অংশ পুড়ে যায় তার পোষা কুকুর ডায়মন্ডের কারণে।

আংশিক পুড়ে যাওয়া ওই নথি বিষয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৬৮০ দশক থেকেই পিরামিড নিয়ে নিউটন গবেষণা করতে শুরু করেন। তবে তার সেই গবেষণাকে সেসময় স্বীকৃতি দেয়নি কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। তার চিন্তাভাবনা শুধু মিসর নয়, গোটা বিশ্বকে প্রভাবিত করেছিল।

বিশ্বের বাজারে কিভাবে পিরামিড নিজেকে বহু বছর ধরে অক্ষত রাখবে তা-ও ছিল তার গবেষণায়। স্থাপত্য শিল্পে তার সেই চিন্তা আজও সমৃদ্ধ করেছে বিশ্বকে।

১৭ দশকে পিরামিড নিয়ে তার গবেষণা অন্যদের থেকে তাকে আলাদা করেছিল।

মিসরে মিলল ৩ হাজার বছরেরও বেশি পুরনো কফিন

মিসরে মিলল ৩ হাজার বছরেরও বেশি পুরনো কফিন

মিসরে প্রত্নতাত্ত্বিকরা একটি সমাধিক্ষেত্রসহ প্রাচীন অনেক সম্পদের খোঁজ পেয়েছেন। কায়রোর দক্ষিণে সাকারা নেক্রোপলিসে মূল্যবান প্রাচীন নিদর্শনগুলোর আবিষ্কার করা হয়েছে।

এসব নিদর্শনের মধ্যে তিন হাজার বছরেরও বেশি পুরনো অর্ধশতাধিক কফিন রয়েছে। খবর দ্যা গার্ডিয়ানের।

মিসরের পর্যটন ও প্রত্নতাত্ত্বিক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিসরের খ্যাতনামা প্রত্নতাত্ত্বিক জাহি হাওয়াসের নেতৃত্বে প্রত্নতাত্ত্বিকদের একটি দল ওই প্রাচীন সম্পদ আবিষ্কার করেছে।

মিসরের সরকার এ কাজকে ‘বিশাল আবিষ্কার’ বলে ঘোষণা দিয়েছে।  রোববার দেশটির প্রখ্যাত প্রত্নতত্ত্ববিদ জাহি হাওয়াস এ আবিষ্কারকে মিসরের ইতিহাসের ‘নতুন অধ্যায়’ বলে উল্লেখ করেছেন।

কাঠের কফিনগুলো খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ থেকে ১৭০০ সালের হতে পারে। কফিনগুলো ৫২টি সমাধির ১০ থেকে ১২ মিটার (৪০ ফুট) গভীরে পাওয়া গেছে।

জাহি হাওয়াস বলেন, রাজা তেতির স্ত্রী নেয়ার্তের সমাধিসহ একটি মন্দিরের পাশাপাশি ইটের তৈরি তিনটি গুদামও পাওয়া গেছে এলাকাটিতে। এ ছাড়া প্রচুর যুদ্ধাস্ত্র, প্রায় পাঁচ মিটার লম্বা একটি প্যাপিরাস, মাস্ক, কাঠের নৌকা, প্রাচীন মিসরীয়দের খেলার যন্ত্রের সন্ধানও পাওয়া গেছে।

রোববার সাংবাদিকদের জন্য ওই প্রাচীন নিদর্শনগুলো প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে দেয় মিসর সরকার। যদিও ওই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটির খননকাজ এখনও চলছে।

কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার উদ্যোগ

কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার উদ্যোগ

কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসে আগ্রহী করে তোলার জন্য দেশটির ফেডারেল সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীদের নতুন করে ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

মাল্টিকালচারালিজমের দেশ কানাডা বরাবরই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে নমনীয়। কানাডার ইমিগ্রেশন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় আড়াই লাখ অভিবাসীপ্রত্যাশী কানাডায় পাড়ি দেন।

এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।

বর্তমানে কানাডায় যে ওয়ার্ক পারমিট কর্মসূচি চালু আছে তার আওতায় আন্তর্জাতিক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা শিক্ষা শেষে তিন বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পান।

স্থায়ী নাগরিকত্বের পথ হিসেবে কর্মসূচিটিকে দেখা হয়। কানাডার অভিবাসন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর যে ৬১ হাজার শিক্ষার্থীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের অর্ধেক এই পথ বেছে নিয়েছেন।

ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে অথবা শেষ হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে এমন ৫২ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী নতুন নীতিমালার কারণে উপকৃত হবেন।

অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্কো মেন্ডিসিনো বলেন, যেসব সাবেক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে অথবা শেষ হওয়ার পথে রয়েছে, তারা নতুন করে ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করতে পারবেন। ফলে চাকরি খুঁজে পেতে আরও ১৮ মাস তারা কানাডায় থাকার অনুমতি পাবেন।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্থায়ীভাবে কানাডায় রেখে দেওয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কারণ শ্রমিক স্বল্পতা অভিবাসীদের দিয়েই পূরণ করে থাকে কানাডা।

কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে কানাডায় শিক্ষার্থীর আগমন অস্বাভাবিক কমে গেছে। এ স্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নীতির কথা ঘোষণা করেছেন মেন্ডিসিনো।

তিনি বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের বার্তাটা পরিষ্কার। আপনারা শুধু এ দেশে পড়াশোনা করুন তা নয়, আমরা চাই আপনারা এ দেশে থেকেও যান।

নতুন ওয়ার্ক পারমিট কর্মসূচির আওতায় ২৭ জানুয়ারি থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

বে ওয়ান ক্রুজে প্রমোদ ভ্রমণ শুরু

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড বিলাসবহুল এই প্রমোদতরীটি বাণিজ্যিকভাবে পরিচালনা করছে।

সভায় জানানো হয়, জাপানের কোবে শহরের মিতশুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজে তৈরি করা প্রমোদতরীটি গত ১৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায়। আনুসঙ্গিক মেরামতের মাধ্যমে জাহাজটিকে নতুন করে বিলাসবহুল রূপ দেওয়া হয়েছে। এরপর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে সেটি সাগরে ভাসানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে পতেঙ্গা থেকে সেন্টমার্টিন রুটে পরীক্ষামূলকভাবে জাহাজটি চালানো হয়েছে। ৪৫০ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৫৫ ফুট প্রস্থের জাহাজটি উত্তাল সমুদ্র মোকাবেলার সক্ষমতা রয়েছে। ঘণ্টায় ২৪ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম জাহাজটিতে আছে প্রেসিডেন্ট স্যুট, বাঙ্কার বেড কেবিন, টু ইন বেড কেবিন, আরামদায়ক চেয়ারসহ নানা ধরনের আসন।

মতবিনিময়ে জানানো হয়, প্রমোদতরীতে একটি রেস্তোঁরা, স্বয়ংক্রিয় ভেন্ডিং মেশিন এবং কয়েন পরিচালিত ঝর্ণাও আছে। যাত্রীদের সেবায় ১৬৭ জন ক্রু থাকবেন, এর মধ্যে ১৭ জন জাহাজ পরিচালনা করবেন।

কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ রশিদ জানান, সপ্তাহে তিন দিন বে ওয়ান ক্রুজ পতেঙ্গা ওয়াটার বাস টার্মিনাল থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। সর্বনিম্ন তিন হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ভাড়ায় এই প্রমোদতরীতে ভ্রমণ করা যাবে। এ প্যাকেজের আওতায় জাহাজে রাতযাপন, সমুদ্র বিনোদনের সুযোগ আছে।

সেন্টমার্টিন রুটে বিলাসবহুল বে ওয়ান জাহাজ - MV Bay One Cruise Ship - Cruise  Ship in Bangladesh . - YouTube

তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চালানো যাবে, এটা কেউ কোনো দিন ভাবেনি। আমরা খুব ভালো একটি জাহাজ জাপান থেকে এনেছি। এটা দুই হাজার যাত্রী নিয়ে সৌদি আরব যেতে সক্ষম। ঝড়-তুফানেও জাহাজে কোনো সমস্যা হবে না। এর দুই পাশে দুটি পাখা আছে। তিন-চার পর্যন্ত বা এর বেশি সিগন্যাল থাকলেও এর কোনো সমস্যা হবে না।”

জাহাজটি মূল সেন্টমার্টিন দ্বীপে নোঙর করা সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, দ্বীপের অদূরে নোঙর করার পর সেখানে অপেক্ষমাণ ছোট জাহাজে করে যাত্রীদের মূল দ্বীপে নেওয়া হবে।

আপাতত ভাড়ায় আনা প্রমোদতরীটি আমদানির প্রক্রিয়ায় আছে উল্লেখ করে এম এ রশিদ বলেন, “জাহাজটির প্রতিদিনের খরচ ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা। প্রত্যাশা অনুযায়ী যাত্রী পেলে আমরা এটা নিয়মিত করতে পারব।”

পর্যটন মৌসুম শেষে জাহাজটি অলস বসে থাকবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করব কলকাতা, আন্দামান রুটে চালানোর জন্য। এজন্য সরকারের কাছে অনুমতি চাইব। হজের যাত্রী পরিবহনের যদি অনুমতি সরকার দেয়, তাহলে আমরা এর সঙ্গে আরও ৩-৪টা জাহাজ নিয়ে আসব।”

জাপান থেকে আনা জাহাজটি ২৮ বছরের পুরনো। বিদ্যমান আইনে ২৫ বছরের পুরনো জাহাজ সাগরে ভাসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এম এ রশিদ বলেন, “এই আইন শুধু আমাদের দেশে আছে। বিদেশে প্যাসেঞ্জার জাহাজ ৫৫-৬০ বছরের পুরনো হলেও চলে। কার্গো জাহাজ ২৫ বছরের পুরনো হলে নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু প্যাসেঞ্জার জাহাজে সমস্যা হয় না।

“আমাদের দেশে কার্গো এবং প্যাসেঞ্জার দুটোকে এক করে আইন তৈরি করেছে। আমরা এই আইন পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছি।”

মূলত জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স।

এম এ রশিদ বলেন, “কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড সব সময় চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। দুর্ঘটনা কবলিত বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার সৌরভ’ মেরামত করার জন্য ২৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ঝুঁকি নিয়েছিলাম। সেটা মেরামত করে সরকারকে ফেরত দিয়েছি। অথচ কেউ বলেনি, সেটা আবার সাগরে ভাসবে। চট্টগ্রাম বন্দরকে পাঁচটি টাগবোট নির্মাণ করে দিয়েছি।

“এ পর্যন্ত আমরা ১২০০ জাহাজ নির্মাণ করেছি। প্রায় ৮০০ জাহাজ মেরামত করেছি। বে ওয়ান ক্রুজও আমাদের একটা চ্যালেঞ্জ।”

কক্সবাজার যাওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিমানে আসা যাত্রীরা চট্টগ্রাম নগরীতে প্রবেশ না করে সরাসরি জাহাজের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন এবং একইভাবে চট্টগ্রামে এসে আবারও বিমানে ফিরে যেতে পারবেন বলেও তিনি জানান।

বিলাসবহুল প্রমোদতরীটি পরিচালনার মধ্য দিয়ে দেশের পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখলেই আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে জাপান

করোনাভাইরাস হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জাপানের রাজধানী টোকিও ও এর আশাপাশের তিনটি এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) থেকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টোকিও, চিবা, সাইতামা ও কানাগাওয়া অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি থাকবে।

দেশটিতে করোনার নতুন ধরন শনাক্ত ও সংক্রমণের উচ্চ হার বিরাজ করায় প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে সিএনএন জানিয়েছে। গত বসন্তে জাপানে প্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়, যা এক মাসের বেশি সময় স্থায়ী হয়।

তবে জরুরি অবস্থার মধ্যেও স্কুল খোলা থাকবে বলে জানান তিনি। সুগা বলেন, ‘স্কুল থেকে সীমিত পরিসরে করোনা ছড়িয়েছে। শিশুরা ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্বে দেবে, আমরা তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই।’

জরুরি অবস্থার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সুগা ৭০ শতাংশ উপস্থিতি কমিয়ে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজে উৎসাহী করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সংক্রমিত এলাকাগুলোতে বাসিন্দাদের বিনা প্রয়োজনে বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন তিনি।

রেস্তোরাঁগুলো রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া খেলাধুলায় দর্শক উপস্থিতি সীমিত করতে বলেছেন সুগা।

এর আগে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘যেসব রেস্তোরাঁ তাদের খোলা রাখার সময় সীমিত করবে তাদের প্রতি মাসে এক দশমিক ৮ মিলিয়ন ইয়েন বা এক হাজার ৪০০ ডলার করে দেবে সরকার।’

বাতিল হতে পারে সৌদিগামীদের ৪০ হাজার ভিসা

যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ায় সৌদি আরবে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছে দেশটির জেনারেল অথরিটি ফর সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ)।
আপাতত এক সপ্তাহের জন্য দেশটিতে বিমান চলাচলে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও এই সময়সীমা আরো বাড়ানো হতে পারে।
ফলে সোমবার থেকে জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আবার ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব।
আর এতে আটকে গেছেন লাখো প্রবাসী কর্মী।
দেশটির কারাগারে আটকে থাকা বাংলাদেশি কর্মীসহ দেশে ফিরতে চাওয়া কর্মীরা আটকে গেছেন। চরম সংকটে পড়েছেন দেশে এসে আটকে পড়ারা।
এ ছাড়া নতুন করে যাঁরা দেশটিতে যাওয়ার জন্য টিকিট কেটে সব প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, এখন তাঁদের বিদেশযাত্রা চরম অনিশ্চয়তায় পড়ল।
সৌদির নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘায়িত হলে প্রায় ৪০ হাজার নতুন ভিসা বাতিল হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।