১ আগস্ট থেকে সীমান্ত উন্মুক্ত করছে কাতার

আগামী ১ আগস্ট থেকে কভিড-১৯ সংক্রমণে স্বল্প ঝুঁকির দেশগুলোতে থাকা নাগরিক ও প্রবাসী বাসিন্দাদের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করছে কাতার। ওইদিন থেকে বিদেশী কর্মী ও পারিবারিক ভিসার অভিবাসীসহ যাদের ভিসা আছে এমন যেকোনো ব্যক্তি কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে কাতার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করা স্বল্প ঝুঁকির দেশের তালিকায় না থাকায় প্রবেশের পর বাংলাদেশীদের এক সপ্তাহ থাকতে হবে হোটেলে।

সম্প্রতি কাতারের যোগাযোগ কর্তৃপক্ষ ও কাতার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিদেশীদের কাতার আসাসংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।  এতে দেশ ও ক্যাটাগরিভেদে বিদেশীদের ফেরার ক্ষেত্রে আলাদা প্রক্রিয়া ও নিয়ম নির্ধারণ করেছে কাতার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। সেখানে কভিড-১৯-এর স্বল্প ঝুঁকিতে থাকা ৪০টি দেশের তালিকা দেয়া হয়েছে। ওই ৪০টি দেশ থেকে যাওয়া যাত্রীদের বিমানবন্দরে কভিড-১৯ পরীক্ষা করে নেগেটিভ ফল পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সাতদিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে।

অন্যদিকে স্বল্পঝুঁকির তালিকার বাইরে থাকা দেশগুলো থেকে যারা কাতারে ফিরতে চাইবেন, তাদের প্রথমে কাতার কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ওয়েবসাইট কাতার পোর্টালে কাতারে ফেরার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে।  এতে অনুমতি মিললে কাতারে আসার পর তাকে নির্ধারিত হোটেলে এক সপ্তাহের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। ওই ব্যক্তি যদি কর্মী ভিসাধারী হন, তবে তার কোয়ারেন্টিনের খরচসংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বহন করতে হবে। তবে বিদেশী কর্মীদের ফেরার অনুমতি দেয়ার বেলায় সরকারি ও আধাসরকারি খাতে কর্মরত কর্মীদের চাহিদা ও কাতারের স্বাস্থ্য পরিস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।

এ প্রসঙ্গে কাতারের বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংয়ের প্রথম সচিব মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, কাতারে কর্মী হিসেবে কাজ করতেন, কিন্তু ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন এমন বাংলাদেশীরা আগামী ১ আগস্টের পর থেকে ফিরতে পারবেন।  তবে এজন্য আগে নিজ নিজ কর্মস্থলে তাদের যোগাযোগ করতে হবে। সেখান থেকে অনুমতি পাওয়া সাপেক্ষে তারা কাতারে ফিরতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পারিবারিক ভিসায় যারা কাতারে থাকেন, তাদের মধ্যে যারা কভিডের স্বল্পঝুঁকির তালিকার বাইরের দেশ থেকে কাতারে ফিরবেন তাদের ফেরার পর নিজ খরচে এক সপ্তাহের জন্য হোটেল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। এক সপ্তাহ পার হওয়ার পর তাদের করোনার পরীক্ষা করা হবে।  করোনার ফল নেগেটিভ হলে বাসায় আরো এক সপ্তাহের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। আর পজিটিভ হলে কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আইসোলেশনে যেতে হবে। কোন কোন হোটেলে প্রথম সপ্তাহের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে, এরই মধ্যে সেগুলোর তালিকা ডিসকভার কাতার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই এক সপ্তাহের জন্য হোটেল কোয়ারেন্টিনের পরিবর্তে এক সপ্তাহের হোম কোয়ারেন্টিন প্রযোজ্য হবে।  তাদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি, হার্টের সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তি, ক্যান্সার চিকিৎসাধীন ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ও মা, লিভার ও কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী শিশু ও শিশুর মা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে অসুস্থ ব্যক্তি।

কাতার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্বে কম ঝুঁকিপূর্ণ ৪০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করে জানিয়েছে, এসব দেশ থেকে কাতারে এলে বিমানবন্দরে করোনা টেস্ট করা হবে এবং ১০টি শর্ত মেনে চলার শপথনামায় স্বাক্ষর করে এক সপ্তাহের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

সেক্ষেত্রে হোটেল কোয়ারেন্টিনের কোনো প্রয়োজন নেই। এসব দেশের তালিকায় রয়েছে ব্রুনেই, ভিয়েতনাম, চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, মালটা, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরি, দক্ষিণ কোরিয়া, এস্তোনিয়া, নরওয়ে, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, জাপান, সাইপ্রাস, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, স্লোভাকিয়া, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, মরক্কো, পোল্যান্ড, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, স্লোভেনিয়া, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, চেক, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, আলজেরিয়া, তুরস্ক, আইসল্যান্ড, স্পেন, ক্রোয়েশিয়া ও এন্ডোরা।

সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম এক লাফে কমে গেছে

আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম কমায় সরকারি এলপি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম) গ্যাসের দাম বোতল (১২ কোজি) প্রতি ১০০ টাকা কমিয়ে ৬০০ টাকা করেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)।

তবে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে বেসরকারি এলপি গ্যাসের বাজার।চাহিদার মাত্র দুই শতাংশ সরবরাহ সক্ষমতা থাকায় সরকারি এলপিজির দাম কমলেও সুবিধা পাবে সীমিত সংখ্যাক গ্রাহক। বেসরকারি এলপিজির বাজার

আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম কমায় সরকারি এলপি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম) গ্যাসের দাম বোতল (১২ কোজি) প্রতি ১০০ টাকা কমিয়ে ৬০০ টাকা করেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি)।

তবে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই চলছে বেসরকারি এলপি গ্যাসের বাজার।চাহিদার মাত্র দুই শতাংশ সরবরাহ সক্ষমতা থাকায় সরকারি এলপিজির দাম কমলেও সুবিধা পাবে সীমিত সংখ্যাক গ্রাহক। বেসরকারি এলপিজির বাজার

বিশ্ব বাজারে কাঁচামালের দাম কমায় সরকারি এলপিজির দাম আমরা বোতল প্রতি একশ টাকা কমিয়েছি। এখন থেকে বাজারে ৬০০ টাকায় ১২ কেজির সরকারি এলপিজির বোতল পাওয়া যাবে।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) করপোরেশন কার্যালয়ে এলপিজির দাম কমানো সংক্রান্ত বৈঠক হয়। সেখানে আগে থেকেই কমিটির করা সুপারিশ বাস্তবায়নে সম্মত হন সবাই। দাম কমানোর যে সিদ্ধান্ত হয়েছে

তা বাস্তবায়নে দু-একদিনের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। অথচ বেসরকারি কোম্পানির এলপি গ্যাসের ১২ কেজির বোতল গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৮০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

জ্বালানি বিভাগ সূত্র অনুয়ায়ী, ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে দেশে এলপিজি ব্যবহৃত হয়েছে ৪৪ হাজার ৯৭৪ মেট্রিক টন। ৯ বছরের ব্যবধানে এ চাহিদা ৭ লাখ ১৩ হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে গেছে। যার মধ্যে মাত্র বছরে ২০ হাজার টন উৎপাদন সক্ষম সরকারি এলপিজি কোম্পানি। ২০৪১ সালে এলপিজির চাহিদা ৮০ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মুহা. শের আলী বলেন, গত ১০ বছরে ব্যাপক হারে এলপিজির ব্যবহার বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি হারে বেড়েছে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে।এলপিজি ব্যবসায় ৫৬টি কোম্পানিকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি কোম্পানি উৎপাদনে রয়েছে। আমরা মনে করছি, যে সব কোম্পানি অনুমোদন দেয়া হয়েছে এগুলো যদি উৎপাদনে আসে ২০৪১ সাল পর্যন্ত আর কোনো সংকট হবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশে গ্যাস ফিল্ডগুলো থেকে গ্যাসের উপজাত কনডেনসেট থেকে এলপিজি উৎপাদন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি আমদানি ক্রড অয়েল থেকে সামান্য পরিমাণে এলপিজি পাওয়া যায়। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে কনডেনসেট ও ক্রড অয়েল থেকে প্রাপ্তএলপিজির পরিমাণ ছিল ১৯ হাজার ৬৯৭ মেট্রিক টন। একই সময়ে আমদানি করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশের দুটি কোম্পানি ত্রিপুরাতে এলপিজি রফতানির জন্য সম্প্রতি এমওইউ স্বাক্ষর করছে।

রাষ্ট্রীয় কোম্পানি দেশের মোট চাহিদার মাত্র দুই শতাংশ এলপিজি সরবরাহ করে। অবশিষ্ট ৯৮ শতাংশ এলপি গ্যাস দেশের প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান যমুনা, বসুন্ধরা, ওরিয়ন, ওমেরা, নাভানা নিজ নামে এবং আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ক্লিনহিট, টোটাল, পেট্রোম্যাক্স, লাফার্স, জি-গ্যাস, ডেলটা নামে বাজারজাত করছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, সরকার বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ করেছিল, যাতে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বোতলের গায়ে লিখে দেয়া হয়। তারা সহজেই এটি করতে পারে। এতে গ্রাহক এলপিজি সঠিক দামে কিনতে পারবেন। দেশের প্যাকেটজাত সব পণ্যেই সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেখা থাকে। কিন্তু এলপিজি সিলিন্ডারের গায়ে দাম লিখতে ব্যবসায়ীরা রাজি হচ্ছেন না। তারা বলছেন, যেহেতু আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর বিষয়টি নির্ভরশীল, তাই এলপিজির মূল্য এভাবে লিখে দেয়া সম্ভব নয়।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, যেকোনো খাতে সরকারি কোম্পানি থাকে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। সরকারি কোম্পানি চাহিদার সিংহভাগ সরবরাহ করবে। যেটুকু পারবে না, সেটা বেসরকারি কোম্পানি বা ব্যবসায়ীরা করবে। কিন্তু আমাদের দেশে উল্টো চিত্র। দেশে এলপিজি খাত শুধু নয়, প্রকৃতপক্ষে গ্যাস খাত পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বছরের পর পর সরকারি এলপিজি কোম্পানির সক্ষমতা, বিপণন ব্যবস্থা আধুনিকায়ন হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরের একটি অংশ অ;নৈ;তিক সুবিধা পাচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে জনগণের। দাম বাড়লে জনগণকে সেটা দিতে হচ্ছে।

অধ্যাপক ড. এম শাসুল আলম বলেন, আবাসিকখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া না দেয়ার বিষয়টিও এলপিজি ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তারা এলপিজির বাজার ধরে রাখতে মরিয়া। অথচ আবাসিক খাতে গ্যাস সংযোগ দিলে সরকারি রাজস্ব বাড়তো। অবৈধ ব্যবহার কমতো। এখন অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার গ্যাস ব্যবহার হচ্ছে। বিশাল অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

বিপিসির আধীনস্থ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘এলপি গ্যাস লিমিটেড’ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর রহমান বলেন, সরকারে সিদ্ধান্ত আছে এলপিজির বাজার সম্প্রসারণের। ইস্টার্ন রিফাইনারী দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন করা হলে তখন এলপিজি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে।

একইসঙ্গে মহেশখালীতে এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অদূর ভবিষতে সেটা বাস্তবায়ন হলে সরকারি এলপিজির উৎপাদন সরবরাহ অনেক বাড়বে। গুণগত মান নিয়ে এক পশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারি এলপিজির গুণগত মান শতভাগ সঠিক।

নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে সুবিধা পেত বিরাট জনগোষ্ঠী। বিশ্লেষকদের মতে, শুধু এলপিজি নয়, পুরো গ্যাস খাত নিয়ন্ত্রণ করছেন ব্যবসায়ীরা। তাই সংশ্লিষ্ট সব ক্ষেত্রেই বঞ্চিত হচ্ছেন গ্রাহকের।বিপিসি চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান বলেন,

কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে হীরা ও সোনা!

যে সাগর সৈকতে বছরজুড়ে সকাল-সন্ধ্যা দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসু মানুষের ভিড় লেগে থাকতো সেখানে এখন জনমানবহীন সুনসান নীরবতা। এতে করে বেকার হয়ে পড়েছেন সৈকতকেন্দ্রিক হাজারো ব্যবসায়ী ও কর্মচারী। তবে এরইমধ্যে কক্সবাজারের মানুষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা সমুদ্র সৈকতে খোঁজা শুরু করে দিয়েছেন হীরা ও স্বর্ণের বিভিন্ন গহনা। দিনভর জেট-স্কির চালক, ছোটখাটো ব্যবসায়ী ও হকাররা হীরা ও সোনা খুঁজছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে হকার ও বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ীরা সোনা ও হীরা খোঁজ করছেন। দিনশেষ মিলছে সোনার আংটি, চেইন বা তারচেয়েও মূল্যবান গহনা। কিন্তু কে কি পাচ্ছে তা কেউই প্রকাশ করছেন না। স্থানীয় ক্ষুদে ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিদিনই তারা স্বর্ণ ও হীরার খোঁজে সৈকতে আসছেন। সেখানকার ডাব ব্যবসায়ী জসিম জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে দুটি আংটি পেয়েছেন, তিনি আরও সোনা খোঁজ করছেন।

স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর বলেন, ‘কিছুদিন আগে একটি আংটি পেয়েছি। পরে শুনি সেটি হীরার আংটি। ২৫ হাজার টাকা দিয়ে সেটি একজন কিনে নিয়েছেন। লকডাউনে টাকাটা আমার খুব কাজে এসেছে। এখন প্রায় প্রতিদিনই সৈকতে আসছি।’ রহিম উদ্দিন নামে একজন গলার চেইন পেয়ে খুশিতে টগবগ করছিলেন। তিনি বলেন, ‘মূলত এগুলো বিভিন্ন সময় পর্যটকদের এখানে হারিয়ে ফেলে যান। অনেকদিন সৈকতে কেউ না আসায় এখন সেগুলো অনেকের চোখে পড়ছে।’

১৯৮৮ সালের পর এবারের বন্যা হবে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী

১৯৮৮ সালের পর বাংলাদেশে এবারের বন্যা সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। দেশে বন্যার পানি এখনও বাড়ছে, তা আগামী মাসের আগে কমবে এমন সম্ভাবনাও কম।মঙ্গলবার জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ওসিএইচএ) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ওসিএইচএ জানিয়েছে, বন্যায় এখন পর্যন্ত দেশের ১৮টি জেলায় ২৪ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়ে সরকারি আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে ৫৬ হাজার মানুষ। এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৫৪ জনের।

এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ বাড়িঘর ডুবে গেছে। বাঁধ ও বাঁধের মতো সুরক্ষা অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।জাতিসংঘ এবং মানবিক অংশীদাররা জরুরি খাবার প্যাকেট, পানি পরিশোধন সুবিধা, স্বাস্থ্যবিধি ও ডিগনিটি কিট এবং জরুরি আশ্রয়ের মতো বিষয়গুলোতে সরকারের প্রচেষ্টায় সমর্থন দিচ্ছে।সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য সম্প্রতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাগুলোকে প্রাথমিকভাবে ৫ দশমিক ২

মিলিয়ন ডলারের তহবিল দিয়েছে ইউএন সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি রেসপন্স ফান্ড।এদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ২১ জুলাই পর্যন্ত দেশের ২০টি জেলার ৯৮ উপজেলার ৬০৩ ইউনিয়ন বন্যা উপদ্রুত। জেলাগুলো হচ্ছে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, ফেনী, শরীয়তপুর, ঢাকা ও নওগাঁ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন বলেন, ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হচ্ছে। এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। আমরা প্রতিদিন অল্প অল্প করে হিসাব করছি। প্রতিদিন সেটি আপডেট করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সম্প্রতি কৃষিমন্ত্রী প্রথম পর্যায়ের ফসলের ক্ষয়ক্ষতির একটা হিসাব দিয়েছেন। কিন্তু সেটি চূড়ান্ত নয়। এখন আবার নতুন করে পানি বাড়ছে। আমরা বন্যা নিয়ন্ত্রণ, আশ্রয়কেন্দ্র, বরাদ্দ নিয়ে এখন ব্যস্ত।

পাশাপাশি কিছু কিছু হিসাব নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন চূড়ান্তভাবে কিছু বলার সময় এখনও আসেনি।বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গতকাল ১৭টি নদীর পানি ২৮টি পয়েন্টে বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। আগামী ২৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

এতে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ধরলা, তিস্তা ও মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদনদীগুলোয় পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া ঢাকার আশপাশের নদনদীর পানি বৃদ্ধি আগামী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটতে পারে।এদিকে বন্যার পানি আবার বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন লাখো পানিবন্দি মানুষ। বন্যাদুর্গত এলাকায় তলিয়ে গেছে স্কুল, হাটবাজার, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এখন নৌকা। অনেকে কলাগাছের ভেলা ব্যবহার করছেন। অধিকাংশ জায়গায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব। বাড়ছে রোগ-ব্যাধি। দেখা দিয়েছে গোখাদ্যের তীব্র সংকট। সরকারের পক্ষ থেকে কোথাও কোথাও ত্রাণ দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম।

পর্যটন সম্ভাবনার এই বছরে পর্যটন শিল্প ধাক্কা খেলো সারা পৃথিবীব্যাপী

২০২০ সাল হবে সারা পৃথিবী ব্যাপী পর্যটনের এক সম্ভাবনাময় ও দ্বার উন্মোচনের বছর। সমগ্র পৃথিবী যখন করোনার ভয়াল থাবায় অ

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দিনকে দিন আভ্যন্তরীণ ট্যুরিজম,একটি ব্যাপক প্রসারমান ব্যবসা বাণিজ্যে পরিণত হতে চলেছিল। পর্যটনের সূত্র মতে যে দেশের আভ্যন্তরীণ ট্যুরিজম সুন্দর অবকাঠামোতে দাঁড়িয়ে যাবে সেখানে বিদেশী পর্যটকদের আগমন ঘটতে থাকবে ব্যাপকভাবে। বস্তুত বাংলাদেশ ইনবাউন্ড ট্যুরিজম ২০১৩ সালে একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বেসামাল এবং শূন্যের কোঠায় নেমে গিয়েছিল। সেখান থেকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ইনবাউন্ড ট্যুরিজম এর একটা চমৎকার ক্ষেত্র তৈরি হতে চলেছিল যার ফলে পর্যটন উদ্যোক্তারাও দিনের-পর-দিন সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজে পেয়েছিল।

সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের আউটবাউন্ড ট্যুর এবং ইনবাউন্ড ট্যুর এর একটি বিশাল বাজার সৃষ্টি হয়েছিল। ধীরে ধীরে এই আউটবাউন্ড ট্যুরের ক্ষেত্রটি সম্প্রসারিত হয়ে সমগ্র দেশের জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল। দেখা গেছে বাংলাদেশের ট্যুরিস্টরা দক্ষিণ এশিয়ার তথা সমগ্র এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ছাড়াও ইউরোপ আমেরিকায় একটি বড় অংশ তাদের ভ্রমণ পিপাসা মেটাতে উদ্ভিদ হতে শুরু করেছিল। অপ্রিয় হলেও সত্য পোশাক শিল্পের মতো বাংলাদেশ বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প একটি বিশেষ স্তরে প্রবেশ করতে যাওয়া ঠিক আগ মুহূর্তে বৈশ্বিক মহামারী করোনার করাল থাবা বিপর্যস্ত করে দিয়েছে বাংলাদেশের সকল নতুন উদ্যোক্তাদের। বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান পর্যটন কর্পোরেশন তার কিছু প্রথাগত দায়িত্ব পালন এই সীমাবদ্ধ ছিল তাদের কর্মকাণ্ডে। যখন থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পর্যটন বিকাশে নতুন উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসছিল ঠিক তখন এই নড়েচড়ে বসেছিল বাংলাদেশের পর্যটন কর্পোরেশন। সেই নড়েচড়ে বসার কারণে ২০১০ গঠিত হয় পর্যটন বোর্ড। যার কর্মকাণ্ড তেমন চোখে পড়ার মতো নয়।

যদিও হাজার ১৯৯৯ সালে পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করা হলেও তার যথাযথ ব্র্যান্ডিং অথবা প্রমোশন দেশব্যাপী তেমন কারো চোখে পড়েনি।যা শুধু সীমাবদ্ধ ছিল রাজধানীর মধ্যেই। বর্তমানে ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে ২০১৫ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা শুরু হয় এই পর্যটন বিকাশ এর সমস্ত কর্মকাণ্ডের এবং সেখানেই নড়েচড়ে বসেন পর্যটন কর্পোরেশন পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল বিভাগ।যার ফলশ্রুতিতে ২০১৬ সালে আবার ঘোষিত হয় পর্যটন বর্ষ এই পর্যটন বর্ষ কে এগিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যটন বোর্ড সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাপক প্রচার প্রচারণায় নেমে তার ক্যাম্পেইন করে একটা সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেবার চেষ্টা করেন।

ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল (বি ইউ টি টি সি) তাদের ২০১৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বিশ্বের যে বৃষ্টি দেশ পর্যটনশিল্পে আগামী সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

আমাদের এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর যার নিজস্ব কোন রিসোর্স নেই বললেই চলে তবুও তাদের নিজের তৈরি করা অবকাঠামো দিয়ে তাদের দেশের জাতীয় আয় করে থাকে এই পর্যন্ত থাকে তার পাশাপাশি তাই অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে জাতীয় এর ৬৫% হংকংয়ের ৫০% ফিলিপিনের ৫০% এবং থাইল্যান্ডের ৪০% জাতীয় অর্জুন এই পর্যটন খাত থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ মালদ্বীপ শ্রীলংকা এবং সুইজারল্যান্ড ভুটান পর্যটনশল্পে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় অবস্থানে রয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত তাদের প্রতিটি প্রদেশকে সমগ্র বিশ্বে তুলে ধরার জন্য আলাদা আলাদা প্রাদেশিক পর্যটন বোর্ড গঠন করে নিজস্বভাবে ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থা করে সমগ্র বিশ্বের পর্যটকদের আকৃষ্ট করে চলেছে এবং তারা তাদের

জাতীয় আয় ২৫% এই পর্যটন খাত থেকে তুলে নিয়েছে ইতিমধ্যে তাদের আগামী বছরগুলোতে লক্ষ্যমাত্রা ৫০ শতাংশ দিকে। ন্যান্য সেক্টরে মত ধাক্কা খেয়ে বেসামাল হয়ে আছে ঠিক তেমনি সবচেয়ে বড় বেশি ধাক্কা লেগেছে পর্যটন বিষয়ক সমস্ত সেক্টরে। হোটেল মোটেল রেস্তোরা বিমান নৌ ও ট্রাভেল এজেন্সি, বুকিং ইঞ্জিন থেকে শুরু করে সমস্ত পর্যটন বিষয়ক ক্ষেত্রে বিশাল ধাক্কা লেগেছে। সে ধাক্কা সামাল দিতে কত দিন লেগে যাবে তা বলা মুশকিল।২০১৯ এর সমীক্ষা অনুযায়ী সমগ্র পৃথিবীতে ধরা হয়েছিল প্রায় ১৯ কোটি মানুষ পৃথিবীতে ভ্রমণ করে বেড়ায়। এবং ২০২০সালে ধরা হয়েছিল এই সংখ্যা ১৬০ কোটিতে গিয়ে দাঁড়াবে পর্যটক এর সংখ্যা। পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে এশিয়ার টুরিস্টের সংখ্যাই ছিল ৭৫%। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সূত্র মতে ২০১৮ সালে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ কর্মরত আছে এই পর্যটন শিল্পে।

মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে কাজ করতে চায় তুরস্ক

মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ...

মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে কাজ করতে চায় তুরস্ক

ইখলাস২৪: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের (এসএমই) উন্নয়নে তুরস্ক কাজ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান।

তিনি বলেন, ‘এসএমই শিল্পখাতে তুরস্কের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দু’দেশের শিল্পোদ্যোক্তারাই লাভবান হতে পারে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন’র সাথে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত এ আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের সাথে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান বলেন, মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে তুরস্ক বাংলাদেশের সাথে আর্থ-সামাজিক সম্পর্ক জোরদারে বিশেষভাবে আগ্রহী।

দুই দেশের অর্থনীতিই দ্রুত বর্ধনশীল এবং শিল্পখাতে বিদ্যমান সম্ভাবনার উপযুক্ত ব্যবহার পারস্পরিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে অবদান রাখতে পারে।

আরো পড়ুন : ৮৬ বছর পর কালকে আয়াডোফিয়ায় জুমা’আর নামাজ অনুষ্ঠিত হবে

এছাড়া দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। বাংলাদেশের এসএমই খাতের উন্নয়নে তুরস্কের সহযোগিতার প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগের মাধ্যমে এসএমই খাতের উন্নয়ন ঘটিয়ে এ সুযোগ কাজে লাগানো সম্ভব।

টেকসই ও প্রযুক্তিনির্ভর এসএমইখাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে জাতীয় এসএমই নীতি প্রণয়ন করেছে।

এসএমই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আশ্বাস দিয়ে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ জানান, এসএমই খাতের উন্নয়নে তুরস্কের যেকোনো ইতিবাচক প্রস্তাব বাস্তবায়নে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সহায়তা দেয়া হবে।

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সংবাদ ‘গুজব’

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সংবাদ ‘গুজব’

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে খবর ছড়িয়েছে তা নিছক ‘গুজব’ বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

‘বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা বোর্ড’ নামক ফেসবুক পেজের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে ‘ঈদের পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার’।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের পাঠানো বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই সংবাদটি ভিত্তিহীন ও গুজব।

‘এ ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের মাধ্যমে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হল। ’

বিজ্ঞপ্তিতি বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যখনই এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তখন সঙ্গে সঙ্গেই গণমাধ্যমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানানো হবে। ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা বোর্ড নামে কোনো বোর্ড নেই।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংসদ টিভিতে ক্লাস প্রচার করছে মন্ত্রণালয়। আর উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা স্তরে অনলাইনে ক্লাস চলছে। কয়েক দফা বৃদ্ধির পর আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি রয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সহসাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে না।

‘আমিরাতে প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হবে’

আরব আমিরাতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর বলেছেন, প্রবাসীদের সার্বিক সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
আমিরাত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র তাই সমস্যা সমাধানে আশা করি, আমরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সমিতি আমিরাতের শারজায় বঙ্গবন্ধু হল উদ্বোধন করেছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি ফিতা কেটে বঙ্গবন্ধু হলের শুভ উদ্বোধন করেন।
সেখানেই তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রবাসীদের সার্বিক সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র তাই সমস্যা সমাধানে আশা করি, আমরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারব।

করোনা সংক্রমণের কারণে প্রবাসীদের অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকের কাছে ভিসা ট্রান্সফারের জন্য এখন টাকা পয়সা নেই। এই সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য আমি এনআরবি ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে স্বল্পমেয়াদী লোনের ব্যবস্থা করে প্রবাসীদের সহায়তা করা যায় কি না বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

তিনি বলেন, আমরা যারা মিশনে কাজ করি, আমরা জনপ্রতিনিধি নই। আমরা হলাম রাষ্ট্রীয় সেবক। তাই বাংলাদেশের সকল শ্রেণি-পেশার লোকদের আমাদের সমান চোখে দেখতে হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলতে হবে।