সর্বস্তরে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক, পরিপত্র জারি

সর্বস্তরে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক, পরিপত্র জারি

সর্বস্তরে মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্দেশনা জারি করেছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে নির্দেশনাগুলো দেওয়া হয়।

পরিপত্রে বলা হয়, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট অফিসে আগত সেবা গ্রহীতারা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

হাসপাতালে মাস্ক ব্যবহার

সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালসহ সকল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে আসা সেবাগ্রহীতারা আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান , মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

শপিং মল

শপিং মল, বিপণি বিতান ও দোকানের ক্রেতা-বিক্রেতা গণ আবশ্যিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করবেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মার্কেট ব্যবস্থাপনা কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

হাট-বাজার

হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাগণ মাস্ক ব্যবহার করবেন। মাস্ক পরিধান ছাড়া ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনও পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করবে না। স্থানীয় প্রশাসন, ও হাট বাজার কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

গণপরিবহন

গণপরিবহনের (সড়ক, নৌ, রেল ও আকাশপথ) চালক, চালকের সহকারী ও যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহনে আরোহণের আগে যাত্রীদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মালিক সমিতি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

গার্মেন্টস ও শিল্প কারখানা

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি সহ সকল শিল্প কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মালিকগণ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, হকার, রিক্সা ও ভ্যানচালকসহ সকল পথচারী মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করবে। হোটেল ও রেস্টুরেন্টে কর্মরত ব্যক্তি এবং জনসমাবেশ চলাকালীন আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরিধান করবেন। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মালিক সমিতি নিশ্চিত করতে হবে।

সকল প্রকার সামাজিক অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান নিশ্চিত করবেন। বাড়িতে করোনা উপসর্গসহ কোন রোগী থাকলে পরিবারের সুস্থ সদস্যগণ মাস্ক ব্যবহার করবেন। এ পরিপত্র বাংলাদেশে বসবাসরত সকলের জন্য প্রযোজ্য।

আক্রান্ত-মৃত্যুর স্তূপে চাপা বিশ্ব

আক্রান্ত-মৃত্যুর স্তূপে চাপা বিশ্ব

মহামারি নভেল করোনাভাইরাসে নাকাল গোটা বিশ্ব। চীনের উহান থেকে গত ডিসেম্বরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার পর যত দিন যাচ্ছে, ততই আক্রান্ত ও মৃতু্যর স্তূপ ভারী হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, এ পর্যন্ত ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ত্রাস ছড়ানো করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ছয় লাখ ছয় হাজার ছাড়িয়েছে। এছাড়া শনাক্ত রোগীও এক কোটি ৪৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

সংবাদসূত্র : বিবিসি, রয়টার্স, আল-জাজিরা জরিপ সংস্থাটির মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। যা বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে শুক্রবার রেকর্ড ষংমফ লাখ ৩৭ হাজার ৭৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছিল। সেখান থেকে আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে আড়াই লাখ ছাড়িয়ে গেল। শুধু আক্রান্ত নয়, মৃতের সংখ্যায়ও হয়েছে নতুন রেকর্ড। এতদিন বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু শনিবার ছাড়িয়ে গেছে সেই পরিসংখ্যানও। এদিন মারা গেছে রেকর্ড সাত হাজার ৩৬০ জন। যা ১০ মে-এর পর একদিনে সর্বোচ্চ মৃতু্য। চলতি মাসে বিশ্বব্যাপী দৈনিক মৃতের গড় চার হাজার ৮০০।

যেটা জুনে ছিল চার হাজার ৬০০। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। শনাক্ত রোগীর সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে সরকারি হিসাবে ২০ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি রোগীর সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা বলা হয়েছে সরকারি ভাবে, মৃতু্যর সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেছে ৭৮ হাজার। লাতিন আমেরিকার এ দেশটির প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনেরোর দেহে কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে। কট্টর ডানপন্থি এ প্রেসিডেন্ট প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধিনিষেধ আরোপের বিরোধী ছিলেন। মতের মিল না হওয়ায় দুই দফায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীও বদলেছেন তিনি।

আফ্রিকা মহাদেশে সবচেয়ে নজুক অবস্থায় পড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা শনিবার সাড়ে তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গেছে প্রায় পাঁচ হাজারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে হাত ধোয়া ও মাস্ক পরার নির্দেশনা মানার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারকে সংক্রমণ প্রতিরোধে বিধিনিষেধসহ আগ্রাসী ব্যবস্থা নিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাগিদ দিয়ে যাচ্ছেন। করোনায় প্রথম মৃতু্য নথিবদ্ধ হয়েছিল চীনের উহানে। এরপর বিশ্বজুড়ে মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে কোভিড-১৯ এ মৃতু্যর সংখ্যা অত্যন্ত প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ ম্যালেরিয়ার বার্ষিক মৃতু্যর সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রে মৃতু্য ১ লাখ ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এদিকে, করোনা মহামারিতে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা এক লাখ ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশটির ৫০টি রাজ্যের মধ্যে ৪৩টিতে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে, তার মধ্যেই শনিবার দেশটিতে করোনায় মৃতু্য আরেকটি দুঃখজনক মাইলফলক পার হলো। ওয়ার্ল্ডোমিটারের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ এ মৃতু্যর সংখ্যা এক লাখ ৪২ হাজার, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৮ লাখ ছাড়িয়েছে। গত জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ফের আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করে, এর ছয় সপ্তাহ পর এখন মৃতু্যর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। প্রতি সপ্তাহেই সেখানে প্রায় পাঁচ হাজার জনের মৃতু্য হচ্ছে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ কানাডায় মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতু্য হয়েছে ৮ হাজার ৮০০ জনের। মাত্র এক সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র প্রায় পাঁচ হাজার ৬০০ মৃতু্য রেকর্ড করেছে, যা চলতি বছরের প্রথমদিকে মহামারি শুরুর পর থেকে সুইডেনের মোট মৃতু্যর সমান।

যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আক্রান্ত কাউন্টিগুলোর কর্মকর্তারা মর্গগুলোতে মৃতদেহ রাখার মতো জায়গা পাচ্ছেন না। বৃহস্পতিবার অ্যারিজোনার মারিকোপা কাউন্টির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে এমনটি ধরে নিয়ে মর্গের ধারণ ক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি করার পদক্ষেপ নিয়েছেন তারা। টেক্সাসের সান অ্যান্তোনিও ও বেক্সার কাউন্টি কর্তৃপক্ষ ১৮০টি মৃতদেহ রাখার জন্য পাঁচটি ‘রেফ্রিজারেটেড ট্রেইলার’ সংগ্রহ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিছু রাজ্যে মহামারি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সংক্রমণের এমন ঊর্ধ্বগতিতেও অবশ্য টলানো যাচ্ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে সংক্রমণ না কমা পর্যন্ত মার্কিনিদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার নির্দেশ দিতে তাকে রাজি করানো যায়নি।

করোনা সংক্রমণের মধ্যে বর্ষায় ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে যা করণীয়

প্রকৃতিতে এখন বর্ষাকাল চলছে। এ সময় বৃষ্টিতে ঘরে কাদার ছাপ, স্যাঁতসেঁতে মেঝে বা দেওয়াল, পোকামাকড়ের উৎপাত লেগেই থাকে।। এ কারণে বর্ষায় ঘরবাড়ির দিকে আলাদা নজর দিতে হয়। তার উপর এ বছর যোগ হয়েছে করোনা। তাই ঘর জীবাণুমুক্ত রাখতে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

করোনা সংক্রমণের এই সময় ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন। যেমন-

১. বর্ষার এই সময় যখন তখন বৃষ্টি শুরু হতে পারে। তাই দরজা ও জানলার কাছ থেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে রাখুন কাঠের আসবাবপত্র। বর্ষার পানি থেকে বাঁচার এটাই সেরা উপায়।

২. বাড়িতে কার্পেট থাকলে এ সময় তা গুটিয়ে রাখুন। এতে কার্পেট ভিজে যাওয়ার ভয় কম থাকে। কাদার দাগ লাগার শঙ্কাও দূর হয়। এমনিতেই ভারী কার্পেট পরিষ্কার করা খুব কষ্টসাধ্য। একান্তই কার্পেট রাখতে চাইলে আজকাল বাজারে অনেক স্পঞ্জি, পানি শোষণ ক্ষমতাযুক্ত কার্পেট পাওয়া যায়। বর্ষায় সে গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

৩. আলমারির ভিতর স্যাঁতসেঁতে ভাব কাটাতে জীবাণুনাশক ন্যাপথলিন রাখতে পারেন। খানিকটা নিমপাতাও রাখতে পারেন। নিম এক দিকে যেমন জলীয় ভাব কাটায়, অন্য দিকে স্যাঁতস্যাতে গন্ধও দূর করে।

৪. এ সময় চাদর, পর্দা সব কিছু পরিষ্কারের ক্ষেত্রে আস্থা রাখুন ড্রাই ক্লিনিংয়ে। কারণ এগুলো ভেজা থাকলে দুর্গন্ধ ছড়াবে অচিরেই। সেখান থেকেও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হতে পার।

৫. বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় বাড়ির সদস্যদের স্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রাখুন। ভুল করেও ঘরের আশেপাশে, টবে পানি জমতে দেবেন না। মশা ও অন্যান্য পোকামাকড় তাড়াতে কীটনাশক ব্যবহার করুন। এক দিন পর পর ব্লিচিং পাউডার ও কার্বলিক অ্যাসিড ছড়ান বাড়ির চার পাশে। এছাড়া করোনা সংক্রমণ এড়াতে বাড়ির মেঝে, যেসব জায়গা বেশি স্পর্শ করা হয় সেখানে পানিতে ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে পরিষ্কার রাখুন।

৬. বর্ষা আসার আগেই বাড়ির ছাদ, মেঝে ও দুই দেওয়ালের সংযোগস্থল পরীক্ষা করা উচিত। মহামারিরর এই সময় অনেকেই হয়তো বাইরের লোক ডাকতে পারছেন না। তবে কোথাও কোনও ফাটল বা আর্দ্রতা জমতে দেখলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

ডিজিটাল হাট ডিজি-কাউ

ডিজিটাল হাট ডিজি-কাউ

গোটাবিশ্বে করোনার কালো থাবা উৎসবগুলোকে করেছে মলিন। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় আনন্দের দুটি ঈদের একটি পবিত্র ঈদুল আজহা। এবারের ঈদুল আজহার দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে উদ্বেগ উৎকণ্ঠাও বেড়েছে কোরবানির পশু কেনা নিয়ে।

সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশেও মানুষ যখন চিন্তা করছে কিভাবে পশু কেনার কাজটা নিরাপদ দূরত্ব মেনে সহজে করা যায়, ঠিক তখনই অনলাইনে কোরবানির পশুর হাটের আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে অনলাইনে সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার সদাগর.কম (https://www.shodagor.com/product-category/digital-kurbani-hut)-এর ভিন্ন উদ্যোগ। তাদের জনসংযোগ বিভাগ এর নাম দিয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল গরুর হাট ‘ডিজি-কাউ’।

সদাগর ডট কমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ চৌধুরী জানান, কোভিড-১৯ প্যান্ডামিকে সবার স্বাস্থ্য নিরাপত্তা এবং সামাজিক দূরত্বের কথা বিবেচনায় রেখেই এই আয়োজন। খামারিদের মাঝে এই উদ্যোগ নতুন আশার আলো জাগিয়েছে; ব্যাপক সাড়াও জাগিয়েছে। ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছেন শতাধিক খামারি। সেইসঙ্গে দেশ বিদেশ থেকে যোগাযোগ করছেন অসংখ্য ক্রেতা। এক্ষেত্রে প্রথমে আমরা খামারিদের যুক্ত করছি এবং পশুর ছবি, লাইভ ভিডিও, ওজন, বয়স, দাম— এসব তথ্য সাইটে আপলোড দিচ্ছি।

ক্রেতাদের জন্য এই হাট শুরু হয়েছে ১৩ জুলাই থেকে। কোরবানির পশু হোম ডেলিভারি শুরু হবে ২০ জুলাই থেকে।

জানা গেছে মহাবিশ্বের সঠিক বয়স!

জানা গেছে মহাবিশ্বের সঠিক বয়স!

মহাবিশ্বের বয়স কত? জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নটি নিয়ে কয়েক দশক ধরে বিতর্ক করছেন। একেক পক্ষ একেক দাবি করেছেন।

সামপ্রতিক বছগুলোতে নতুন বৈজ্ঞানিক পরিমাপের মাধ্যমে গবেষকরা বলে আসছেন মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন (১ হাজার ৩৮০ কোটি) বছরের চেয়ে কয়েক লাখ বছর কম।

কিন্তু নিউ ইয়র্কের স্টনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দলের ধারাবাহিক একটি গবেষণাপত্রে প্রকাশিত নতুন গবেষণায় দেখা গেছে যে, মহাবিশ্বের সঠিক বয়স প্রায় ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন বছরই।

চিলির আতাকামা কসমোলজি টেলিস্কোপ (এসিটি) থেকে প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণগুলো ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক পদ্ধতিতে বিজ্ঞানীরা এই বয়স নির্ণয় করেছেন। তাদের দাবি, এটাই মহাবিশ্বের মোটামুটি সঠিক বয়স। তাদের গবেষণার এই প্রাপ্ত ফল প্রাচীন অনেক উপাত্তের সঙ্গে মিলে যায়।

এসিটি গবেষণা দলটি সাতটি দেশের ৪১টি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। স্টনি ব্রুক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেহগালের নেতৃত্বে কলেজ অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস এর পদার্থবিজ্ঞান এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের একটি দল এই গবেষণার অংশ হিসাবে মহাজাগতিক মাইক্রোওয়েভের পটভূমি (সিএমবি) বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা বিগ ব্যাংয়ের পরের সেই বহুল আলোচিত বিচ্ছুরণ।

গবেষণাপত্রের সহলেখক প্রফেসর শেহগল ব্যাখ্যা করে বলেন, স্টনি ব্রুকের গবেষক দলের নেতৃত্বে কাজ করে আমরা মহাবিশ্বের সেই শৈশবের চিত্রকে তার ‘মূল অবস্থায়’ উদ্ঘাটন করতে পেরেছি। সেই চিত্র দেখে আমরা কীভাবে আমাদের মহাবিশ্বের জন্ম হয়েছিল তা আরো পুরোপুরি বুঝতে পারছি।

মহাবিশ্বকে এভাবে চিত্রিত করতে পারা আমাদের অন্যতম অর্জন। এটি ভবিষ্যতের বিজ্ঞানীদের মহাবিশ্বের উত্পত্তি সম্পর্কে আরো নিখুঁতভাবে বুঝতে সাহায্য করে। অদূর ভবিষ্যতেই হয়তো মানুষ জানতে পারবে আমরা কোথায় আছি, কীভাবে এটি এলো, গ্যালাক্সিগুলো কোথায় চলেছে, মহাবিশ্বটি কীভাবে শেষ হতে পারে এবং কখন যে শেষ হতে পারে। —দ্য সায়েন্স

ফ্রি ফেসবুক বন্ধ

ফ্রি ফেসবুক বন্ধ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিনামূল্যে অথবা নামমাত্র মূল্যে মোবাইল অপারেটরগুলোর যেসব ইন্টারনেট প্যাকেজ দিচ্ছিলো সেগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক চিঠিতে ১৫ জুলাই থেকে মোবাইল অপারেটরগুলোকে এসব বন্ধ করতে বলেছে।

চিঠিতে বলা হয়, টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী অপারেটরসমূহ তাদের গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত সেবা আংশিক বা কোনো ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করে বাজারে অসুস্থ প্রতিযোগিতা করছে। এসব ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়ার সেবা নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

এদিকে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন শনিবার তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, ফেসবুক সংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিনামূল্যের অফার বন্ধ করেছে তারা।

ভারী বর্ষণ ফের বাড়াবে বন্যার ভয়াবহতা

ভারী বর্ষণ ফের বাড়াবে বন্যার ...

দেশের সকল বিভাগেই ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এদিকে বর্তমানে দেশের ১৬টি জেলা বন্যায় আক্রান্ত। ১৩টি নদীর পানি ২১টি পয়েন্টে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরই মধ্যে উজানে ভারত সংলগ্ন বিভিন্ন অংশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ কারণে আবারও বন্যার পানি অতি দ্রুত বাড়তে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ২১ জুলাই থেকে ৪ দিন পুনরায় ভারতের আসাম, হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে একইভাবে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, পূর্বাভাস তথ্যমতে আগামী ২০ জুলাই থেকে ৪ দিন উজানে প্রায় ৮০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে; যা দেশের নদ-নদীতে পানির চাপ বাড়াবে। তবে পানি বাড়লেও আগামী ২৬-২৭ জুলাই থেকে পদ্মার পানি অব্যাহতভাবে হ্রাস পাওয়া শুরু করতে পারে। জুলাই মাসের শেষ বা আগস্টের প্রথম সপ্তাহে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।

সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা জানিয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, পদ্মা নদীর পানি ইতোমধ্যে হ্রাস পাওয়া শুরু করেছে, ফলে আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে মধ্যাঞ্চলের জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি আশা করছি। চলতি বন্যায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বড় কোনো ভাঙন হয় নাই। মন্ত্রণালয় এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জনবল নিয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুত আছে।

জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভারতের আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ৪ দিনে প্রায় ৯০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। ফলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বন্যা সৃষ্টি হয়; যা পদ্মা নদীর মাধ্যমে নামার সময় দেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত জেলাসমূহ রাজবাড়ী, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি করে।

এসিডিটি হলে কী খাবেন

ছবি সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে এসিডিটি খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এখন অনেকেই এসিডিটি সমস্যায় ভুগছেন। এসিডিটি হলে পেটব্যথা, বমি, গ্যাস ও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি কী?

গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি হলো– পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এবং অবশেষে ক্ষতের সৃষ্টি করা। সাধারণত অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারে এটি বেশি হতে পারে। কারণ এসব খাবারকে হজম করতে অতিরিক্ত অ্যাসিডের দরকার হয়। ফলে অনেক হাইড্রোজেন ক্ষরিত হয়ে ক্লোরিনের সঙ্গে মিলে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তৈরি করে।

এ অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি হলে আমাদের পাকস্থলীর চামড়া ভেদ করে এবং আলসার (ঘা) তৈরি হয়, তখন আমরা ব্যথা অনুভব করি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রো এন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. চঞ্চল কুমার ঘোষ বলেন, নিয়ম মেনে খাবার না খাওয়া, অতিরিক্ত ঝাল মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া মানসিক চাপ ও মদ্যপানের কারণে এই রোগ হয়ে থাকে।

এ ছাড়া বাইরের খাবার খাওয়া ও অতিমাত্রায় ফাস্টফুডে আসক্তির কারণে যে গ্যাস্টিক সমস্যা বাড়ছে।

এ রোগের লক্ষণ

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে খিদে কম পায়, পেটে গ্যাস হয়, বুক জ্বালা করে এবং পেটের মাঝখানে চিনচিনে ব্যথা, বুক ও পেটে চাপ অনুভূত করা, হজমে অসুবিধা ও বমি হতে পারে।

এসিডিটি বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়ে থাকেন হয়তো। তবে আপনি জানেন কি ঘরোয়া কিছু উপায়ে আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

কী খাবেন

এসিডিটি হলে প্রথমেই এক গ্লাস পানি পান করে নিন। পানি অ্যাসিডকে নিষ্ক্রিয় করে পাকস্থলী থেকে বের করে দেয়। কয়েক টুকরো আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া দুই থেকে তিনটি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চিবাতে থাকুন।

এই রোগ থেকে বাঁচতে কী করবেন-

১. সঠিক সময়ে খাবার খান, অতিরিক্ত ঝাল-মসলা ও তেলেভাজা খাবার পরিহার করুন।

২. চাহিদামাফিক বিশুদ্ধ পানি পান করুন।

৩. সহজপাচ্য, সুষম ও আঁশযুক্ত খাবার খান। খাবার ভালো মতো চিবিয়ে খান।

৪. নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করুন ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন।

৫. খালি পেটে চা, কফি, কলা, লেবু ও কোমল পানীয় খাবেন না।

৬. ধূমপান, মাদকদ্রব্য ও অ্যালকোহল বর্জন করুন।

৭. ঠাণ্ডা দুধ পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে ও এসিডিটি থেকে মুক্তি দেয়।

৮. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না।

রাতভর বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটুপানি

রাতভর বৃষ্টিতে সড়কে হাঁটুপানি 

রাতভর টানা বৃষ্টিতে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও হাঁটু পর্যন্ত পানিতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে।

রোববার রাত থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। আজ সকালেও মুসলধারে বৃষ্টি পড়তে থাকে। টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত। কোথাও কোথাও সড়কে হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা যায়।

সকালে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে পানি মাড়িয়ে যানবাহন চলতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও পানিতে যানবাহন বিকল হতেও দেখা গেছে। এতে যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে।

রাজধানীর মতিঝিল, ধানমণ্ডি, কারওয়ানবাজার, ফার্মগেট, নিউমার্কেট, সংসদ ভবন এলাকা, মালিবাগ, রামপুরা, পুরান ঢাকা, মিরপুর, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, শান্তিনগর, বাড্ডা ও খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কে পানি উঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

শুধু প্রধান সড়কই নয়, বিভিন্ন অলিগলি ও বাসাবাড়িতেও পানি উঠেছে বলে জানান নগরবাসী।

ধানমণ্ডি থেকে আসা এক সংবাদকর্মী জানান, সড়কে হাঁটুপানি। অনেক পথ ঘুরে ভিজে অফিস আসতে হয়েছে। এ কারণে অনেক সময় দেরি হয়ে গেছে।

এদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে– রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে এ অধিদফতর।

আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে।

এক সামুদ্রিক সতর্কবার্তায় বলা হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর পুনঃ ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস, বন্দরে ৩ নাম্বার সতর্ক সংকেত

ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস, বন্দরে ৩ নাম্বার সতর্ক সংকেত

উপকৃলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নাম্বার স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সেই সঙ্গে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকার জন্য এসেছে ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস।

আবহাওয়া অফিস বলছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

এর প্রভাবে সোমবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়সহ হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রংপুরে দেশের সর্বোচ্চ ১৯৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ১৯ মিলিমিটার।

রবিবার যশোরে দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, ঢাকায় তাপমাত্রা উঠেছিল ৩৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ।

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন উপকৃলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৩ নাম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।