পাহাড়ী এলাকার ডেলিভারি বয়

পাহাড়ী এলাকার ডেলিভারি বয়

কলম্বিয়ার পাহাড়ী এলাকার মানুষের কাছে হিরো হিসেবে পরিচিত চকলেট রঙের ল্যাব্রাডর এরস (আট বছর)। সে তার মুখে এক ঝুঁড়িতে তরকারি ও ফল নিয়ে বাড়ি বাড়ি ডেলিভারি করে। দেশটির সরকার সামাজিক দূরত্ব বজার রাখার কথা চিন্তা করে কাউকে বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না। ওই এলাকার কয়েকটি বাড়ির বাজার করে দেয়। এল পরভানির মিনি মার্কেটের খরিদ্দারদের আর কোন চিন্তা নেই।

মালিককে ফোন করে দিলে ঠিক সময়ে এরস জিনিস নিয়ে পৌঁছে যাবে তার বাড়ি। তবে খাবার ডেলিভারি করার পর আদর না করলে বা কোন উপহার না দিলে সে খদ্দেরের বাড়ি ছেড়ে বের হয় না। এরসের মালিক মারিয়া নাটিভিদাদ বোতেরো বললেন, সে ছিল বলেই আমাদের কষ্ট কমে গেছে। না হলে পাহাড়ী পথ ধরে কিভাবে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দিতাম। এরসকে প্রথম প্রথম মেনে নেয়নি বোতেরো পরিবার। যদিও ছেলের চাপে পড়ে এরসকে ঘরে ঢুকতে দিতে হয়েছিল মারিয়াকে।

তারপরও ভালবাসতে বেশি সময় লাগেনি। চার বছর আগেই যখন তিনি মিনি মার্কেট খুললেন, তখন থেকেই শুরু হলো এরসকে ডেলিভারির প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ। এরস ঠিকানা পড়তে পারে না। বোঝে শুধু মালিকের ভাষা আর খদ্দেরদের নাম। তার গলায় ঝুঁড়ি ঝুলিয়ে দিয়ে খদ্দেরের নাম বলে দিলেই সে লাফাতে লাফাতে তার বাড়ি চলে যায়। খাবার ছাড়াও ওই ঝুঁড়িতে থাকে মূল্য তালিকা। খদ্দেররা সেটি পড়ে বোতেরোর ব্যাংক এ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠিয়ে দেয়। কলম্বিয়ায় প্রত্যেক দিন তিন হাজার করে নতুন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। যথারীতি সরকার ফের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। ডেলিভারি বয়ের খুব প্রয়োজন এই সময়ে। সেই কাজটিই খুশি মনে করছে এরস নামের কুকুর। -নিউইয়র্ক পোস্ট

প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ না বাড়ানোর ঘোষণা আরব আমিরাতের

New local GBO club in Dubai – Global Business Owners

প্রবাসীদের যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তা আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর আগে করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে ভিসাগত সমস্যায় যারা পড়েছেন তাদের সুবিধার্তে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল দেশটি। তবে এবার দেশটির মন্ত্রিসভার এক বৈঠকের পর সেগুলো বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ।

খবরে বলা হয়, গত ১লা মার্চ থেকে ৩১শে মার্চের মধ্যে আরব আমিরাতে বসবাসকারী যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদের ভিসার মেয়াদ এ বছরের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিল আরব আমিরাত। পরবর্তীতে সেটি কমিয়ে ৩ মাসে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু মন্ত্রীসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, এই সুবিধাও আর থাকছে না দেশটিতে। ফলে বড় ধরণের ঝামেলায় পরে যেতে পারেন দেশটিতে থাকা প্রবাসীরা এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। মন্ত্রীসভার বৈঠকে নেয়া হয়েছে আরো কিছু সিদ্ধান্ত।

তবে দেশটি জানিয়েছে, যেসব প্রবাসী ভিসা নেয়ার পর আরব আমিরাতের বাইরে ছিলেন তাদের ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে। তারা চাইলে ভিসা নবায়ন করতে পারবেন। আরব নিউজ জানিয়েছে, গত শুক্রবার মন্ত্রীসভার বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেয়ার পর তাৎক্ষনিকভাবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

ইতালি ফেরতদের নেওয়া হলো হজ ক্যাম্পের কোয়ারেন্টিনে

 

শুক্রবার ভোররাতে ইতালি থেকে ফেরত পাঠানো কাতার এয়ারওয়েজের বিমানটি ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। এর পরে সেখানে থাকা ১৪৭ জন যাত্রীকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের উদ্দেশ্যে আশকোনা হজক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদ উল আহসান জানান, শুক্রবার ভোররাতে আসা বিমানটির যাত্রীদের নিয়মমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। আশকোনা কোয়ারেন্টিন সেন্টারের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক স্ক্যানিং শেষে ফেরত আসা কোনো যাত্রীর মধ্যে কভিড-১৯-এর কোনো ধরনের উপসর্গ পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, ক্যাম্পে যাওয়ার পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ক্যাম্পে থাকা চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করা হবে, ফেরত আসা যাত্রীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে কি না।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে হজ ক্যাম্পে থাকা একজন জানান, ফেরত আসার পর তাদের কোনো ধরনের পরীক্ষা করা হয়নি। কখন পরীক্ষা করা হবে সে সম্পর্কেও কিছু জানানো হয়নি তাদের।

গত ৭ জুলাই বাংলাদেশ থেকে যাওয়া যাত্রীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক করোনাভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তি পাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে সব ফ্লাইট এক সপ্তাহের জন্য নিষিদ্ধ করে ইতালি। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বাংলাদেশিদের নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট রোমে যাওয়ার পর বিমানটি ফেরত পাঠায় ইতালি কর্তৃপক্ষ। পরে ইতালি থেকে ফেরত পাঠানো ওই বাংলাদেশিদের বাংলাদেশে ফেরত আনার পর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আয়েশা আক্তার জানান, উপসর্গ না থাকলে ফেরত আসা ব্যক্তিরা বাড়িতে থাকতে পারবেন। কিন্তু তাদের কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করা হবে এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হবে।

জাদুঘর থেকে পুনরায় মসজিদে রুপান্তর হলো তুরস্কের হায়া সোফিয়া

অবশেষে মসজিদে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে তুরস্কের বিখ্যাত স্থাপনা হায়া সোফিয়া। শুক্রবার তুরস্কের আদালতের এক রায়ের পর এই সংক্রান্ত ডিক্রি স্বাক্ষর করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

এর ফলে, এখন থেকে সেখানে নামাজ আদায় করতে পারবেন মুসলিমরা। খবর তুরস্ক ভিত্তিক গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড’র।

বাইজান্টাইন সম্রাট জুস্টিনিয়ান এক’র তত্ত্বাবধানে ৫৩৭ সালে অর্থোডক্স গীর্জা হিসেবে গড়ে উঠেছিল হায়া সোফিয়া। ১৪৫৩ সালে অটোমানরা ইস্তাম্বুল জয়ের পর এটিকে মসজিদে রূপান্তর করা হয়।

তারপর ১৯৩৪ সালে খেলাফতের পতনের পর আধুনিক তুরস্কের স্থপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক হায়া সোফিয়াকে জাদুঘরে রূপান্তর করেন। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে নামাজ আদায়ের দাবি জানিয়ে আসছে তুর্কি মুসলিমরা।

হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রুপান্তর করার শুনানির রায়ে দেশটির আদালত ১৯৩৪ সালে হায়া সোফিয়াকে জাদুঘরে রুপান্তরিত করে দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলেও উল্লেখ করেন।

আদলতের রায়ের পর দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেন, মসজিদে রুপান্তরিত হওয়ার পর হায়া সোফিয়া আগের মতোই বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে। একইসাথে তুরস্কের ব্লু মসজিদ, ফেতিহ ও সোলাইমান মসজিদের মতো অন্যান্য বিখ্যাত মসজিদের মতো এটি নিয়মিত দর্শনার্থীদের জন্যও খোলা থাকবে।

নেপালে বন্ধ ভারতের সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার

নেপালে বন্ধ ভারতের সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার

সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডা চালানোর অভিযোগে ভারতীয় সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে নেপাল। তবে দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভারত সরকারও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

যদিও নেপাল সরকার বলছে, তাদের এখতিয়ার থাকলেও এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনও নির্দেশনা দেয়া হয়নি। দেশটির ক্যাবল অপারেটররা নিজেরাই ভারতীয় চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছেন।

দেশটির কেবল টিভি অপারেটররা জানান, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে ক্রমাগত নেপাল বিরোধী মিথ্যে খবর ও কুৎসা প্রচার করণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। ভারতের সংবাদ মিডিয়াগুলো যেসব খবর সম্প্রচার করেছে, তা নেপালের জাতীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এ কারণে এগুলো আর চালানো হবে না। তবে এমন সিদ্ধান্তের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোন চাপ ছিল কিনা এমন প্রশ্নের কোন উত্তর তারা দেননি।

সম্প্রতি ভারতের দখলে থাকা কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধাউরা নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত নতুন মানচিত্র পাশ করেছে নেপালের সংসদ। এরপর থেকেই দেশ দুটির সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদে ইতালিতে সমালোচনায় বাংলাদেশিরা, ফেইসবুকে ক্ষোভ

বাংলাদেশের করোনা সার্টিফিকেট নিয়ে ইতালির গণমাধ্যমে জালিয়াতির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সেখানে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশিরা। দেশটির সংবাদমাধ্যম গত দুদিন ধরে এ নিয়ে বেশ সরগরম। ফলে বড় ধরনের ইমেজ সংকটে পড়েছেন প্রবাসীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে। যাদের কারণেই দেশটিতে বাংলাদেশের শ্রমবাজার গুরুতর ঝুঁকেতে পড়েছে তাদের কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে ফেইসবুকে।

ইতালিতে কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ৩৬ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল। এরপর বাংলাদেশিদের ইতালিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। বুধবার রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট থেকে ১২৫ জন বাংলাদেশিকে নামতেই দেয়া হয়নি। তাদের আবারো ফেরত পাঠানো হয়।

ফেইসবুকে মোহাম্মাদ আরিফুর রহমান লিখেছেন, ‘‘বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে খাটো করার অপরাধে রিজেন্টের মালিক সহ স্বাস্থ্য মন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য সচিবের গ্রেফতার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জোর দাবি জানাচ্ছি। দেশটা কারো বাবার না।যে যখন ইচ্ছা খামখেয়ালি করে দেশটাকে বিশ্বের দরবারে ছোট করবে!’’

শ্যামল ক্রিষ্ণ মজুমদার লিখেছেন, ‘‘টেস্ট না করিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে গিয়ে ওখানে গিয়ে নামার পর ইতালি কতৃপক্ষ টেস্ট করে পজেটিভ পেয়েছে, তাদের কারনে সমগ্র বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ প্রশ্নের সম্মুখীন। দেশে ফেরায় পর প্রত্যেককে চরম শাস্তি দেয়া উচিৎ।’’

মুরতুজা চৌধুলী লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের করোনা পরীক্ষার ডাটাবেজ তৈরি হলোনা কেন? ডাটাব্যাজের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভাবে নমুনা সংগ্রহ ও টেস্টের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ ও তালিকা সংরক্ষণ করা হলে জালিয়াতি করার সুযোগ থাকতো না। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলি কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগকে কেন ডিজিটালাইজ করা হলোনা?’’

মো. তাজ মোহাম্মাদ লিখেছেন, ‘‘সরকারের উচিত একটি নির্দিষ্ট হাসপাতালে প্রবাসীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করা। না হলে আস্তে আস্তে আমাদের প্রবাসীদের সব দেশের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।’’

রাসেল শেখ লিখেছেন, ‘‘চিন্তা করুন কতটা ভয়ঙ্কর মুখোশধারী এরা! এরকম মুখোশধারী সাহেদ একজন নয়।আমাদের চারপাশে এরকম শত হাজার মুখোশধারী সাহেদ আছে।যারা চেতনার দোহাই দিয়ে তেলাবাজি দালালির সুরে সুন্দর সুন্দর বয়ান করে উপরে ভাল মানুষ সেজে ভিতরে ভয়ঙ্কর মুখোশ পরিধান করে আছে।’’

বেলাল হোসাইন লিখেছেন, ‘‘ইতালি থেকে ফেরত আসা মাত্র উনাদেরকে জিজ্ঞেস করা হউক কে কোন মেডিকেল থেকে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়েছে?জড়িতদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হউক।’’

মো. বেলাল লিখেছেন, ‘‘সব শেশ করে দিল। আমার মনে হয় এগুলা দেখে অন্যদেশও এখন মুখ ফিরিয়ে নিবে সর্তক হয়ে যাবে। বাংলাদেশের শ্রর্ম বাজারটা ধ্বংসকারিদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হউক।’’’

শাহানার বেগম লিখেছেন, ‘‘লজ্জা, লজ্জা! আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সুনাম নষ্ট করল অথচ এখনও গ্রেফতার হয়নি। জড়িতদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হউক।’’

ইতালির গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র ৩৬ ইউরো বাংলাদেশী টাকায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা হলেই বাংলাদেশে মিলছে করোনামুক্তের ভুয়া সার্টিফিকেট। আর এসব সার্টিফিকেট নিয়েই কয়েক’শ বাংলাদেশী ইতোমধ্যে ইতালি এসেছেন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এখানে বসবাসরত মানুষেরা।

ভাড়া কমানোর পরও ভাড়াটিয়া খুঁজে পাচ্ছেন না বাড়িওয়ালারা

 

ভাড়া কমানোর পরও ভাড়াটিয়া পাচ্ছেন ...

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৪ তলা বাড়ির মালিক আসলাম হোসেন। পরিবারের জন্য এক তলা ও বাকি তিন তলায় ৩টি করে মোট ৯টি ফ্ল্যাট রয়েছে। নিজের জমানো টাকা আর ব্যাংক লোন নিয়ে বাড়িটি বানিয়েছেন তিনি। ভাড়া বাবদ যে টাকা পেতেন তা দিয়ে নিজের সংসার ও ব্যাংক লোন ভালোভাবে চালাতে পারতেন। তবে এখন বিপাকে পড়েছেন। ৯টি ভাড়া দেওয়া ফ্ল্যাটের মধ্যে ইতিমধ্যে দুই মাস যাবত ১টি ফ্ল্যাট ফাঁকা পড়ে আছে ৷ চলতি মাসে আরও একটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া চলে যাবে। আগামী মাসে আরও দুইটি ফ্ল্যাট খালি হবে বলে জানান তিনি। চেষ্টা করেও নতুন ভাড়াটিয়া খুঁজে পাচ্ছেন না।

এদিকে বাকি ভাড়াটিয়াদের জন্য ভাড়ার পরিমাণও কমাতে হয়েছে। এখন বাসা ভাড়া বাবদ যে টাকা পান তা দিয়ে ব্যাংক লোন, পানি-গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল নিজের সংসার, বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীর বেতন গৃহপরিচারিকার বেতন পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন চলতে থাকলে আগামীতে আরও বিপাকে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন আসলাম হোসেন। শুধু আসলাম হোসেন নয় এ চিত্র প্রায় ঢাকার অধিকাংশ বাড়িওয়ালাদের।

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারিতে ভেঙে পড়েছে সারা বিশ্বের অর্থনীতির চাকা। বাদ পড়েনি বাংলাদেশও। এতে করে দুস্থ ও শ্রমজীবী মানুষদের সঙ্গে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন মধ্যবিত্তের মানুষ। এর মধ্যেই কেউ কেউ চাকরি হারিয়েছেন, কারো বেতন কমেছে। নিম্ন ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের আয় কমেছে। অন্যদিকে সাড়ে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কবে খুলবে তারও ঠিক নেই। কর্মহীন হয়ে পড়ায় রাজধানী ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। জানা যায়, ইতিমধ্যে ৫০ হাজারেও বেশি মানুষ পরিবার নিয়ে ঢাকা ছেড়েছেন। এ কারণে রাজধানীর বাসা মালিকরাও পড়েছেন ভাড়াটিয়া সংকটে, বেড়েছে তাদের দুশ্চিন্তা।

মিরপুরের বাসিন্দা আফসানা জেরিন। বাড়ি বাড়া থেকে যে টাকা আসে তা দিয়েই সংসারের যাবতীয় খবর চালান। গত চার মাসের বাড়ি ভাড়ার অধিকাংশই পাননি তিনি। এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান জেরিনের বাবা। বর্তমানে জেরিনসহ পরিবারের তিন সদস্যও করোনায় আক্রান্ত আছেন।

বার্তা২৪.কম-কে জেরিন বলেন, করোনার সময় ভাড়াটিয়ার গ্রামের বাড়িতে চলে যান। এখন কেউ কেউ এসেছেন। এসময়ে তাদেরও কাজ নেই, তারাও নানা সমস্যায় আছে। যার কারণে ঠিকমতো ভাড়া দিতে পারছেন না। মানবিকতার জায়গা থেকে তাদেরকে কিছু বলতে পারছি না। একটা ফ্ল্যাটে শিক্ষার্থীরা থাকতো। ভাড়া দিতে না পেরে বাসা ছেড়ে দিয়েছে তারা। চলতি মাসের শুরুতে তাদের মালামাল নিয়ে গেছে।

তামিলনাড়ুতে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা ওই স্বর্ণমুদ্রায় লেখা, ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই’

তামিলনাড়ুতে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা ওই স্বর্ণমুদ্রায় লেখা, 'আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই'

ভারতের তামিলনাড়ুতে মিলেছে ষষ্ঠ শতকের এক স্বর্ণমুদ্রা। রাজ্যের শিবগঙ্গাই জেলার কালাইয়ার কয়েলের কাছে এলানধাক্কারাইয়ে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা ওই স্বর্ণমুদ্রায় আরবিতে লেখা, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই (দেয়ার ইজ নো গড, বাট গড)।

তামিলনাড়ুর প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ জানিয়েছে, মুদ্রাটি  সিরিয়ার শাসকের তৈরি স্বর্ণমুদ্রা হতে পারে। খবর ভারতের মুসলিম মিরর ও যুক্তরাজ্যের ডেইলি মেইল

মাদুরাই শহরতলির অদূরে কিঝাড়ি ও শিবগঙ্গাই জেলার সীমান্তে খননকার্য শুরু হয়েছিল চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি। লকডাউনের আগে উদ্বোধন করেছিলেন ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পালানিসামি। লকডাউনের জেরে কাজ বন্ধ থাকলেও আবার তা চালু হয়েছে।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক কর্মী জেমিনি রমেশ বলেছেন, ‘এই মুদ্রা প্রমাণ করে মাদুরাই অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম অনেক আগে প্রসার লাভ করেছিল।’ শিক্ষাবিদরা এই এলাকাকে ভাইগাই উপত্যকা সভ্যতার অংশ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

২৩০০ বছর আগের এই সভ্যতার হদিস মেলার পর ২০১৫ সালে এখানে খননকার্য শুরু হয়। মাদুরাইয়ের বাসিন্দা মুহাম্মদ ইউসুফ নামের একজন আইনজীবী বলেছেন, ১৪ শতকে মালিক কাফুরের মাদুরাই জয়ের আগেই ইসলাম পৌঁছেছিল এখানে। আরবের সঙ্গে দক্ষিণ ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল আর পান্ড্য রাজত্ব মুক্তোর জন্য প্রসিদ্ধ ছিল। তার ধারণা, ইসলামের অস্তিত্ব যে এখানে বহু আগে থেকেই ছিল তা খনন চালিয়ে গেলে ক্রমশ প্রকাশিত হবে।