হাটভর্তি গরু ক্রেতা নেই

হাটভর্তি গরু ক্রেতা নেই

রাজশাহীর হাটে গরু ও বিক্রেতা থাকলেও ক্রেতা নেই

উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম পশুহাট সিটি হাট। কোরবানির ঈদের আগে হাটটিতে পা ফেলার জায়গা থাকে না। রবিবার আর বুধবারের সাপ্তাহিক হাট ঈদ মৌসুমে প্রতিদিন বসাতে বাধ্য হন। ঈদকে সামনে রেখে হাটে প্রচুর গরু আসছে। কিন্তু ক্রেতা নেই আগের মতো। ফলে দিন শেষে ক্রেতার অভাবে বিক্রেতারা বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন গরু। ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত বসবে সিটি হাট। কিন্তু ক্রেতা সংকটের কারণে এখনই হতাশায় বিক্রেতারা। গোদাগাড়ী থেকে হাটে গরু নিয়ে আসা রাশিদুল জানান, আগের দুই দিনও হাটে গরু এনেছিলেন। কিন্তু ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন। সামান্য কিছু লাভে বিক্রি করে দিতে চান। তারপরেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।

ইয়াকুব নামের একজন খামারি জানান, আগে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসতেন গরু নিতে। এবার নেই বললেই চলে। স্থানীয় যারা গরু কেনেন, তারা এখনো গরু কেনা শুরু করেননি। এ কারণে হাটে গরু থাকলেও ক্রেতার অভাব। আবার অনেকে আসছেন শুধু দেখেই চলে যাচ্ছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে অনলাইনে গরু কেনাবেচা বেড়েছে। অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে গরু বেচাকেনা করতে পারলে লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাবে খামার মালিকরা এমনটাই বলছেন প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

অনলাইনের মাধ্যমে কোরবানির পশু বেচাকেনা হলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে যেমন রক্ষা পাওয়া যাবে, তেমনি খামার মালিকরা ন্যায্যমূল্য পাবে- এমনটাই বলছেন রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক রুহুল আমিন আল ফারুক। তিনি জানান, খামারিরা অনেকেই ইতিমধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে কোরবানির পশু বিক্রি করতে শুরু করেছেন। তবে এর বাইরে যারা হাটে গরু তুলবেন তাদেরকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটে গরু তুলতে হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.