ঘুরে আসুন লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি

লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি

শত বছরেরও বেশি পুরনো নরসিংদীর লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি। ক্রমবর্ধমান আধুনিকতার ছোঁয়া এড়িয়েও আপন জৌলুসে এখনও দাঁড়িয়ে আছে এই প্রাচীন রাজ বাড়িটি। চমৎকার কারুকার্যময় বাড়িটি ঘুরে আসতে পারেন আপনিও, সাক্ষী হতে পারেন অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্য দর্শনের। রাজধানী শহর ঢাকা থেকে রওয়ানা করে জমিদার বাড়িটি দেখে দিনেদিনেই ফিরে আসতে পারেন। স্বল্প খরচে, স্বল্প সময়ে ঘুরে আসুন চমৎকার এই স্থাপনা।

নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা বাজারে আজও দাঁড়িয়ে আছে জমিদার লক্ষণ সাহার রাজবাড়িটি। শতবর্ষী এই রাজ বাড়িটির কারুকার্যখচিত শৈল্পিক ছোঁয়া সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ২৪টি কক্ষ রয়েছে বাড়িটিতে, আছে নান্দনিক সৌন্দর্য খচিত মন্দিরও। এছাড়া আছে একটি অর্ধ-নির্মিত প্রাচীন বাড়ি। পুরো বাড়িটি উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরাও করা আছে।

প্রাচীরের ভেতরে আছে নানা রকম গাছগাছালি যুক্ত বাগান। আছে জমিদার আমলে তৈরি একটি পুকুর ও সান বাধানো ঘাঁট। পুকুরের চারপাশে নির্মিত চারটি পূজা মন্ডপের মধ্যে এখন মাত্র মঠ টিক আছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, অবহেলার কারণে বাড়িটির বেহাল এক দশা হয়ে আছে। তবুও সবকিছু ছাপিয়ে বাড়িটির অতীত গাম্ভীর্য এখনো চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয়ভাবে বাড়িটি উকিলের বাড়ি হিসেবেও পরিচিত। আহম্মদ আলী নামে এক উকিল বাড়িটি লক্ষণ সাহার উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে কিনে নেন। এছাড়া, লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ি দেখতে এসে দেখা হয়ে যাবে আরও কয়েকটি পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ি।

যেভাবে যাবেন :

দু-দিক দিয়ে যেতে পারেন। গুলিস্তান থেকে মেঘালয় বাসে চরে নামবেন পাঁচ দোনা মোড়। এখান থেকে সিনএনজি বা অটোতে ডাঙ্গা বাজার। এছাড়া, মহাখালী বা কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বিআরটিসি বাসে করে সরাসরি নরসিংদীর পাঁচদোনা নামবেন। বাস ভাড়া ১০০ টাকা।  সেখান থেকে সিএনজি-তে করে ডাঙ্গা গ্রাম বাজার। ভাড়া ৪০ টাকা।তাছাড়া, কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ৩০০ ফিট দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ পার হয়েই মায়ার বাড়ি মোড় নামবেন। সেখান থেকে অটোতে করে যাওয়া যায়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.