লকডাউনে দেরি কেন করোনা শনাক্তদের ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না ফোন নম্বরও বন্ধ। এ জন্য রেড জোনে ম্যাপিং নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে

করোনা প্রতিরোধে ১৭ দিন আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বৈঠক শেষে সংক্রমণ হার অনুযায়ী দেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করে কার্যক্রম গ্রহণের কথা জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সেদিন পর্যন্ত (১ জুন) দেশে করোনায় সংক্রমিত হয়েছিলেন ৪৯ হাজার ৫৩৪ জন। মৃত্যু হয় ৬৭২ জনের। আর গতকাল বুধবার করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ৯৮ হাজার ৪৮৯ জনে পৌঁছেছে। মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩০৫ জনে। আর গতকাল ছিল সংক্রমণের ১০২তম দিন। এ হিসেবে প্রথম ৮৫ দিনে যে পরিমাণ মানুষ আক্রান্ত ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন তার পরবর্তী ১৭ দিনে প্রায় সমান সংখ্যক ৪৮ হাজার ৯৫৫ জন আক্রান্ত এবং ৬৩৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। অথচ জোনভিত্তিক কার্যক্রমের খবর নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র বলছে, এলাকাভিত্তিক ম্যাপিং তারা শুরু করেছেন। তবে অনেককে নির্দিষ্ট ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। আবার অনেকের মোবাইল ফোন ও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক হাজার ব্যক্তির ঠিকানার ঘরে শুধু ঢাকা লেখা রয়েছে। এতে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় এই কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, ম্যাপিং পাওয়ার পর সবকিছু প্রস্তুত করে লকডাউন কার্যকর করতে দুই থেকে তিন দিন লাগবে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্যে জোনভিত্তিক কার্যক্রম শুরু নিয়ে অনিশ্চতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.