রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখলেই আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে জাপান

করোনাভাইরাস হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় জাপানের রাজধানী টোকিও ও এর আশাপাশের তিনটি এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) থেকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টোকিও, চিবা, সাইতামা ও কানাগাওয়া অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি থাকবে।

দেশটিতে করোনার নতুন ধরন শনাক্ত ও সংক্রমণের উচ্চ হার বিরাজ করায় প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে সিএনএন জানিয়েছে। গত বসন্তে জাপানে প্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়, যা এক মাসের বেশি সময় স্থায়ী হয়।

তবে জরুরি অবস্থার মধ্যেও স্কুল খোলা থাকবে বলে জানান তিনি। সুগা বলেন, ‘স্কুল থেকে সীমিত পরিসরে করোনা ছড়িয়েছে। শিশুরা ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্বে দেবে, আমরা তাদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই।’

জরুরি অবস্থার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সুগা ৭০ শতাংশ উপস্থিতি কমিয়ে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজে উৎসাহী করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সংক্রমিত এলাকাগুলোতে বাসিন্দাদের বিনা প্রয়োজনে বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন তিনি।

রেস্তোরাঁগুলো রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া খেলাধুলায় দর্শক উপস্থিতি সীমিত করতে বলেছেন সুগা।

এর আগে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘যেসব রেস্তোরাঁ তাদের খোলা রাখার সময় সীমিত করবে তাদের প্রতি মাসে এক দশমিক ৮ মিলিয়ন ইয়েন বা এক হাজার ৪০০ ডলার করে দেবে সরকার।’

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.