ফ্রিজ খুলে পেলেন লাখ লাখ টাকা

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার জেজু আইল্যান্ডের ওই বাসিন্দা ৬ আগস্ট অনলাইনে একটি পুরোনো ডিপ ফ্রিজ কেনেন। ফ্রিজটি বাসায় আসার পর ভেতরটা পরিষ্কার করছিলেন তিনি। এ সময় ফ্রিজের একেবারে তলায় টেপ দিয়ে মোড়ানো লুকানো অবস্থায় অর্থের বান্ডিল দেখতে পান। সেই অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ১০ লাখ উয়ন (দক্ষিণ কোরীয় মুদ্রা), যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ লাখ টাকা। তবে এ অর্থ পাওয়ার পর পুলিশকে খবর দেন তিনি। পরে পুলিশের কাছে তা তুলে দেন।

পুরোনো ফ্রিজের ভেতর এত অর্থ কীভাবে এল, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। তদন্ত কর্মকর্তারা বলেছেন, ফ্রিজটি অনলাইনে যিনি বিক্রি করেছেন, তাঁকে শনাক্ত করার কাজ চলছে। এ ছাড়া ফ্রিজ পরিবহন ও হস্তান্তরে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলছেন তাঁরা। তদন্তে যুক্ত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পুরোনো ফ্রিজের ভেতর অর্থ পাওয়ার ঘটনা আসলে বিরল। এ রকম ঘটনা তিনি তাঁর চাকরিজীবনে দেখেননি।

দক্ষিণ কোরিয়ার লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড অ্যাক্ট অনুযায়ী, ফ্রিজে পাওয়া অর্থের প্রকৃত মালিক না পাওয়া গেলে যিনি ফ্রিজটি কিনেছেন, তিনি ওই অর্থ পাবেন। তবে এই অর্থের সঙ্গে কোনো অপরাধের ঘটনা জড়িত থাকলে তা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

এদিকে ব্যাংকে সুদের হার কম হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়ায় ফ্রিজের মধ্যে অর্থ রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদপত্র কোরিয়ান টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামান্য সুদের আশায় না থেকে মানুষের মধ্যে ডিপ ফ্রিজে অর্থ রাখার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.