ফকিরহাটে চিত্রা নদীর পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মূখরিত

ফকিরহাটে চিত্রা নদীর পাড়ে দর্শনার্থীদের ভিড়ে মূখরিত

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ঈদ উপলক্ষে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে মূলঘরের গোদাড়া গেট সংলগ্ন চিত্রা নদীর পাড়ে। এখানে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে না উঠলেও মিনি সুন্দরবনকে ঘিরে দর্শনার্থীরা প্রকৃতিক সৌন্দর্য দেখার জন্য ছুটে আসছেন।

যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ফকিরহাট ও চিতলমারীর চিত্রা নদীর দু’পাড়ে বিভিন্ন জাতের অসংখ্য গাছের চারা রোপন করেছে। দর্শনার্থীদের বিভিন্ন স্থানে বসার আসন তৈরী করেছে। যেখানে মানুষ এসে নদীর পাড়ে বসে প্রকৃতিক সোন্দর্য উপভোগ করতে পারেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা দেখা যায়, ঈদের দিন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে এই স্থানটি। নতুন পোশাকে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ এই চিত্রা নদীর পাড়ে আসছেন। ট্রলারে করে মিনি সুন্দরবনে ঘুরে ঘুরে সময় কাটাচ্ছেন।

দর্শনার্থীরা বলেন, গতবার করোনার কারণে ঈদের দিনটি ভালো মতো কাটাতে পারিনি। এবার ঘুরতে এসে খুবই ভালো লাগছে। তাই খুশির মুহূর্ত অনেকেই মোবাইলে ফ্রেমবন্দি করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ হারমোনিয়াম, গিটার ও তবলা নিয়ে গানের আসর বসিয়েছেন। একটু আনন্দ উপভোগ করতে সেখানেও মানুষের ভীড় দেখা গেছে।

এক কথায় হইহুল্লোড়, আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেছে এই চিত্রা নদীর পাড়টি। ঈদ আনন্দে মুখর হয়ে উঠে এখানে।ঈদের দিন বিকাল থেকেই ভিড় বাড়তে থাকে এখানে। পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছুটে আসছেন এখানে।

অনেকে নদীর পাড়ে ও সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। কেউবা টিকটক তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন।

অনেকেই বলেন ঘুরে বেড়ানোর মতো পরিবেশ হয়েছে। খুবই ভালো লাগছে। মিনি সুন্দরবনে ঘুরে বেড়ানোর মত প্রকৃতির সান্নিধ্যে সকলেই নিজেদের উজার করে দিচ্ছেন।

তবে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, এই নদীর পাড়ে মিনি সুন্দরবনকে ঘিরে এখানে বিনোদন কেন্দ্র করা হলে খুব ভাল হবে। দুর-দুরন্ত থেকে এখানে দর্শনার্থীরা আসবেন প্রকৃতির সোন্দর্য উপভোগ করতে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.