পর্যটন শিল্পকে বাঁচাতে দরকার সরকারের আর্থিক প্রণোদনা

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যটন শিল্পকে বাঁচাতে  দরকার সরকারেরআর্থিক প্রণোদনা এবং পর্যটন খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিডি ট্রাভেল নিউজ এর  সঙ্গে কথা বলেছেন, জনাব তৌফিক রহমান সক্রেটোরীজেনারেল প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল এজেন্সি (পাটা) বাংলাদেশ চেপ্টার।

 করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমানে পর্যটন খাতের ব্যবসার কী অবস্থা?

আমি যদি প্রথমেই বলতে চাই বলব যে, করোনার কারণে পুরো বিশ্ব আজক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু সর্ব প্রথমে যে ক্ষতিটা হয়েছে তা হলো পর্যটন শিল্পএবং পর্যটন বিশেষজ্ঞরা ধারনা করছেন করোনার কারণে ট্যুরিজমে যে ক্ষতিহয়েছে তা আগের অবস্থায় ফিরে যেতে সর্বশেষ সময় লাগবে। তারপর বলব যেএই পর্যটন খাত টিক হতে বেশি সময় লাগবে কারণ এই খাতের সাথে অনেক সেক্টর জড়িত যেমন ধরেন এয়ারলাইন্স, হোটেল, এয়ারর্পোট, এই প্রত্যেকটি খাত আগেসর্ম্পূনরুপে ঠিক হতে হবে।

দেশের অভ্যন্তরীন পর্যটনের অবস্থা কী এবং এই নিয়ে আপনারা কী ভাবছেন …

আমাদের দেশে ইতিমধ্যে অভ্যন্তরীন ফ্লাইট  চালু হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম অভ্যন্তরীন পর্যটন চালু হবে। কিন্তু দেখেন ইতিমধ্যে বিমানের কিন্তু ফ্লাইটবাতিল হয়েছে কারণ যাত্রী সংকট। আমরা এই থেকে বুঝতে পারি যে ফ্লাইটের টিকেটের দাম কমিয়ে দিলেও যাত্রীরা বা পর্যটকরা ভ্রমণ করে না, কারণ করোনারকারণে যে ভয়টা মনের ভিতরে আছে, তা আস্তে আস্তে দূরবর্তী হতে হবে এবং করনোর মহামারী প্রভাব কমে আসতে হবে।

করোনা কালীন সংকটের মধ্যে এবং করোনা পরবর্তী সময়ে পর্যটন ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ট্যুর অপারেটর / ট্রাভেল এজেন্টদের করণীয় কী হতে পারে…

আমি প্রথমে তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, করোনার প্রভাব মাএ শুরু হয়েছে, ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্ট ব্যবসায়ীদের কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা এখনধারণ করা যাবে না। সুতরাং ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্টরা সবাই এখন সুস্থ থাকতে হবে, ব্যবসার পরিসর ছোট করে খরচ কমাতে হবে যাতে করে ভবিষ্যতেটিকে থাকা যায়।

করোনা সংকটের মধ্যে পর্যটনের সাথে যারা জড়িত, বিশেষ করে পর্যটন কর্মীদের উদ্দেশ্যে কিছু বলেন…

তিনি বলেন, প্যাসিফিক এশিয়া ট্র্যাভেল এজেন্সি (পাটা) বাংলাদেশ চেপ্টার ধারণা করছে যে, ৪-৫ লক্ষ্য কর্মী চাকুরী হারোনোর সম্ভাবনা রয়েছে। যা আমাদের জন্য বাপর্যটন কর্মীদের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা দিবে।

মানুষজন কি দেশের বাহিরে ঘুরতে যেতে পারে?

এইটা পুরোটা নির্ভর করবে করোনার প্রভাব কতদিন থাকবে  তবুও আমরা ধারনা করছি আগষ্টের প্রথম সপ্তাহে চালু হতে পারে।

বর্তমান সময়ের প্রক্ষাপটে এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের কাছ থেকে কী ধরনের সহযোগিতা চান আপনারা …

এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে, আমাদের সরকারকে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে, তবেই আামাদের এই পর্যটন শিল্পকে বাঁচানো যাবে। আমাদের দাবিসরকারের কাছে সামনে বাজেট আছে, এই বাজেটে পর্যটন শিল্পের জন্য বড় ধরনের একটা আর্থিক প্রণোদনার জন্য দাবি জানাচ্ছি। তা নাহলে ক্ষুদ্র শিল্প পর্যটনকেটিকিয়ে রাখা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.