কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার উদ্যোগ

কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার উদ্যোগ

কানাডায় স্থায়ীভাবে বসবাসে আগ্রহী করে তোলার জন্য দেশটির ফেডারেল সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীদের নতুন করে ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

মাল্টিকালচারালিজমের দেশ কানাডা বরাবরই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ক্ষেত্রে নমনীয়। কানাডার ইমিগ্রেশন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় আড়াই লাখ অভিবাসীপ্রত্যাশী কানাডায় পাড়ি দেন।

এ ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা।

বর্তমানে কানাডায় যে ওয়ার্ক পারমিট কর্মসূচি চালু আছে তার আওতায় আন্তর্জাতিক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীরা শিক্ষা শেষে তিন বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পান।

স্থায়ী নাগরিকত্বের পথ হিসেবে কর্মসূচিটিকে দেখা হয়। কানাডার অভিবাসন বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর যে ৬১ হাজার শিক্ষার্থীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের অর্ধেক এই পথ বেছে নিয়েছেন।

ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে অথবা শেষ হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে এমন ৫২ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী নতুন নীতিমালার কারণে উপকৃত হবেন।

অভিবাসনবিষয়ক মন্ত্রী মার্কো মেন্ডিসিনো বলেন, যেসব সাবেক পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীর ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে অথবা শেষ হওয়ার পথে রয়েছে, তারা নতুন করে ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করতে পারবেন। ফলে চাকরি খুঁজে পেতে আরও ১৮ মাস তারা কানাডায় থাকার অনুমতি পাবেন।

বিদেশি শিক্ষার্থীদের স্থায়ীভাবে কানাডায় রেখে দেওয়া সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কারণ শ্রমিক স্বল্পতা অভিবাসীদের দিয়েই পূরণ করে থাকে কানাডা।

কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে কানাডায় শিক্ষার্থীর আগমন অস্বাভাবিক কমে গেছে। এ স্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নীতির কথা ঘোষণা করেছেন মেন্ডিসিনো।

তিনি বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের বার্তাটা পরিষ্কার। আপনারা শুধু এ দেশে পড়াশোনা করুন তা নয়, আমরা চাই আপনারা এ দেশে থেকেও যান।

নতুন ওয়ার্ক পারমিট কর্মসূচির আওতায় ২৭ জানুয়ারি থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.