কক্সবাজার হবে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক নগরী: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কক্সবাজার হবে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক নগরী। সেখানে আরও আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র করা হবে, যেন বিদেশিরা এসে আমাদের দেশটাকে উপভোগ করতে পারে। এতে করে আমরা আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবো। সেখানে বিমানবন্দরের রানওয়েতে যেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় বিমান নামতে পারে সেভাবে সম্প্রসারণ করতে হবে। তাই আমরা সাগরের মাঝে রানওয়ের সম্প্রসারণ করে নিয়ে যাচ্ছি।

রবিবার (২৯ আগস্ট) কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের পরে ২১ বছর দেশে কোনো উন্নয়ন হয়নি। জাতির পিতা বাংলাদেশকে প্রাচ্যের সুইজারল্যান্ড করতে চেয়েছিলেন। বিমানের প্রভূত উন্নয়ন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর সব স্বপ্নই থেমে যায়। জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নষ্ট করে। এরা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। এরা জনগণের উন্নয়নে বিশ্বাস করে না। জনগণ জনগণের উন্নয়নের বিশ্বাস করলে আমাদের যে উন্নয়ন করতে ১২ বছর লাগে তারা ২১ বছরেও সে উন্নয়ন করতে পারেনি কেন এমন প্রশ্ন করেন তিনি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু জেলখানায় বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন। জেলের বাইরে থাকলে শীতকালে আমাদের কক্সবাজার নিয়ে যেতেন। এমনকি আমরা উখিয়ায় গেছি। বাঘের গর্জন শোনা যেত। এত ঘন জঙ্গল ছিল তখন, সেই জঙ্গলের চিহ্নমাত্র এখন আর নেই। কক্সবাজারে এখন যেখানে ঝাউবন- এটি বঙ্গবন্ধুর করা। ৮০ মাইল লম্বা সিবিচ আর কোথাও নেই। কক্সবাজার নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন ছিল।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে কতগুলো প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তৈরি করেছে সরকার। এসব পরিকল্পনায় বিমানের আধুনিকায়নে, বিমানবন্দরগুলোর আধুনিকায়নে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। কক্সবাজার, রাজশাহী ও সিলেট বিমানবন্দরের উন্নয়ন করব। সোনাদিয়ায় ইকোপার্ক করা হবে।

স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মত্যাগকারীদের যাদের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এর মধ্যেই অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করে অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীরা। জাতির পিতা বেঁচে থাকলে ৪০ বছর আগে দেশ সমৃদ্ধ হয়ে যেত।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.