কক্সবাজারে বিদেশি পর্যটকদের জন্য হচ্ছে ‘স্পেশাল জোন’ : প্রধানমন্ত্রী

image

কক্সবাজার হবে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সৈকত (সি-বিচ), পর্যটনকেন্দ্র ও অত্যন্ত আধুনিক শহর। সেভাবে পুরো কক্সবাজারকে উন্নত সমৃদ্ধ করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বালুকাময় সমুদ্রসৈকতে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ‘স্পেশাল জোন’ করা হবে। যেখানে শুধু বিদেশিরা আসতে ও যেতে পারবেন। তারা যেন তাদের মতো করে সবকিছু উপভোগ করতে পারেন সে ব্যবস্থা করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ রোববার (২৯ আগস্ট) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজ উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এটি হবে দেশের বিমানবন্দরগুলোর সবচেয়ে বড় রানওয়ে। রানওয়ের ৭০০ ফুট থাকবে সমুদ্রের মধ্যে। প্রায় ১৭০০ ফুট সমুদ্রপৃষ্ঠ ভরাট করে কক্সবাজার বিমান বন্দরের রানওয়েকে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

দেশে প্রথমবারের মত সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপর নির্মিতব্য এ রানওয়ের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। যার পুরোটাই অর্থায়ন করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এটিই হবে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে। বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে কক্সবাজারের পর্যটন ও অর্থনৈতিক বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

চীনের দু’টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চাংজিয়াং ইচাং ওয়াটার ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যুরো (সিওয়াইডব্লিউসিবি) ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন-জেভি যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

শনিবার সকালে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মফিদুর রহমান সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উন্নীত করতে বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ট ভরাট করে এ কাজটি করা হচ্ছে। এ বিমানবন্দরকে ঘিরে তৈরি হবে এভিয়েশন হাব। বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে যেন এখানে বিমান নামতে পারে, সে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ বিমানবন্দরের আগের রানওয়ে ছিল ৬ হাজার ৭৭৫ ফুট, সেখান থেকে ৯ হাজার ফুটে উন্নীত করা হয়। এ কাজ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে এ বিমানবন্দরের রানওয়ে ১২ হাজার ফুটে উন্নীত করা হবে

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.