ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত সেন্টমার্টিন, ২৫ ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত

ফাইল ছবি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে কক্সবাজারের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন ঝড়ের প্রভাবে বুধবার (২৬ মে) ভোর থেকে থেমে দমকা হাওয়া শুরু হয়। হাওয়ায় সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ ২৫টি ঘর-বাড়ি এবং সাতটি ট্রলার বিধ্বস্ত হয়েছে।

দ্বীপের বাসিন্দারা জানান, ভোর থেকে প্রচণ্ড দমকা হাওয়া শুরু হয়। মাঝে মধ্যে ভারী ও মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। সাগর প্রচণ্ড উত্তাল। বুধবার সকাল ৮টা থেকে সাগরের জোয়ার শুরু হয়। দুপুর ১২ টা পর্যন্ত জোয়ার থাকবে। জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি ঢুকে দ্বীপের সাতটি অংশে ব্যাপক ভাঙন ধরেছে। এখন পর্যন্ত ছয়টি ঘর-বাড়ি ও জেটিসহ ৭টি ট্রলার বিধ্বস্ত হয়েছে। বিশেষ করে দ্বীপের উত্তর-পূর্ব বিচ, গলাচিপা, কোনাপাড়া, নজরুল পাড়া এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া নাফনদীর জোয়ারের পানিতে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়ায় ২০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অন্যদিনের চেয়ে সাগরের পানি ৪-৫ ফুট বেড়ে দ্বীপের ঢুকে পড়ে। এতে দ্বীযরে বেশকিছু অংশে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় এখন পর্যন্ত ছয়টি ঘর-বাড়িসহ কিছু ট্রলার বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এখন পানি নামতে শুরু করেছে।’

দ্বীপের বিচ কর্মী মো.আমিন বলেন, জোয়ারের পানিতে দ্বীপের অধিকাংশ এলাকা ডুবে গেছে। তবে এখন পানি নামতে শুরু করেছে। এতে দ্বীপের চারদিকে ভাঙন দেখা যাচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ পারভেজ চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে (দুই দ্বীপ) সেন্টমার্টিন-শাহপরীর দ্বীপে ২৫ টি ঘর-বাড়ি ভেঙে গেছে বলে কবর পেয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের স্বজনদের কাছে আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষ করে সেন্টমার্টিন দ্বীপের চারদিকে ব্যাপক ভাঙনের খবর পেয়েছি। ইতোমধ্য ক্ষতিগ্রস্ত ঘরহারা মানুষদের ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.